1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
গাইবান্ধায় করোনা আতংকে হাসপাতালে চিকিৎসক নেই ॥ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত ॥ প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে চিকিৎসক সংকট - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
বানারীপাড়ায় কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক সুমনের ওপর হামলার অভিযোগ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় শেবাচিমে ভর্তি ঈদগাঁওয়ে ভোগান্তিতে ডজনাধিক পরিবার, ঘেরাবেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ ভাঙ্গুড়ায় উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত উনকলায় প্রাথমিকে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা  নবীনগরে ভোলাচং উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও রাকিবুল ইসলাম চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে ৫ আসামী গ্রেফতার আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন খাগড়াছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্য সহায়তা দিলেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল ভাঙ্গুড়ায় মোবাইল কোর্টে ৬৫টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ ও ধ্বংস চট্টগ্রাম জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা : বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বারোপ

গাইবান্ধায় করোনা আতংকে হাসপাতালে চিকিৎসক নেই ॥ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত ॥ প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে চিকিৎসক সংকট

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২০
  • ৩৫১ বার

আনোয়ার হোসেন শামীম, গাইবান্ধা :
করোনা ভাইরাস আতংকে গাইবান্ধায় অন্যান্য রোগে আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা সেবা েেথকে বঞ্চিত হচ্ছে। হাসপাতালে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীরা সেবা নিতে গিয়ে দেখেন জনশূন্য হাসপাতাল । জরুবী বিভাগে এক চিকিৎসক থাকলেও করোনা আতংকে তিনি রোগীদের মেতন কোন সেবা পরামর্শ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে প্রাইভেট কিèনিকগুলোতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা করোনা ভাইরাসের প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত নিরাপত্তার সংকটের অজুহাতে আসছেন না। এছাড়া কোন চিকিৎসক প্রাইভেট চেম্বারে আগে যেমন চিকিৎসা দিতেন এখন প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার অজুহাতে চিকিৎসা প্রদান করছেন না।

এতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা সদর, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার ৫০টি ইউনিয়নের ৬৫টি চরাঞ্চলসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলের দরিদ্র মানুষেরা ঋতু পরিবর্তনের এই সময়টিতে সর্দি, জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, হাপানি, হৃদরোগসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীরা চরম বিপাকে পড়েছে।

এদিকে সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, আগে যেখানে হাসপাতালের সিট পাওয়া তো দুরের কথা, মেঝে এবং করিডরেও রোগী ভর্তি করে চিকিৎসা দিতে হতো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতেও ছিল একই অবস্থা। কিন্তু করোনা ভাইরাস আতংকে হাসপাতালে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। করিডর মেঝে তো দুরের কথা প্রত্যেকটি কক্ষে এখন সিটগুলোও শূন্য পড়ে আছে। এছাড়া আউটডোরে কোন রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়নি। অথচ কিছুদিন আগেও লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে রোগীদের গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। তবে আউটডোরে এবং এমার্জেন্সিতে শুধুমাত্র একজন চিকিৎসককে উপস্থিত থেকে চিকিৎসা দিতে দেখা গেছে।

এব্যাপারে সিভিল সার্জন ডাঃ এবিএম আবু হানিফ বলেন, করোনা ভাইরাস আতঙ্কে হাসপাতালে সাধারণত এখন রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন না। তবে রোগীরা যাতে চিকিৎসা নিতে আসে সেজন্য জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের উপস্থিতি এবং সেবা নিশ্চিত করার বিষয়টির উপর সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে। সেজন্য তিনি যে কোন রোগে আক্রান্ত রোগীদের জরুরী চিকিৎসা সহায়তা নিতে জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে আসার জন্য আহবান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net