ঢাকা   ১২:২০:৫৬ পিএম, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
শিক্ষা সফরের আনন্দ রূপ নিল বিভীষিকায়, প্রাণ হারালেন শিক্ষিকাসহ দুজন- আহত ৩০ সাতকানিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প, সেবা পেলেন ৬০০ রোগী শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগ ভিত্তিহীন, দাবি স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ৫ আসামী গ্রেফতার নতুন ৩টি সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের যারা গণহত্যা চালিয়েছে, এ দেশের মানুষ তাদের আর কখনো রাজনীতি করতে দেবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাগুরার শ্রীপুরে স্মারক গ্রন্থ ‘স্বপ্ন সারথি’র মোড়ক উন্মোচন এবং বৃক্ষরোপণ মাগুরায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীরের শপথ নিলেন অধ্যাপক সাইদ আহমাদ বাচ্চু    নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭ (সিজন-২) এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত পরীমণির সঙ্গে কি ঘটেছিল জানালেন সেই সাংবাদিক

পাহাড়ধস ঝুঁকি মোকাবিলায় ১০০ পরিবারকে সেভ দ্য চিলড্রেন ও ইপসার আর্থিক সহায়তা প্রদান 

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬
  • ১২৩ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

টানা বর্ষণ ও সম্ভাব্য পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা চট্টগ্রাম মহানগর ও বাঁশখালীর ১০০টি পরিবারকে আগাম আর্থিক সহায়তা দিয়েছে ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল এ্যাকশন (ইপসা)। জার্মান ফেডারেল ফরেন অফিসের অর্থায়নে এবং সেভ দ্য চিলড্রেনের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত ‘এ্যান্টিসিপেটরি এ্যাকশন ’ প্রকল্পের আওতায় এ সহায়তা প্রদান করা হয়।

 

আবহাওয়া ও দুর্যোগের পূর্বাভাস বিশ্লেষণে ভূমিধসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ায় ‘নো রিগ্রেট (No Regret) পলিসি’ অনুযায়ী আগাম প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। এর অংশ হিসেবে ৮ ও ৯ জুলাই চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও বাঁশখালীর পাহাড়ধস-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী ১০০টি পরিবারকে নগদ সহায়তা দেওয়া হয়।

 

সহায়তাপ্রাপ্তদের মধ্যে ৮৪টি পরিবার শর্তহীন নগদ সহায়তা এবং ১৬ জন ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তা শর্তযুক্ত নগদ সহায়তা পেয়েছেন। প্রত্যেককে ৬ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ সহায়তা সম্ভাব্য দুর্যোগের আগেই পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়া, খাদ্য ও জরুরি সামগ্রী সংগ্রহ এবং জীবিকা সুরক্ষায় সহায়তা করবে।

 

পাহাড়ধসের পূর্বাভাস পাওয়ার পর প্রকল্পের কর্মকর্তা, কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকেরা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সচেতনতামূলক প্রচারণা, ঝুঁকি মূল্যায়ন, নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শ এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বিত প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

 

সহায়তাপ্রাপ্ত দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, “২০২৩ সালে চট্টগ্রামের ষোলশহর এলাকায় পাহাড়ধসে আমার ছেলে আবু রায়হান নিহত হয়। সেই অভিজ্ঞতা থেকে জানি, ঝুঁকির সময়ে আগাম সহায়তা মানুষের জীবন রক্ষায় কতটা গুরুত্বপূর্ণ।”

 

ইপসার প্রকল্প ব্যবস্থাপক সানজিদা আক্তার বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পূর্বাভাসভিত্তিক আগাম পদক্ষেপ ও নগদ সহায়তা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে সময়োপযোগী ও নিরাপদ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করবে।”

 

বর্তমানে প্রকল্পটি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের চারটি পাহাড়ধস-ঝুঁকিপূর্ণ ৪টি ওয়ার্ড এবং বাঁশখালীর ৪টি ইউনিয়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর আগে প্রকল্পের আওতায় নগদ সহায়তা, হাইজিন কিট ও কিচেন কিটসহ বিভিন্ন মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি