1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
রামেক হাসপাতালে হাই ফ্লো ক্যানুলা সংকট চরমে সাধারণ ওয়ার্ডের রোগীর বেশি মৃত্যু - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার কর্মসূচি বাস্তবায়নে লাকসামে নারী সমাবেশ ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত জালিয়াতির অভিযোগ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের পদত্যাগ চন্দনাইশে ডেঙ্গু জ্বরে সাকিব আহমদের অকালমৃত্যু ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে অনুশীলনে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনায় কবিরহাটের আবুবক্কর সিদ্দিক নিহত  কোনো স্লিপার বাসের রেজিস্ট্রেশন দেয়নি বিআরটিএ: হাইকোর্টে প্রতিবেদন পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল সেবায় নতুন সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছে ক্রিয়েটিভ আইটি কর্ণার সিইও তরুণ উদ্যোক্তা তানবীন ফারুক মানিকছড়িতে বাজার শেড অবৈধ দখলমুক্তকরণ ও পুনঃস্থাপনের দাবীতে মানববন্ধন নোয়াখালীর সদর উপজেলায় মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ: অভিযুক্ত শিক্ষক আটক ‘শেষ দেখে ছাড়ব’, আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা বাঁধনের

রামেক হাসপাতালে হাই ফ্লো ক্যানুলা সংকট চরমে সাধারণ ওয়ার্ডের রোগীর বেশি মৃত্যু

রঈন উদ্দীন:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৫ জুলাই, ২০২১
  • ৪৪৭ বার

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে জুলাই মাসের ৫দিনে ৮২জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তাদের বেশির ভাগই করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাচ্ছে। এছাড়া গত মাসে (জুন) ৪০৫ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৮০ জনের মতো রোগী মারা গেছে ইনসেনসিভ কেয়ার ইউনিটে। আর বাকিরা মারা গেছে সাধারণ ওয়ার্ডে, যাদের অনেকেই অক্সিজেন তো দূরের কথা, হাসপাতালের শয্যাও পায়নি। আবার শয্যায় থেকেও অনেকেই হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা মেশিনের অভাবে মারা গেছে।

হাসপাতালের আইসিইউ ইনচার্জ চিকিৎসক আবু হেনা মোস্তফা কামাল জানান, হাসপাতালে মোট ৬৯টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা মেশিন রয়েছে। এর মধ্যে ২১টি রয়েছে আইসিইউতে। আর ২০টি রয়েছে ২৯ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে। আর অন্য ২৮টি দেওয়া আছে হাসপাতালের করোনার ১০টি ওয়ার্ডে। তবে চারটি মেশিন নষ্ট আছে। ফলে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৬০টি হাই ফ্লো মেশিনের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহ করা যাচ্ছে। কিন্তু আইসিইউতে রোগীদের যে চাপ তাতে আরো ৪০টি শয্যা করা হলেও এই চাপ সামলানো কঠিন হবে।

রাজশাহী হাসপাতাল থেকে দেওয়া তথ্য মতে, এখন প্রতিদিন হাসপাতালের রোগীদের জন্য আট হাজার লিটার অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে, যার বেশির ভাগই ব্যবহৃত হচ্ছে আইসিইউ ও এইচডিইউ ওয়ার্ডের রোগীদের জন্য। কারণ এসব ওয়ার্ডে প্রায় ৬০টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা মেশিনের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহ করতে হচ্ছে। একেকটি রোগীকে প্রতি মিনিটে ৬০-৮০ লিটার পর্যন্ত অক্সিজেন সরবরাহ করতে হচ্ছে। ফলে সাধারণ শয্যায় বা মেঝেতে যেসব রোগী ভর্তি আছে, তাদের পেছনে অর্ধেক অক্সিজেনও সরবরাহ করা যাচ্ছে না হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা মেশিন না থাকায়। আর যেসব রোগীর আইসিইউ প্রয়োজন হচ্ছে, কিন্তু সেই সুবিধা দেওয়া যাচ্ছে না বা হাই ফ্লো অক্সিজেন সরবরাহ করা যাচ্ছে না, করোনার সেসব সাধারণ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রোগীরাই বেশি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে।
হাসপাতালের দেওয়া প্রতিদিনের তথ্যচিত্রেও সাধারণ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রোগীদেরই বেশি মৃত্যু হচ্ছে। এমনকি রোগীর স্বজনরাও দাবি করছে, আইসিইউ সুবিধা না এবং হাই ফ্লো অক্সিজেন সরবরাহ সুবিধা না পেয়েই মারা যাচ্ছে বেশির ভাগ রোগী।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার শামীম ইয়াজদানী জানান, গত জুন মাস এবং চলতি মাসে করোনা ওয়ার্ডে মোট রোগী মারা গেছে ৪৮৭ জন। এদের মধ্যে অনেকেই মারা গেছে সাধারণ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায়, যারা সবাই উচ্চ শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net