1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
বনগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও মানবপাচার মামলা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে হত্যার অভিযোগে পলাতক থাকা স্বামী ইসমাইল হোসেনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব  শাহ আনোয়ার রহ. ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হাটহাজারীতে ফ্রী চিকিৎসা ক্যাম্প নোয়াখালীর চৌমুহনীতে হোটেল ম্যানেজারকে কুপিয়ে জখম, ক্যাশ থেকে ৫ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ  কোম্পানীগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও পোনা মাছ অবমুক্ত  মৎস্য, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি বাড়াতে জলাশয়ের সর্বোচ্চ ব্যবহারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে গ্লোবাল বারিস্তা ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের উদ্যোগ নবীগঞ্জে ই-পোস্ট কেন্দ্রের উদ্যোক্তা পুলিশ হেফাজতে, অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ  মাগুরায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ – ২০২৬ এর উদ্বোধন   মাগুরায় হাসপাতালে বিশুদ্ধ পানি প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন এমপি মনোয়ার হোসেন খান  বাবা-মা দুজনই নেই, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ ১০ বছরের সুরাইয়ার

বনগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও মানবপাচার মামলা

বিশেষ প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৭ মে, ২০২২
  • ৩১৯ বার

ঢাকা জেলা সাভারের বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামসহ নয়জনের বিরুদ্ধে পালাক্রমে ধর্ষণ ও মানবপাচারের অভিযোগে ঢাকার মানবপাচার ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেছেন পটুয়াখালী কলাপড়া টিয়াখালী গ্রামের এক যুবতী। ঘটনাস্থল উল্লেখ করা হয়েছে ঢাকার মুগদা থানার ৪৬/বি-১ উত্তর মানিকনগরের বাসা। সর্বশেষ গত ২৯ মার্চ দুপুরে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। মামলা নং ১১/২০২২, ধারা: মানবপাচার আইনের ৭/৮/১০/১১/১৪।

এদিকে সাইফুলের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের খবর বনগাঁও এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বাদির আইনজীবী এডভোকেট জাকির হোসেন হাওলাদার জানান, মানবপাচার ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে। সিআইডিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলেছে আদালত।

পিটিশন মামলায় বাদির দাবি, ঘটনার পর তিনি পালিয়ে মুগদা থানায় গিয়ে একাধিকবার অভিযোগ করলেও থানার অফিসার ইনচার্জ জামাল উদ্দিন মীর মামলা না নিয়ে তাকে হয়রানি করেন। থানার এসআই এনামুল ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পেলেও মামলা রেকর্ড না করায় ওই জোনের সহকারি কমিশনারের (এসি) কাছে গিয়েও প্রতিকার মিলেনি।

বাদির অভিযোগ, বিবাদীরা মানব পাচারকারী চক্রের সঙ্গে জড়িত এবং কালো টাকা উপার্জনকারী, নারী লোভী ও পতিতা ব্যবসায়ী। থানা অভিযোগ না নেওয়ায় গত ১০ এপ্রিল আদালতে পিটিশন মামলা রুজু করা হয়েছে।

সাইফুল ইসলাম ছাড়া মামলার অপর আসামিরা হচ্ছেন, জাভেদ হোসেন পাপন, মোখলেছ, আনিসুর রহমান রতন, জসিম, কবির হোসেন মিরাজ, আলাউদ্দিন, আনোয়ারা বেগম আঙ্গুরি ও জামাল উদ্দিন মীর। মামলায় ১৩ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। আঙ্গুরি তাকে গৃহপরিচারিকা পরিচয়ে বাসায় রেখে দেহব্যবসা করিয়ে আসছিলেন। সাইফুলসহ অন্য সাতজন তার সঙ্গে নিয়মিত শারিরীক সম্পর্কে জড়াতেন বলেও দাবি করছেন ওই যুবতী। মামলা আমলে না নেওয়ায় থানার ওসিকে বিবাদি করা হয়েছে। সাক্ষী করা হয়েছে জোনের এসি ও থানার এসআইকে। তদন্ত সংশ্লিরা জানান, আদালতের নির্দেশ পেয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাদির বক্তব্য নিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net