ঢাকা   ০১:৫৮:১৮ এএম, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন মাগুরার শ্রীপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  চন্দনাইশে নানা আয়োজনে সাংসদ জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত চন্দনাইশে উপজেলা প্রশাসনের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা করলেন প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল মাটিরাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশী নিহত মাগুরায় ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত  আনোয়ারা আইডিয়াল স্কুলের পরিচালনা পর্ষদের সাথে, সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় শিক্ষা সফরের আনন্দ রূপ নিল বিভীষিকায়, প্রাণ হারালেন শিক্ষিকাসহ দুজন- আহত ৩০

প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট-পাঠদান ব্যাহত চন্দনাইশ ধোপাছড়িতে ৬ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেহাল দশা  

এস.এম.জাকির,চন্দনাইশ(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬
  • ১৪৯ বার
  • ৬ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

চন্দনাইশের দুর্গম পাহাড়ী এলাকা ধোপাছড়িতে ৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক স্বল্পতার কারণে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। রয়েছে নানামুখী সমস্যা, শিক্ষার্থীরা অধিকাংশ সময় বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকে না। ফলে, ফলাফল বিপর্যয় ঘটে বার্ষিক পরীক্ষায়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার দুর্গম পাহাড়ী এলাকার শিক্ষা বিস্তারের জন্য সরকার ৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করেন।কিন্তু পাহাড়ী এলাকা হওয়ায় প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষক স্বল্পতার কারণে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। সম্প্রতি পশ্চিম ধোপাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে প্রধান শিক্ষকের পদসহ ৩টি পদ খালি রয়েছে।৩ জন শিক্ষকের মধ্যে একজন ছুটিতে, অপর জন অফিসের কাজে বাইরে থাকায় সহকারী শিক্ষিকা শামীমা সুলতানা পুরো স্কুল পরিচালনা করছেন। ৬টি ক্লাসে ৮৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১২ জনকে উপস্থিত পাওয়া যায়।উত্তর ধোপাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০১ জন শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষক রয়েছে মাত্র ২ জন।শিক্ষক পদ খালি রয়েছে ৫টি।নৈশ প্রহরী না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে রয়েছে এ সকল স্কুল ভবন।প্রতি নিয়ত চুরির ঘটনার পাশাপাশি রাতে বহিরাগতদের উপদ্রবে অতিষ্ট শিক্ষকরা।প্রধান শিক্ষক মোছাম্মৎ আছিয়া বেগম অতি কষ্টে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য ঘরে ঘরে গিয়ে অভিভাবকদের সচেতনতার চেষ্টা করছেন বলে জানান। উত্তর ধোপাছড়ি মংলারমুখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬ জন শিক্ষকের স্থলে প্রধান শিক্ষকসহ ৪টি পদ খালি রয়েছে। ২০১৬ সাল থেকে প্রধান শিক্ষক, শুরু থেকে নৈশ প্রহরী নেই।৬টি ক্লাসে ৫৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছে ২ জন শিক্ষক। বাউন্ডারি না থাকায় একাধিকবার চুরির ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক চন্দন সুশীল।ধোপাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৭১ জন শিক্ষার্থী জন্য রয়েছে ৩ জন শিক্ষক। ২০২৫ সাল থেকে প্রধান শিক্ষকসহ ৪টি পদ খালি রয়েছে| নৈশ প্রহরী ও বাউন্ডারি না থাকায় চুরির ঘটনা সংগঠিত হচ্ছে। চিড়িংঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৭জন শিক্ষকের স্থলে রয়েছে ৪ জন।শিক্ষার্থী ৫২জনের মধ্যে অধিকাংশ সময় শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থী সংকট দেখা দেয়। প্রধান শিক্ষকসহ ৩টি পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি রয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী কমপক্ষে ৪ জন শিক্ষক বিদ্যালয়ে থাকার নিয়ম থাকলেও উত্তর ধোপাছড়ি মংলারমুখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৩ জন শিক্ষক থেকে ১ জন সহকারী শিক্ষক নিয়ম বহির্ভূতভাবে বদলি হয়ে চলে যায়।ধোপাছড়ি এলাকায় নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে চলছে শিক্ষা ব্যবস্থা। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ সকল বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকেরা সময়মতো উপস্থিত থাকেন না।পাশাপাশি অধিকাংশ সময় ১/২ জন শিক্ষক বিভিন্ন অযুহাতে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকেন। চন্দনাইশে ৩টি ক্লাস্টারে ১ জন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা থাকার কারণে যথাযথভাবে মনিটরিং হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে।এসকল বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের ব্যাপারে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কবির হোসেন মোবাইল ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি