1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি মামলা দিয়ে বন্ধ করার পর আবার চলছে সেই পাঁচ করাত কল - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
অতিরিক্ত মূল্যে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি : ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর মা‌টিরাঙ্গায় চতুর্থ শ্রেনির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ হাটহাজারী এনসিপির সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত ডিআইজি-অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ২৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কুমিল্লায় নিত্যপণ্যের বাজারে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৬ প্রতিষ্ঠানকে ২৪ হাজার টাকা জরিমানা এনসিটি এবং সিসিটি ১৫ বছর মেয়াদে বিদেশী অপারেটরকে পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার প্রতিবাদে স্কপ চট্টগ্রামের মানববন্ধন হাজী আব্দুল মালেক ভূঁইয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত

আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি মামলা দিয়ে বন্ধ করার পর আবার চলছে সেই পাঁচ করাত কল

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ৪৪৭ বার

আবু নাঈম বাগেরহাট ঃ
আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বাগেরহাটের শরণখোলার সাউথখালীতে আবার চালু করা হয়েছে বন্ধ করে দেওয়া সেই পঁাচটি করাত কল (স’মিল)। সুন্দরবন থেকে মাত্র পঁাচ কিলোমিটারের মধ্যে এই করাত কলগুলো বসানোয় গত ৩১ডিসেম্বর উপজেলা প্রশাসন ও বনবিভাগ যৌথ অভিযান চালিয়ে এগুলো বন্ধ করে দেয়।
এঘটনায় পূর্ব বনবিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের পক্ষ হতে করাতকল আইনে ওই পঁাচ করাতকল মালিকের বিরুদ্ধে পৃথক পঁাচটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দেওয়ার পর মিলগুলো কিছুদিন বন্ধ ছিল। মামলা চলমান থাকা অবস্থায় আইনকে চ্যালেঞ্জ করে আবার পুরোদমে কাঠ চেরাই শুরু করেছে ওই সকল অবৈধ মিল মালিকরা। কিন্তু কোন অদৃশ্য ক্ষমতায় মিলগুলো আবার চালু হলো এ নিয়ে কৌতহল সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশ সচেতন মহলে।
মামলা হওয়া করাত কল মালিকরা হলেন, বকুলতলা গ্রামের শামসুল হক মাস্টার, নূরুল হক আড়ৎদার, আ. গণি হাওলাদার, তাফালবাড়ি এলাকার আলাউল ইসলাম সেলিম ও ফারুক হোসেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, স’মিল মালিকরা এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না। সুন্দরবনের চার-পঁাচ কিলোমিটারের মধ্যে প্রশাসনের নাকের ডগায় এই মিলগুলো বসিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তারা বিভিন্ন কাঠ চেরাই করে আসছে। মামলা হওয়া সত্বেও তারা থেমে নেই। এদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান তারা।
পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক (এসএিফ) মো. জয়নাল আবেদীন জানান, সংরক্ষিত বনাঞ্চলের দশ কিলোমিটারের মধ্যে করাত কল বা কোনোপ্রকার মিল,কলকারখানা স্থাপন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবুও শরণখোলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় প্রভাবশালীরা ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বেশ কিছু করাত কল বসিয়ে কাঠ চেরাই করে আসছে। সম্প্রতি পঁাচটি করাত কলে অভিযান চালিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার পরও তারা আইন অমান্য করে মিলগুলো চালু করেছে। এব্যাপারে শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন, মিলগুলো বন্ধ করে মামলা দেওয়ার পরও ফের চালু করায় তারা আইনকে অবজ্ঞা করেছে। এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এব্যাপারে বকুলতলা এলাকার মিল মালিক আ. গণি হাওলাদার বলেন, আমরা কিছুদিন গোপনে চালিয়ে ছিলাম। এখন বন্ধ রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net