ঢাকা   ০১:০০:২৯ পিএম, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
শিক্ষা সফরের আনন্দ রূপ নিল বিভীষিকায়, প্রাণ হারালেন শিক্ষিকাসহ দুজন- আহত ৩০ সাতকানিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প, সেবা পেলেন ৬০০ রোগী শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগ ভিত্তিহীন, দাবি স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ৫ আসামী গ্রেফতার নতুন ৩টি সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের যারা গণহত্যা চালিয়েছে, এ দেশের মানুষ তাদের আর কখনো রাজনীতি করতে দেবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাগুরার শ্রীপুরে স্মারক গ্রন্থ ‘স্বপ্ন সারথি’র মোড়ক উন্মোচন এবং বৃক্ষরোপণ মাগুরায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীরের শপথ নিলেন অধ্যাপক সাইদ আহমাদ বাচ্চু    নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭ (সিজন-২) এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত পরীমণির সঙ্গে কি ঘটেছিল জানালেন সেই সাংবাদিক

নাঙ্গলকোটে বন্যায় ভেসে গেছে মাছ, পথে বসেছে মৎস্য চাষিরা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২০
  • ৩৪৮ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

শামীমুর রহমান, বিশেষ প্রতিবেদকঃ মাছ চাষে স্বাবলম্বী হতে গিয়ে এ বছর পথে বসেছেন কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার হাজার হাজার মৎস্য চাষীরা । বন্যার পানির তোড়ে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় মাত্র ১ -২ ঘণ্টায় ভেসে গেছে তাদের সব স্বপ্ন। এখন চরম দুর্দিন চলছে মাছ চাষিদের।

জানা গেছে, সংসারে আর্থিক অনটনের মাঝে ও মাছের প্রতি ছিল চাষিদের আলাদা ভালোবাসা। তাই নিজেরা না খেলেও প্রতিদিন মাছের খাওয়া নিশ্চিত করতেন। বন্যার পানিতে খামার ভেসে যাওয়ায় তাদের এখন দুর্দিনে বসবাস করছেন।

নাঙ্গলকোটে এবার সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে হেসাখাল ইউনিয়নের । সেখানে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই সব শেষ হয়ে গেছে। সব মিলিয়ে মৎস্য খাতে এ বছর সর্বমোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৮ কোটি ৭৯ হাজার টাকা।

হেসাখাল ইউনিয়নের মহিন উদ্দিন প্রধান বিদেশ থেকে ছেলের পাঠানো টাকা জমিয়ে বাড়ির পার্শবর্তী পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেন। মাছের প্রতি তার ভালোবাসার শেষ নেই। সারাদিন পুকুর পাড়েই থাকেন। ১০ লাখ টাকা খরচ করে মাছ চাষে সংসারে আলো জ্বলাতে গিয়ে নিভে গেছে তার সেই স্বপ্ন। কয়েক লাখ টাকার নেট জাল দিয়ে ও রক্ষা করতে পারেন নি।

একই ইউনিয়নের হেসাখাল গ্রামের আবুল মিয়া জানায়, এ বছর বন্যায় তার মৎস্য প্রজেক্টে ২০ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। বড় আকারের মাছ ছাড়াও ২ থেকে ৩ হাজার মণ পোনা মাছ ভেসে গেছে। এতে মূলধন হারিয়ে এখন নিঃস্ব জীবন কাটাচ্ছেন। আগামী ১০ বছরেও এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে না। কিন্তু এখনও মেলেনি সরকারি কোনো সহযোগিতা।

একই গ্রামের রহিম খান জানান, ৫ একর জমিতে মাছ চাষ করে সংসার ভালই চলছিল। কিন্তু এ বছর বন্যায় যে ক্ষতি হয়েছে তাতে জমি বিক্রি করে সংসার চালাতে হবে। অন্য কোন পথ নেই। একই চিত্র ওই গ্রামের মজিবর রহমানেরও।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি