1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতির ভিত্তি - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সাবিনা ইয়াসমিনের জন্মদিনে ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’ শত বছর পর মার্কিন মুদ্রায় জীবিত প্রেসিডেন্টের ছবি, ১ ডলারের কয়েনে ট্রাম্প ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতির ভিত্তি ৭ পুলিশ কর্মকর্তা চাকরি থেকে বরখাস্ত জালালাবাদ ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ড হিসাবে গড়তে চাই – কাউন্সিলর প্রার্থী এডভোকেট মো.শফিকুল আলম স্বপন ৫ই সেপ্টেম্বর লংমার্চ সফল করতে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জামায়াতের লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ এফ এ এফ মাল্টিলিঙ্গোয়াল স্কুল এন্ড কলেজে’র অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  রংপুরে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের সদস্যদের হত্যার প্রতিবাদে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মানববন্ধন  বাংলাদেশের রাজনীতি ও জনগণের স্বার্থ: পরিবর্তন চাই, তবে কার জন্য? নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে প্রয়াত বিএনপি নেতা আবুল হোসেন মানিকের কবর জিয়ারত করলেন এমপি ফখরুল ইসলাম 

ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতির ভিত্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪ বার
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান  বলেছেন, ‘সমাজে ন্যায়বিচার, সমতা, মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলেই কেবল টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব। একইসঙ্গে শান্তি বিনির্মাণে নারীর নেতৃত্ব এগিয়ে নিতে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

 

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘শান্তির সংস্কৃতিবিষয়ক কর্মসূচির উচ্চপর্যায়ের ফোরাম’-এ বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নারীর নেতৃত্ব জোরদারে তিনটি অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন।

তিনি শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে নারীর পূর্ণ, সমান ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা; কিশোরী ও তরুণ নারীদের নেতৃত্ব বিকাশে, বিশেষ করে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার ও ডিজিটাল স্বাক্ষরতা বাড়াতে বিনিয়োগ; এবং সংঘাত প্রতিরোধ, মানবিক সহায়তা, কমিউনিটির সহনশীলতা, সামাজিক সংহতি ও শান্তি বিনির্মাণে নারী-নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোকে টেকসই ও লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রদূত আইরিন খান বলেন, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ এজেন্ডা থাকা সত্ত্বেও শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো পর্যাপ্ত নয়। এমনকি তাদের জীবন ও ভবিষ্যৎ-সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণেও নারীরা প্রায়ই উপেক্ষিত থাকেন।

 

তিনি শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে নারীর নেতৃত্ব জোরদারে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের অবদানের পাশাপাশি তৃণমূলসহ দেশের নাগরিক সমাজে মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে নারী নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net