1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
গাইবান্ধায় করোনা আতংকে হাসপাতালে চিকিৎসক নেই ॥ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত ॥ প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে চিকিৎসক সংকট - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন: কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন  চার জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে ওসমানগঞ্জে ফুটবল বিতরণ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের হাটহাজারী উপজেলা সাধারণ সম্পাদক হাসান গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী পদে এক ব্যক্তির সর্বোচ্চ ২ মেয়াদের পক্ষে সরকার, বিরোধী দলকে আলোচনার আহ্বান মাগুরায় নাশকতা মামলায় নিষিদ্ধ  সাবেক ছাত্রলীগ নেতা! সাগর হোসেন আটক মাগুরায় শ্রীপুর প্রেস ক্লাবের বহুতল ভবনের ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন বান্দরবানে এনসিপি নেতা মিজানুর রহমান আখন্দের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা মাগুরার শ্রীপুরে শিক্ষকের নামে মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত  এলজিআরডি মন্ত্রীর সাথে সাইবার ইউজার দলের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ 

গাইবান্ধায় করোনা আতংকে হাসপাতালে চিকিৎসক নেই ॥ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত ॥ প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে চিকিৎসক সংকট

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২০
  • ৩৭৭ বার

আনোয়ার হোসেন শামীম, গাইবান্ধা :
করোনা ভাইরাস আতংকে গাইবান্ধায় অন্যান্য রোগে আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা সেবা েেথকে বঞ্চিত হচ্ছে। হাসপাতালে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীরা সেবা নিতে গিয়ে দেখেন জনশূন্য হাসপাতাল । জরুবী বিভাগে এক চিকিৎসক থাকলেও করোনা আতংকে তিনি রোগীদের মেতন কোন সেবা পরামর্শ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে প্রাইভেট কিèনিকগুলোতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা করোনা ভাইরাসের প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত নিরাপত্তার সংকটের অজুহাতে আসছেন না। এছাড়া কোন চিকিৎসক প্রাইভেট চেম্বারে আগে যেমন চিকিৎসা দিতেন এখন প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার অজুহাতে চিকিৎসা প্রদান করছেন না।

এতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা সদর, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার ৫০টি ইউনিয়নের ৬৫টি চরাঞ্চলসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলের দরিদ্র মানুষেরা ঋতু পরিবর্তনের এই সময়টিতে সর্দি, জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, হাপানি, হৃদরোগসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীরা চরম বিপাকে পড়েছে।

এদিকে সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, আগে যেখানে হাসপাতালের সিট পাওয়া তো দুরের কথা, মেঝে এবং করিডরেও রোগী ভর্তি করে চিকিৎসা দিতে হতো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতেও ছিল একই অবস্থা। কিন্তু করোনা ভাইরাস আতংকে হাসপাতালে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। করিডর মেঝে তো দুরের কথা প্রত্যেকটি কক্ষে এখন সিটগুলোও শূন্য পড়ে আছে। এছাড়া আউটডোরে কোন রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়নি। অথচ কিছুদিন আগেও লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে রোগীদের গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। তবে আউটডোরে এবং এমার্জেন্সিতে শুধুমাত্র একজন চিকিৎসককে উপস্থিত থেকে চিকিৎসা দিতে দেখা গেছে।

এব্যাপারে সিভিল সার্জন ডাঃ এবিএম আবু হানিফ বলেন, করোনা ভাইরাস আতঙ্কে হাসপাতালে সাধারণত এখন রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন না। তবে রোগীরা যাতে চিকিৎসা নিতে আসে সেজন্য জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের উপস্থিতি এবং সেবা নিশ্চিত করার বিষয়টির উপর সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে। সেজন্য তিনি যে কোন রোগে আক্রান্ত রোগীদের জরুরী চিকিৎসা সহায়তা নিতে জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে আসার জন্য আহবান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net