ঢাকা   ০৩:০৯:১৭ এএম, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন মাগুরার শ্রীপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  চন্দনাইশে নানা আয়োজনে সাংসদ জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত চন্দনাইশে উপজেলা প্রশাসনের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা করলেন প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল মাটিরাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশী নিহত মাগুরায় ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত  আনোয়ারা আইডিয়াল স্কুলের পরিচালনা পর্ষদের সাথে, সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় শিক্ষা সফরের আনন্দ রূপ নিল বিভীষিকায়, প্রাণ হারালেন শিক্ষিকাসহ দুজন- আহত ৩০

প্রশিক্ষকের স্বাক্ষর জাল

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২০
  • ৩৩৬ বার
  • ৬ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

গোপালগঞ্জে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের
অপরাজিতা কর্মসূচির স্ট্যাফদের বেতন নিয়ে
অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ
সাবেত আহমেদ,গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
গোপালগঞ্জে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের বাস্তবায়িত অপরাজিতা
কর্মসূচির স্ট্যাফদের সঙ্গে বেতন নিয়ে বৈষম্য ও অনিয়ম-দুর্নীতির
অভিযোগ উঠেছে। কর্মসূচির প্রশিক্ষক ফাতেমা-তুজ-জোহরা
সম্প্রতি জেলা প্রশাসক বরাবরে এমন একটি লিখিত অভিযোগ
করেছেন।
প্রশিক্ষক ফাতেমা-তুজ-জোহরা অভিযোগে জানিয়েছেন,
অপরাজিতার মাধ্যমে নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্যসমূহের
আধুনিকায়নের জন্য তিনমাস মেয়াদী এ কর্মসূচির প্রথম মেয়াদ
সফলভাবে শেষ হয় গত জানুয়ারিতে। এরপর সময় বৃদ্ধি করে দ্বিতীয়
মেয়াদে কর্মসূচীটি শুরু হয় মার্চ মাসে। ২৫ মার্চ পর্যন্ত চলার পর
করোনা সংকটের কারণে কর্মসূচীর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। পরে
বেতন প্রদানের সময় অদৃশ্য কারণে তিনিসহ কর্মসূচির দু’
প্রশিক্ষকের মার্চ মাসের বেতন ধরা হয় ১৬ কার্যদিবসের। আবার ওই
মার্চ মাসেই কর্মসূচির চার অফিস-সহায়কের কোন বেতন না ধরে
তাদেরকে বেতন দেয়া হয় ফেব্রুয়ারি ও জুন মাসের; যা এ কর্মসূচীর
মেয়াদ বহির্ভূত। তিনি অভিযোগ করে আরও বলেছেন, একইসঙ্গে
একই নিয়োগপত্রে ২ প্রশিক্ষক ও ৪ অফিস-সহায়কদের মাসিক-
ভিত্তিতে বেতন কাঠামো নির্ধারিত থাকলেও প্রশিক্ষক দু’জনকে
কার্য্যদিবসের ভিত্তিতে বেতন ধার্য্য করা হয়েছে। এমনকি, বেতন-
শিটেও তাদের দু’ প্রশিক্ষকের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এভাবে অনিয়ম ও
দুর্ণীতির মাধ্যমে তাদের সঙ্গে বৈষম্য সৃষ্টি করা হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ মহিলা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ
আজমীর হোসেন বলেছেন, উর্দ্ধতন কতর্ৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী
প্রশিক্ষক ও অফিস-সহায়কদের বেতন ধার্য্য করা হয়েছে। গত জুন
মাসে কর্মসূচিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। অফিস-সহায়করা
দু’মাসের বেতন নিয়ে গেছেন; কিন্তু প্রশিক্ষক দু’জনের ১৬
কার্য্যদিবসের বেতন এখনও নেননি। বেতন তুলে নিতে তাদেরকে
চিঠি দেয়া হয়েছে। তারা না নিলে তাদের এ টাকা সরকারি
কোষাগারে ফেরৎ চলে যাবে। তিনি আরও জানান, কারও স্বাক্ষর জাল করা
হয়নি। জরুরি ভিত্তিতে কাজকর্ম সারতে বেতন-শিটে তাদের নাম
লিখে নেয়া হয়েছে। এদিকে, নিয়োগপত্রে মাসিক বেতন ধার্য থাকলেও কর্মসূচির
পরিচালক ফরিদা খানম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, নিয়োগ-চুক্তি
অনুযায়ীই প্রশিক্ষকদের বেতন কার্য্যদিবসের ভিত্তিতে ধার্য্য করা
হয়েছে। অফিস-সহায়কদের ক্ষেত্রে মাসিক ভিত্তিতে বেতন ধার্য্য
রয়েছে। তবে, যেহেতু প্রথম ও দ্বিতীয় মেয়াদের মধ্যে একটি মাসের
(ফেব্রুয়ারি) ব্যবধান ছিল, তাই নারী-বান্ধব এ কর্মসূচিটির
ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে শুধুমাত্র গোপালগঞ্জেই নয়, ফরিদপুর, ঢাকা ও
গাজীপুরসহ ৭টি জেলার উপ-পরিচালকগণের মতামতের উপর ভিত্তি করে
অফিস-সহায়কদেরকে ওই এক মাসের (ফেব্রুয়ারি) বেতন অতিরিক্ত
দেয়া হয়েছে। কারও প্রতি কোন বৈষম্য বা অন্যায় করা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি