ঢাকা   ১২:৫৮:৩৮ পিএম, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭ (সিজন-২) এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত পরীমণির সঙ্গে কি ঘটেছিল জানালেন সেই সাংবাদিক কুমিল্লার গাংচরে বহুতল ভবনে ফাটলের পর হেলে পড়েছে, মালিকের দাবি ইঁদুরের কাণ্ড মাগুরায় নকল কীটনাশক বিক্রি, ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা মাগুরা-১ আসনের এম পি মনোয়ার খানের দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত কুমিল্লায় শিশুদের নিয়ে ব্যতিক্রমী আয়োজন, থাকছে ফ্রি পার্ক রাইড উপভোগের সুযোগ নোয়াখালী জেলা পুলিশের মাষ্টার প্যারেড ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের গালিগালাজ করার অভিযোগ পরীমনির বিরুদ্ধে, বিচারপ্রার্থীর ‘মাথা ফাটালেন’ তার নিরাপত্তারক্ষীরা মোংলা বন্দর হবে সম্ভাবনাময় নতুন অর্থনৈতিক হাব: প্রধানমন্ত্রী বয়সের ব্যবধান ৫০ বছর: শ্রীলীলার সঙ্গে জুটি বাঁধছেন রজনীকান্ত

মাগুরার শ্রীপুরে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে ভুক্তভোগী নারী ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির সংবাদ সম্মেলন

মোঃ সাইফুল্লাহ, মাগুরা প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৮৬ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

মাগুরা শ্রীপুরের মহেশপুর গ্রামের সিমু খাতুন নামের এক নারীর বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগে সাংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগীরা। এ সময় একই বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচার চালানোর প্রতিবাদে উপজেলার দ্বারিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম প্রদীপও সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন। গতকাল দুপুরে শ্রীপুর মহিলা কলেজ সংলগ্ন উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

মহেশপুর গ্রামের ভুক্তভোগী নারী সিমু খাতুন বলেন, মহেশপুর গ্রামের নাজমা খাতুন জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া স্ট্যাম্প বানিয়ে আমার নামে ১০ লাখ টাকার মামলা করে এবং সেই স্ট্যাম্প মহেশপুর গ্রামের কামাল মৃধার কাছে গচ্ছিত রাখে। কামাল মৃধা কিছু টাকার বিনিময়ে সেই স্ট্যাম্প নাজমার কাছে বিক্রি করে দেয়। পরে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে আমার ও আমার স্বামী কামাল মৃধার নামে ২৫ লাখ টাকার মামলা করে। আর এসব ঘটনার সাথে দ্বারিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম প্রদীপ ভাইয়ের জড়ানোর চেষ্টা করে। কিন্তু সে এর সাথে জড়িত না।

দারিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম প্রদীপ বলেন, ২ বছর আগে শীতের সময় জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে নাজমা খাতুন ও তাদের পারিবারিক একটি সালিশ হয়। সেখানে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে সালিশটি মিমাংসা হয়। ওই টাকাটা আমার দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রোকনের কাছে গচ্ছিত থাকে। আমার বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার একটা ভিডিও ফেসবুকে দেখলাম। ভিডিওতে তিনি অভিযোগ করেছেন, আমি নাকি তার কাছ থেকে টাকা নিয়েছি। আমি কোন অবৈধ কাজ কামের সাথে জড়িত না। আমার বিরুদ্ধে যে বা যারা অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছি। জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যদি দ্বারিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমাকে মনোনয়ন দেয়,তবে আমি প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবো। এ কারণে আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র ও হেয় করার চেষ্টা হচ্ছে। আমি বিএনপির নির্বাচিত সভাপতি। ইউনিয়নবাসী প্রমাণ করেছে আমি কেমন মানুষ। চাঁদাবাজি বা চরিত্র হনন করে কোন লাভ হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি