নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার চরহাজারী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জালাল আহমেদ মেম্বারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় শাহেদা খাতুন, মোজাম্মেল হোসেন, ফরিদা আক্তার ও মেহেদী হাসানসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে অভিযোগকারী পক্ষ। পরে আহতদের চিকিৎসার জন্য কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে ফের মারামারির ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জমি নিয়ে একই বাড়ির বেলাল হোসেন, আবু বক্কর ছিদ্দিক, জহির উদ্দিন, শাহীন, রিজন ও তুহিনের সঙ্গে নুর নবীর পক্ষের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে এর আগে একাধিকবার সামাজিক বৈঠক ও মামলা-মোকদ্দমা হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, জমি সংক্রান্ত মামলায় তাদের পক্ষে রায় আসার পরও অভিযুক্তরা তা মেনে না নিয়ে তাদের দখলে থাকা জায়গা দখলের চেষ্টা করেন। এতে তারা বাধা দিলে বেলাল হোসেন, আবু বক্কর ছিদ্দিক ও জহির উদ্দিনের নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় শাহেদা খাতুন, মোজাম্মেল হোসেন, ফরিদা আক্তার ও মেহেদী হাসান আহত হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই সময় বাড়িঘরে ভাঙচুরেরও অভিযোগ করেন তারা।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বেলাল হোসেন। তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়। বরং এ ঘটনায় তাদের পক্ষের চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে ঘটনার পর আহতদের চিকিৎসার জন্য কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী জরুরী বিভাগের সামনে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে ফের মারামারির ঘটনা ঘটলে হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
এসময় দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে খবর পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল হাকিমের নির্দেশে সংঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন এস আই আনোয়ার হোসেন।
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল হাকিম বলেন, দুই পক্ষের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷