পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মেসার্স পদ্মা এন্টারপ্রাইজ ইটভাটায় অগ্রিম টাকা দেওয়ার পরও চুক্তি অনুযায়ী ইট সরবরাহ না করা এবং টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মুর্শিদা পারভীন দীনা ভাঙ্গুড়া থানার লিখিত অভিযোগ করেন
অভিযোগপত্রে মুর্শিদা পারভীন দীনা (৩৫) উল্লেখ করেন, তিনি কুমারডাঙ্গা, ভাঙ্গুড়া, পাবনা এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগে তিনি মো. আলমগীর হোসেন (৪৫), পিতা—মো. আবু হোসেন, সাং—উত্তর মেন্দা; মো. লিটন হোসেন (৪৬), পিতা—মৃত ইদ্রিস প্রামাণিক, সাং—উত্তর মেন্দা; মো. হাবিবুর রহমান প্রামাণিক (৫৫), পিতা—ইসহাক প্রামাণিক; মো. ইকরামুল হক (৫০), পিতা—মো. আমিন হাজী, সাং—কুমারডাঙ্গা; এবং শ্রী নির্মল কুমার দে (৪৫), পিতা—মৃত মঞ্জু সুন্দর, সাং—দক্ষিণ মেন্দা পালপাড়া, ভাঙ্গুড়া, পাবনা—এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, ভাঙ্গুড়া থানাধীন অষ্টমনিয়া এলাকায় মেসার্স পদ্মা এন্টারপ্রাইজ নামের ইটভাটা সেখানে ইট কেনার জন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে তাঁর চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী ইট সরবরাহের কথা থাকলেও তিনি বিভিন্ন সময়ে মোট ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা প্রদান করেন।
অভিযোগকারীর দাবি, টাকা নেওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে ইট সরবরাহ করা হয়নি। পরবর্তী সময়ে ইট দেওয়ার কথা বলে সময়ক্ষেপণ করা হয়। একপর্যায়ে টাকা ফেরত চাইলেও অভিযুক্তরা তা ফেরত দেবেনা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানিয়ে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও কোনো সমাধান হয়নি। পরে ব্যবসায়িক সম্পর্কের মাধ্যমে পাওনা টাকা আদায়ের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন অভিযোগকারী।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভাঙ্গুড়া থানায় অভিযোগ দিয়েছেন মুর্শিদা পারভীন দীনা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানা যায়নি। অভিযোগের সত্যতা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।