ঢাকা   ১১:২৪:৪৬ পিএম, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
নতুন ৩টি সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের যারা গণহত্যা চালিয়েছে, এ দেশের মানুষ তাদের আর কখনো রাজনীতি করতে দেবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাগুরার শ্রীপুরে স্মারক গ্রন্থ ‘স্বপ্ন সারথি’র মোড়ক উন্মোচন এবং বৃক্ষরোপণ মাগুরায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীরের শপথ নিলেন অধ্যাপক সাইদ আহমাদ বাচ্চু    নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭ (সিজন-২) এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত পরীমণির সঙ্গে কি ঘটেছিল জানালেন সেই সাংবাদিক কুমিল্লার গাংচরে বহুতল ভবনে ফাটলের পর হেলে পড়েছে, মালিকের দাবি ইঁদুরের কাণ্ড মাগুরায় নকল কীটনাশক বিক্রি, ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা মাগুরা-১ আসনের এম পি মনোয়ার খানের দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত কুমিল্লায় শিশুদের নিয়ে ব্যতিক্রমী আয়োজন, থাকছে ফ্রি পার্ক রাইড উপভোগের সুযোগ

গত কয়েক মাসে ৩ দফায় চালের মুল্য বৃদ্বি পেলো দিনাজপুরের চালের বাজার আবারো অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২০
  • ৩৮০ বার
  • ৫ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

রফিকুল ইসলাম ফুলাল দিনাজপুর প্রতিনিধি :
দিনাজপুরে চালের বাজার আবারো অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। জেলার বিভিন্ন বাজারে আবারো চালের দাম বেড়েছে। প্রকারভেদে সব ধরনের চাল কেজীতে ৩-৪ টাকা বেড়েছে। এনিয়ে গত কয়েক মাসে ৩ দফায় চালের মুল্য বৃদ্বি পেলো। বাজারে হঠাত চালের মুল্য বৃদ্বির কারনে ভোগান্তিতে পড়েছে স্থানীয় মধ্যবিত্ব ও খেটে খাওয়া অসহায় মানুষেরা।

স্থানীয় বাজারের চাল ব্যবসায়ীরা বলছেন বাজারে ধানের দাম বেশী হওয়ায় এবং মিল পর্যায়ে দাম বৃদ্বির ফলে পাইকারী ও খুচরা চালের বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনে চাল (৫০ কেজী) প্রতি বস্তায় বেড়েছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। বাজারে ২৮ ও ২৯ চাল আগে ছিল প্রতিকেজী ৪২ থেকে ৪৩ টাকা এখন বিক্রি হচ্ছে ৪৬ থেকে ৪৭ টাকা। মিনিকেট চাল ৪৪-৪৫ টাকা কেজি এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫১ টাকা কেজি। এছাড়াও সুমন ও গুটি স্বর্ণ চাল ৩৮ টাকার স্থলে এখন বিক্রি হচ্ছে ৪২ টাকা দরে।

দিনাজপুর শহরের প্রধান বাজার এন এ মার্কেটে চাল ক্রয় করতে আসা মো: আব্দুস সালাম জানান,গত সপ্তাহেই ৪৪-৪৫ টাকা কেজি দরে মিনিকেটে চাল কিনেছি কিন্তু বর্তমানে ওই একই চাল ৫০-৫১ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, আমরা অসহায় কিভাবে বাচঁবো বুঝতে পারছি না। বাজারে কোনো দ্রব্যের দাম বাড়লে আর কমতেই চায়না।

শহরের পুলহাট এলাকার চালের পাইকার ও খুচরা বিক্রেতা মো: শফিউদ্দীন জানান, মিল পর্যায়ে চালের দাম বৃদ্বির কারনে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে । বেশী দামে কিনলে তো লাভ রেখেই বেচঁতে হবে নইলে আমাদের ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। এছাড়া গ্রামগঞ্জের বাজারে ধানেরও দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, চালের দাম বৃদ্ধির এটাও একটা কারন। যে কারনে বেশী দামে ধান কেনায় মিল মালিকরা প্রতি বস্তায় চালের দাম ২০০-৩০০ টাকা বৃদ্ধিতে কেনাবেচা করছে।

চালকল মিল মালিক সুজা উর রব জানান,এবারের বোরো মৌসুমে হাটে-বাজারে ধানের দর বেশী হওয়ায় কৃষকরা বেশ লাভবান হয়েছেন। বেশী দরে ধান ক্রয়ের কারনেই চালের মুল্য সামান্য বৃদ্ধি হয়েছে ফলে ব্যবসায়ীরাও একটু সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে।

দিনাজপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো : আশরাফুজ্জামান জানান,সরকার নিধার্রিত দরে এবছরও চুক্তিবদ্ধ মিলারদের কাছ থেকে ধান ও চাল সংগ্রহ করা হচ্ছে। বোরো সংগ্রহ অভিযানে জেলা খাদ্য বিভাগ এবার মিলারদের কাছ থেকে ৯১ হাজার ৭২৩ মেট্রিক টন চাল এবং ৩২ হাজার ৭২ টান ধান ক্রয় করবে বলে তিনি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি