1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
নোয়াখালীর হাতিয়ায় ৭ মণ ওজনের শাপলাপাতা মাছ ধরে ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি ষ - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
নোয়াখালীর হাতিয়ায় ৭ মণ ওজনের শাপলাপাতা মাছ ধরে ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি ষ নোয়াখালীর কবিরহাটে মাধ্যমিক পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৫৫ শিক্ষার্থীকে ছাত্রদলের সংবর্ধনা  মাগুরায় প্রকাশ্য দিবালোকে গৃহবধূকে কুপিয়ে জখম! মাগুরায় দিনভর বিভিন্ন সভা ও এল এ চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হাজারো সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে ‘সিগনেচার বাংলা’ নাঙ্গলকোট গ্র্যাজুয়েটস অ্যাসোসিয়েশনের অভিষেক অনুষ্ঠান – ২০২৬ নোটিশ ছাড়া উচ্ছেদের অভিযোগ সিডিএর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিপূরণ ও তদন্তের দাবি দেবিদ্বারে ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং ছড়িয়ে সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয় করার চেষ্টা ৬ জুনের আগে ইউপি ভোট শেষ করতে সম্মত সবাই: ইসি সানাউল্লাহ বাসের ইউটার্নে বাড়ছে যানজট

নোয়াখালীর হাতিয়ায় ৭ মণ ওজনের শাপলাপাতা মাছ ধরে ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি ষ

শাহাদাত হোসেন রাসেল, নোয়াখালী প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ০ বার

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বন্য প্রাণী আইনে সংরক্ষিত বিশাল আকৃতির একটি শাপলাপাতা মাছ। মাছটির ওজন প্রায় সাত মণ বা ২৮০ কেজি। বুধবার বিকেলে মাছটি হাতিয়ার ঐতিহ্যবাহী চেয়ারম্যানঘাটে আনা হলে এটি দেখতে ভিড় করেন উৎসুক জনতা। পরে মাছটি কেটে টুকরা করে প্রায় ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।

 

তরুণাস্থিময় সামুদ্রিক এ মাছ বাংলাদেশ বন্য প্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন, ২০১২ অনুযায়ী শিকার, সংগ্রহ, ক্রয়-বিক্রয় ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, নিষিদ্ধ এই মাছটি প্রকাশ্যে বিক্রি হলেও এ সময় কোনো ধরনের বাধার মুখে পড়তে হয়নি জেলেদের।

 

স্থানীয় জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার ভাসানচরের কাছাকাছি মেঘনা নদীতে ‘চরঘেরা’ জাল ফেলেন একদল জেলে। বিকেলে ওই জালে বিশাল আকৃতির শাপলাপাতা মাছটি আটকা পড়ে। পরদিন বুধবার বিকেলে মাছটি বিক্রির জন্য হাতিয়ার চেয়ারম্যানঘাটে নিয়ে আসেন জেলেরা।

 

পরে চেয়ারম্যানঘাটের জামাল মেম্বারের মৎস্য আড়ত থেকে মাছটি কিনে নেন স্থানীয় এক মৎস্য ব্যবসায়ী। এরপর ঘাটেই মাছটি কেটে টুকরা করে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে প্রায় ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।

 

চেয়ারম্যানঘাটে উপস্থিত সুবর্ণচর উপজেলার বাসিন্দা আবদুল বারী বলেন, বুধবার বিকেলে তিনি চেয়ারম্যানঘাটে ঘুরতে গিয়ে বিশাল আকৃতির শাপলাপাতা মাছটি দেখতে পান। পরে আড়তে ডাকের মাধ্যমে মাছটি ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। এরপর মাছটি কেটে টুকরা করে স্থানীয়দের কাছে বিক্রি করা হয়।

 

তিনি বলেন, ‘শাপলাপাতা মাছ ধরা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও বিষয়টি জেলেরা জানেন বলে মনে হয়নি।’

 

ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন সোসাইটির (ডব্লিউসিএস) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে শাপলাপাতা মাছের ১৬টি প্রজাতি রয়েছে। বাংলাদেশে পাওয়া ৮ থেকে ১০টি প্রজাতির মধ্যে দুটি মহাসংকটাপন্ন এবং তিনটি সংকটাপন্ন হিসেবে বিবেচিত।

 

পিতাম্বরী বা নাঙলা এবং ঘণ্টি শাপলাপাতা মাছকে মহাসংকটাপন্ন ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া পান্ন্যা, শিংচোয়াইন ও ঠোট্ট্যা ঘাপরি শাপলাপাতা মাছকে সংকটাপন্ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাংলাদেশে চিত্রাহাউশ, ছোটলেজি, কালি, ফুল, বাদুড়, বাদা, থাইন ও চুনি প্রজাতির শাপলাপাতা মাছও পাওয়া যায়। এসব প্রজাতির কয়েকটির শিকার ও বিক্রি নিষিদ্ধ।

 

এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘আমাদের মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী শাপলাপাতা মাছ ধরা সরাসরি নিষিদ্ধ নয়। তবে বন্য প্রাণী ও বন আইন অনুযায়ী এটি বিপন্ন বা বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত এবং ওই আইনে এটি ধরা বা বিক্রি করা নিষিদ্ধ।’

 

স্থানীয় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিপন্ন সামুদ্রিক প্রাণী রক্ষায় জেলেদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিষিদ্ধ প্রজাতি ধরা ও বিক্রির ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net