1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
আ’লীগ নেতার পরকীয়া ভিড়িও ভাইরাল - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
জে.আই. চৌধুরী যুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ মাগুরার শ্রীপুরে ২টি সার ও কীটনাশকের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি নোয়াখালীতে গোলাগুলির ঘটনা: মিথ্যা অভিযোগে প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ; তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শাস্তির দাবি চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী চন্দনাইশে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১, আহত-২ চন্দনাইশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মাগফেরাত কামনায় বিএনপির দোয়া মাহফিল চন্দনাইশে বিমরুলের কামড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু ‘দৌড়ান সুস্থতার জন্য, এগিয়ে চলুন বিজয়ের পথে’—স্লোগানে রামগড়ে ম্যারাথনে অংশ নিলেন তিন শতাধিক দৌড়বিদ মাগুরায় লোডশেডিংয়ের গরম থেকে বাঁচতে মসজিদের ছাদে উঠে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু! রুপনগর প্রেসক্লাবের সদস্য মোঃ রুহুল আমিন এর মমতাময়ী মায়ের মৃত্যু

আ’লীগ নেতার পরকীয়া ভিড়িও ভাইরাল

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ৪৮৮ বার

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম আনোয়ারা উপজেলার ইউনিয়ন আ.লীগ সা.সম্পাদক ও স্থানীয় ওয়ার্ড আ.লীগের সা. সম্পাদকের স্ত্রীর অন্তরঙ্গ একটি ভিড়িও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিড়িওটিতে দেখা যায়, স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল আলম বাহাদুরের স্ত্রীর সঙ্গে একটি কক্ষে অন্তরঙ্গ সময় কাটাচ্ছে আ.লীগ নেতা। নিজ এলাকার আওয়ামীলীগ নেতার স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার ভিড়িও দেখে এলাকায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। মামুনুর রশিদ মামুন চট্টগ্রাম আনোয়ারা উপজেলার ১০ নং হাইলধর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক। মামুন আনোয়ারা উপজেলার ১০ হাইলধর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউনুচ মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মামুন কখনো আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল না। তার পরিবারের লোকজন বিএনপি ও জামায়াতের সক্রিয় সদস্য। আওয়ামীলীগ ধারাবাহিকভাবে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর স্থানীয় সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের একান্ত সচিব রিদওয়ানুল করিম চৌধুরী সায়েমের মাধ্যমে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদটি বাগিয়ে নেয়। মামুন এক সময় ঢাকায় মরটিন মশার কয়েলের স্যাল্সম্যান হিসাবে কর্মরত ছিল। সেখানে চাকরি অবস্থায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে তাকে বের করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে জাল সার্টিফিকেট তৈরি করে গাউছিয়া ফিড মিলে চাকরি করে । গাউছিয়া ফিড থেকে এসি আই ফিডে কিছুদিন চাকরি অবস্থায় কোম্পানির কাছে জাল সার্টিফিকেট প্রমাণ ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তাকে জেলে দিতে চাই, কিন্তু সে হাতপায়ে ধরে সে যাত্রায় রক্ষা পায়। এছাড়াও, আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর থেকে জায়গা দখল, দোকান দখল সহ নানা অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এ প্রসঙ্গে মামুনুর রশিদ মামুন বলেন,ভিডিওটা এডিট করে বানিয়েছে। আমার ৭ ও তিন বছরের দুটো ছেলে আছে , এগুলো করার বয়স এখন আর নেই। আমি রাজনৈতিক গ্রুপিংয়ের শিকার। মন্ত্রী আমাকে সা. সম্পাদকের পদটি দেওয়ার পর থেকে চাঁদাবাজি, দখলবাজি, টেন্ডারবাজি কোন অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত ছিলাম না। মন্ত্রী এলাকায় আসলে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমাকে ডাকে। এগুলো অনেকর সহ্য হয় না, তাই আমার পিছনে একদল দুষ্কৃত লোকজন উঠেপড়ে লেগেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net