1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
শরনখোলায় খাল ভরাট উভয় সংকটে বছরে নষ্ট হচ্ছে অর্ধকোটি টাকার সবজী ! - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) উদযাপন আন্দালিব রহমান পার্থকে তথ্যমন্ত্রী করায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দকে মিষ্টিমুখ করালো বিজেপি জীবনের সর্বাবস্থায় রাসূলুল্লাহ (সা.) এঁর ‍সুন্নাহ অনুসরণ করতে হবে’ : মুফতি জসিমুদ্দীন তিন বছরেও আওয়ামীলীগের হামলার বিচার পাননি যুবদল নেতা ফিরোজ নবীনগরে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল লাকসামে ঈদে মিলাদুন্নবীর জুলুসে হাজারো মানুষের ঢল মাগুরায় ৭ ভুয়া সিআইডি সদস্য আটক, নারী অপহরণের চেষ্টা ব্যর্থ ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি হরমুজ প্রণালী চালুর আলোচনা: তেলের দাম ২ শতাংশ কমেছে চট্টগ্রামে কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা বিষয়ক সেমিনার-২০২৬’ অনুষ্ঠিত

শরনখোলায় খাল ভরাট উভয় সংকটে বছরে নষ্ট হচ্ছে অর্ধকোটি টাকার সবজী !

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২০
  • ৩৭৮ বার

নইন আবু নাঈম বাগেরহাট প্রতিনিধি ঃ
বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার দীপচর গ্রামে দু, শতাধিক বিঘা জমিতে বছর জুড়ে চার ধাপে নানা জাতের সবজির চাষ হয়। তাই গ্রামটি সবজির গ্রাম হিসেবে পরিচিত । কিন্তু সেচ সুবিধার জন্য পাশে খাল থাকলেও তা ভরাট হয়ে গেছে। এছাড়া খালের উভয় দিকে বাঁধ দিয়ে প্রভাবশালীরা আটকে দেয়ায় পানি নিঃস্কাশন হচ্ছে না । ফলে বৃষ্টির মৌসুমে জলাবদ্ধতায় সবজি ক্ষেত পঁচে যায় এবং শুস্ক মৌসুমে পানির অভাবে শুকিয়ে যাওয়ার কারনে উভয় সংকটের মধ্যে পড়েছে ওই গ্রামের চাষীরা ।
যার ফলে গত বছর প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে তাদের। সমস্যা সমাধানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ইতোমধ্যে একটি আবেদন করেছেন। কিন্তু কোন সুরাহা না হওয়ায় চলতি বছরেও হতাশ হয়ে উঠেছেন তারা ।
উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩ কি.মি. দুরে গ্রামটির অবস্থান। খালে ঘেরা চারদিক মাঝখানে সবজি ক্ষেত। এতে ওই গ্রামের প্রায়শত পরিবার বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ করেছেন। দেশীয় নানা জাতের সবজিই এখন তাদের আয়ের প্রধান উৎস । বছর জুড়ে সবজির চাষ করে কেউ আবার লাখপতি হয়েছেন। চাষী দুলাল সওদাগর বলেন, গত বছর ফুলকপি, বঁাধা কপি ও বিট বিক্রি করে প্রায় ৫০ হাজার টাকা লাভ করেছেন।
আব্দুর রব সওদাগর বলেন, সবজির সাথে বাঙ্গী ও তরমুজের চাষ শুরু করে সফল হলে তার দেখাদেখি সওদাগর, তালুকদার ও খান বংশের কৃষকরা চাষে ঝুকে পড়েন। এক পর্যায়ে দ্বীপচরে কৃষি আবাদের প্রতিযোগীতা শুরু হয়। ধান চাষের পরিবর্তে আমরা জমিতে ফুলকপি, বঁাধাকপি, বিটকপি, পুঁইশাক, ডাটা শাক, কলমি শাক, মিষ্টি কুমড়া, লাউ, আলু, চাল কুমড়া, বরবটি, করলা, শিম, চিচিংগা, বেগুন ও কঁাচা মরিচের আবাদ শুরু করি।
এছাড়া মোস্তফা সওদাগর, দুলাল সওদাগর, মনিরুজ্জামান সওদাগর বলেন, সবজি ক্ষেতে বছর জুড়ে (৪বার) ১৪/১৫ রকমের সবজি উৎপাদন করি। যা এলকার বাজারের চাহিদা মিটিয়ে ও পার্শ্ববতর্ী উপজেলা এবং জেলায় রপ্তানি করা হয়। কিন্তু সরকারী খাল প্রভাবশালীরা ভরাট করায় পানি ওঠানামা করতে পারছে না এবং ফাল্গুন চৈত্র মাসে খালটি সম্পুর্ন শুকিয়ে যায়। একদিকে পানির অভাব অন্যদিকে বর্ষায় জলাবদ্বতায় সৃষ্টি হয় তাই প্রতি বছর আমাদের লাখ লাখ টাকার সবজি শুকিয়ে ও পানিতে পঁচে নষ্ট হয়ে যায়। এ অবস্থা বেশিদিন চলতে থাকলে আমরা সবজি গ্রামের চাষীরা পথে বসে যাব । এ সমস্যা সমাধানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আমাদের পক্ষ থেকে মনিরুজ্জামান নামের এক চাষী আবেদন করেছেন। কিন্তু এ পযুর্ন্ত কোন ফল পাইনি। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৌমিত্র সরকার বলেন, খালটি খনন করা খুবই প্রয়োজন। অর্থের অভাবে খনন হচ্ছে না । তবে ,উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন, খাল খননের ব্যাপারে আবেদন পাওয়া গেছে। চাষীদের এ সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net