ঢাকা   ০৭:৫৭:২৩ পিএম, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরার শ্রীপুরে মাদ্রাসার ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ রাঙ্গাবালীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু,পরিবারের দাবি হত্যা  আনোয়ারায যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় ইরা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্বোধন লাকসাম যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল  মাগুরার শ্রীপুরে বরিশাট ঈদগাহের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন  জাপান সফর শেষে দেশে  ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী চার দিনের সফর শেষে টোকিও ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

করোনা ইস্যুতে হুলস্থুল : বাজার নিয়ন্ত্রণে জোরালো মনিটরিং দরকার

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২০
  • ৪৬২ বার
  • ৬ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার :
শাটডাউন বা লকডাউনের কথা শুনে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে বাজারের তালিকা নিয়ে দোকানে ছুটছেন সাধারণ মানুষ। অনেকের অযৌক্তিক বাড়তি কেনাকাটায় সুযোগ নিচ্ছেন একশ্রেণির ব্যবসায়ী। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার সঠিকভাবে তদারকি করছে না বলে তাদের অভিযোগ। হঠাৎ এভাবে দাম বাড়িয়ে দেয়া কিংবা ভোক্তাদের বাড়তি কেনার প্রবণতা কোনোটিই যৌক্তিক নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সব সময়ের বেচাকেনার চেয়ে ৫-৬ দিন ধরে বাজারে বেচাকেনা বেড়ে গেছে দুই থেকে তিনগুণ। এর ফলে প্রতিটি নিত্যপণ্যের দাম অনেক বেড়েছে। অনেকে স্বাভাবিক বাজার করতে এসে বিপাকে পড়ছেন। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের যথেষ্ট মজুত আছে। কোনো সংকট নেই।’ তবুও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়েছেন। যদিও সারাদেশেই চলছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান। বাড়তি দাম নেয়ায় ব্যবসায়ীদের জেল-জরিমানা করা হচ্ছে। তবে সাধারণ মানুষ বলছেন, যেভাবে জোরালোভাবে এ তদারকি করা দরকার তা হচ্ছে না। পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোতেও বাড়তি দাম নেয়া হচ্ছে। অভিযোগ করার মতো কাউকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়েই বাড়তি মূল্যে কেনাকাটা করতে হচ্ছে। সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার জানান, দেশে চাল ও গমের মজুত প্রয়োজনের চেয়ে বেশি রয়েছে। আর বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার আমদানি ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বেশি। তাই আমদানি করা পণ্যের সংকট হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুই মন্ত্রীর বক্তব্যে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি বাজারে বা ক্রেতাদের ওপরে। এমতাবস্থায় নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে হতদরিদ্র মানুষ দিশাহারা হয়ে পড়ে। কাজেই নিত্যপণ্যের বাজারের অস্থিরতা দূর করার জন্য সময়মতো পদক্ষেপ নিতে হবে। ব্যবসা-বাণিজ্য তথা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতি ক্ষেত্রেই সিন্ডিকেটের আস্ফালন লক্ষণীয়। তবে এটা নতুন কিছু নয়, সাংবার্ষিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রতিটি পণ্য তো বটেই, সেবা খাতেও সিন্ডিকেটের হস্তক্ষেপ প্রকট। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা এ চক্রটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে। এরা ইচ্ছামতো বাজার নিয়ন্ত্রণ করে অনায়াসে অন্যায্যভাবে বিপুল মুনাফা লুটে নিচ্ছে। আমরা মনে করি, বাজার পরিস্থিতি পাল্টানোর জন্য সবার আগে প্রয়োজন বিক্রেতাদের অসৎ, লোভী ও প্রতারণামূলক মানসিকতার পরিবর্তন। এই পরিবর্তন কবে ঘটবে তার জন্য অপেক্ষা করে নিষ্ক্রিয় বসে থাকলে চলবে না। এর জন্য রাষ্ট্র-সমাজের সচেতন দায়িত্বশীল মহলকে ভূমিকা রাখতে হবে। সর্বোপরি আমরা বলতে চাই, পেঁয়াজের বাজার অস্থির হয়ে ওঠা এবং পাইকারি দামের সঙ্গে খুচরা দামের তফাতসহ সার্বিক বিষয়গুলো আমলে নিন।

বিশেষ প্রতিবেদকঃ শ্যামল বাংলা ডট নেট | সদস্য ডিইউজে| লেখক, প্রকাশক ও প্রাবন্ধিক,মানবাধিকার সংগঠক|

রবিবার | ২২ শে মার্চ ২০২০ | ৮ চৈত্র ১৪২৬ | ২৬ রজব ১৪৪১ |

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি