1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
অপহরণের ৫ দিন পর মুন্সীগঞ্জের যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় কুমিল্লায় উদ্ধার - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সোনারগাঁয়ে তিন স্কুলছাত্রের মৃত্যু: অবৈধ ড্রেজিং বন্ধ ও দ্রুত বিচার দাবি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ঘোষনার পর পর নির্বাচনী হাওয়া চন্দনাইশে ভোটের মাঠে প্রস্তুত বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা আমি নির্বাচিত হলে ১ নং বাগান বাজার ইউনিয়নের ১,২ ও ৩ নং সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ড উপহার দিব – মহিলা মেম্বার প্রার্থী জাহানারা আক্তার চৌধুরী ( বি,এ) মেঘনায় গোসলে নেমে তিন কিশোরের মৃত্যু, শোকাহত পরিবারের পাশে ড. আসগর আলী কোম্পানীগঞ্জে দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে মাছের পোনা অবমুক্ত করেছেন এমপি ফখরুল ইসলাম বাগান বাজার ১নং ওয়ার্ডকে মাদকমুক্ত ও উন্নত সমাজ গড়ে তুলতে চাই- মেম্বার প্রার্থী নিজাম উদ্দিন  মাগুরায় জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত মাগুরা শ্রীপুরের খামারপাড়া বাজারে দূর্ধর্ষ চুরি সংগঠিত চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কাবাডি টুর্নামেন্টের ফাইনাল : হাটহাজারীকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাঁশখালি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নিষিদ্ধ নেতাদের নিয়ে ইউএনও’র ভূরিভোজ, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ

অপহরণের ৫ দিন পর মুন্সীগঞ্জের যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় কুমিল্লায় উদ্ধার

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৩৮৮ বার

নিজস্ব প্রতিবেদক : অপহরণের ৫ দিন পর মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিমের আবু সালেহ জুয়েল নামের এব যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় কুমিল্লা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। জুয়েল মিরকাদিম পৌরসভার উত্তর কাগজীপাড়া এলাকার সালাউদ্দিন আহম্মেদের পুত্র।

গত ১১ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জের পাগলা জনতা ব্যাংক থেকে ২ লক্ষ টাকা উত্তোলন করে বের হয়ে ব্যাটারি চালিত অটো গাড়িতে উঠলে অপহরণের শিকার হয় জুয়েল। পরে ১৭ ডিসেম্বর কুমিল্লা জেলার হক সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। বর্তমানে জুয়েল মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ব্যাপারে জুয়েলের বক্তব্য, “আমি ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে বের হয়ে তারপর রাস্তায় অটোতে উঠলাম, এরপর আর কিছুই মনে নেই। চোঁখ খুলে দেখি একটা অন্ধকার রুমে আমাকে বন্দি করে রাখা হয়েছে। আমার সাথে থাকা টাকা নেই।”

জুয়েল অারও বলেন, “পাচঁদিন আমাকে আটকে রাখে মারধর করে কিছু লোকজন। তাদের মুখ কাপর দিয়ে বাঁধা ছিলো। পরের দিন আমাকে চোঁখ বেঁধে একটি গাড়িতে উঠানো হয়। তখন আমি মনে করেছি আমাকে ওরা মেরেই ফেলবে। আনুমাণিক কয়েক ঘণ্টা পরে আমাকে গাড়ি থেকে নামানো হয়। এসময় আমার চোঁখ খুলে দেওয়া হলে একটি নির্জন রাস্তায় দূরে একটি বাতি জ্বলছিল দেখতে পাই। হঠাৎ অপহরণকারীদের একজন ছুরি বের করে আমার পেটে মারতে নিলে আমি বাম হাত দিয়ে রক্ষার চেষ্টা করলে ছুরির আঘাত আমার বাম হাতে লাগে। আমি জীবন বাঁচাতে লাইটের দিকে দৌঁড় দিলে ওরা তখন গাড়ি ঘুরিয়ে চলে যায়। পরে হক ফিলিং ষ্টেশনে পৌঁছালে একজন লোকের মোবাইল দিয়ে প্রথমে মা, পরে বৌকে কল করি কিন্তু কেউ ফোন ধরেনি। পরে ওই লোকের মোবাইল দিয়ে চাচাতো ভাইয়ের মোবাইল নম্বর নিয়ে কল করি। ভাইকে আমার ঠিকানা দেই। বেশ কিছুক্ষণ পরে পুলিশ এসে আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।”

এর অাগে জুয়েলের সন্ধান না পেয়ে ফতুলা থানায় স্ত্রী হাবীবা ও কর্মরত প্রতিষ্ঠান সাজু এন্টারপ্রাইজ থেকে পৃথক দু’টি সাধারণ ডায়েরি করেছিলো বলে জানা যায়।

এ ব্যাপারে জুয়েলের চাচা ডিউ অামাদের প্রতিবেদককে জানান, অপহরণকারীরা জুয়েলের টাকাই ছিনতাই করেনি। জুয়েলকে মেরে ফেলতে উদ্ধত হয়েছিল। অাল্লাহ্ সহায় ছিলেন বলেই জুয়েল অল্পের জন্য জানে বেঁচে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net