1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মনপুরার জলবায়ু যোদ্ধা আবিদ হোসেন রাজু। - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : মীর হেলাল চন্দনাইশে কারিতাস বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ১,২৮০ বন্যার্ত পরিবার পেল নগদ সহায়তা, হাইজিন কিট ও ত্রাণ” চন্দনাইশের বরমায় ৩ হাজার ৫০০ বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে আবদুর রহিম চৌধুরী ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ জুলাই-আগস্টের শহীদদের স্মরণে ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল আল-মুঈন ত্রাণ তহবিল কর্তৃক বন্যাদুর্গতদের নগদ অর্থ বিতরণ কিশোরগঞ্জে ৭ম শ্রেণীর স্কুলছাত্রী অপহরণ, সপ্তাহ পরেও হয়নি উদ্ধার মাগুরায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা  শুরু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২২ কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক উধাও, থানায় অভিযোগ সোনারগাঁয়ে কুপিয়ে হত্যা: বিএনপি নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ চকবাজার থানা কমিটি কর্তৃক সাইবার ইউজার দলের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গুজব/তথ্য সন্ত্রাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মনপুরার জলবায়ু যোদ্ধা আবিদ হোসেন রাজু।

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই, ২০২১
  • ৫৯১ বার

আমি আবিদে হোসেন রাজু। ভোলা জেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ মনপুরাতে বাস করি। মনপুরার চার পাশেই মেঘনা নদী দ্বারা আবদ্ধ। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে মনপুরার প্রধান সমস্যা হলো নদী ভাঙ্গন।
একসময় মনপুরার আয়তন ছিলো ৩৭৩. ১৯ বর্গ কিলোমিটার। বর্তামানে তা দাড়িয়েছে ১১৩ বর্গ কিলোমিটারের বা তারও কম। বলা যায় বেশির ভাগই চলে গেছে নদীর গর্ভে।

আমার পরিবার মনপুরাতে ৩ বার নদী ভাঙ্গনের শিখার হওয়ার পর স্থান পরিবর্তন করে মনপুরাতেই বসবাস করি।
২০০৭ সালে আবারো নদী ভাঙ্গনে নিয়ে যায় আমার পরিবারের শেষ সম্বল টুকু ভিটা বাড়ি। দরিদ্রতার কবলে পড়ে আমার পরিবার আশ্রয় নেয় ভাসমান কলাতলীর চরে। যেটা ছিলো জলবায়ূু দুর্গত এলাকা। বন্ধ হয়ে যায় আমার পড়ালেখা। সম্ভবত ২০০৭-২০০৮ সালে ২য় বারের মতো কলাতলীতে বন্যায় আমাদের সব কিছু ভাসিয়ে নিয়ে যায়। নিস্ব হয় আমার পরিবার আবারো।

২০১০ সালে কলাতীতে একটি স্কুল হয় আমি সেখানে ভর্তি হয় আর পড়ালেখা করতে শুরু করি। ২০১২ সালে আমি কলাতলীর চর স্কুল থেকে ৫ শ্রেনীতে পাশ করি।
মাধ্যমিকে পড়ার জন্য আমাকে আবার পিরে আসতে হয় মনপুরায় ২০১৩ সালে আমি মনপুরায় আসি। মনপুরায় ছিলোনা আমার কোনো ঘরবাড়ি তাই নিজের পড়ালেখার জন্য অন্যের বাড়িতে থেকে পড়া লেখা করি।

২০১৪ সালে কোস্ট ট্রাস্টের একটি প্রকল্পের মাধ্যমে আমি জানেতে পারি জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে। আমি তাদের সাথে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কাজ করার জন্য বলি। কারন আমি নিজেই জলবায়ু পরিবর্তনের শিখার হইছি।
সেই থেকেই আমি ইউনিসেফ ও কোস্ট ট্রাস্টের সহযোগিতায় জলবায়ু পরির্তন মোকাবেলায় আমার দ্বীপ মনপুরাকে নিয়ে কাজ করতেছি।
মনপুরাকে নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা করতে মনপুরার কিশোর কিশোরীরা মিলে দাবি জানিয়েছি বিশ্বে।
২০১৭ সালে বরিশাল জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে যুব সম্মেলনে যোগদান করে মনপুরার কথা তুলে ধরি তাতে অল্প কিছু সফলতার মুখ দেখি।

পরবর্তীতে ২০১৭ সালের শেষের দিকে মনপুরাকে সারা বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে মনপুরার কিশোর কিশোরীরা মিলে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে জলবায়ু পরিবর্তন উদাহরণ মনপুরা দ্বীপ নিয়ে উপকূলীয় এমপি, মন্ত্রীদের সাথে বৈঠক করি। মনপুরার উপজেলা চেয়ারম্যান সেলিনা আক্তার চৌধুরীও আমাদের সাথে যুক্ত ছিলেন। মনপুরার সকল সমস্যা আর ছবি তুলে ধরি সংসদে মনপুরাকে নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে বাঁচাও বলে চিৎকার করে উঠে মনপুরার তরুণ তরুণীরা।
হয়তো বড় সফলতা ছিল ওটা মনপুরার জন্য। বর্তমানেও কাজ করে চলেছি মনপুরা এবং মনপুরার মানুষের জন্য একজন জলবায়ু যোদ্ধা ও সেচ্ছাসেবী হিসাবে। কাজ করে যাবো যতদিন আছি। স্বপ্নের মনপুরাকে বাঁচাতে একসাথে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ। আসা করি আমি একদিন সফল হবে মনপুরা আর মনপুরার মানুষ সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net