1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
শ্রীনগরে পদ্মাচরের মাটি লুট! প্রশাসনের কাজ থেকে অনুমতি নিয়ে মাটি কাঁটার দাবি - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরার শ্রীপুরে ২টি সার ও কীটনাশকের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি নোয়াখালীতে গোলাগুলির ঘটনা: মিথ্যা অভিযোগে প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ; তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শাস্তির দাবি চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী চন্দনাইশে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১, আহত-২ চন্দনাইশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মাগফেরাত কামনায় বিএনপির দোয়া মাহফিল চন্দনাইশে বিমরুলের কামড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু ‘দৌড়ান সুস্থতার জন্য, এগিয়ে চলুন বিজয়ের পথে’—স্লোগানে রামগড়ে ম্যারাথনে অংশ নিলেন তিন শতাধিক দৌড়বিদ মাগুরায় লোডশেডিংয়ের গরম থেকে বাঁচতে মসজিদের ছাদে উঠে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু! রুপনগর প্রেসক্লাবের সদস্য মোঃ রুহুল আমিন এর মমতাময়ী মায়ের মৃত্যু প্রান্তিক শহরে উন্নত আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি নিয়ে উইপ্রো জিই হেলথকেয়ারের ‘হেলথ এক্সপ্রেস’ চালু

শ্রীনগরে পদ্মাচরের মাটি লুট! প্রশাসনের কাজ থেকে অনুমতি নিয়ে মাটি কাঁটার দাবি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২০
  • ৩২৩ বার

আব্দুর রকিব,শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) সংবাদদাতাঃ মুন্সীগঞ্জ শ্রীনগওে পদ্মা চরের মাটি লুট। পশাসনের কাজ থেকে অনুমতি নিয়ে মাটি কাঁটার দাবি করছেন দ্বিপু খান সিন্ডিকেটের। ভাগ্যকুল ইউনিয়নের দক্ষিন কামারগাঁও ধোপার বাড়ি সংলগ্ন পদ্মা নদীর তীর ঘেষা চরের মাটি হরিলুট করছে।
ওই চরের বিভিন্ন স্থান থেকে ফসলি জমির মাটি দীর্ঘদিন যাবত অবৈধভাবে কেটে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছে। প্রতিদিন ওই স্থান থেকে প্রায় দুই শত ট্রলি মাটি কাটা হচ্ছে। কামারগাঁও এলাকার হারুন খানের ছেলে মো. দিপু খানের (৪৫), নেতৃত্বে তার ছোট ভাই রকি খান (৩০), ওই এলাকার মাসাদুর (৪০) সহ বেশ কয়েক জনের একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। তার বিভিন্ন কৌশলে নানা অজুহাতে নিজেদের পত্রিক সম্পত্তি দাবী করে এতোদিন চরের মাটি লুট করে আসেছে। লক্ষ্য করা গেছে, চরে মাটি কেটে প্রায় ১৫-২০ ফুট গভীর করা হচ্ছে। এতে করে সমতল চরের বিভিন্ন স্থানে ছোট বড় অনেক পুকুর বা দিঘীতে পরিনত হয়েছে।
এই বিষয়ে দ্বিপু খান বলেন, উপজেলা পরিষদের ইউএনও অফিস থেকে মাটি কাটার অনুমোতি এনেছেন। তাই তিনি মাটি কাটছেন। তিনি আরো বলেন, চরে তার নিজের জমি আছে। জমির খাজনা সব পরিশোধ করা রয়েছে। তিনি দম্ভ করে আরো বলেন, মাটি কাটবোই আপনারা লেখালেখি করে যা পারেন করেন গা। কোনও সমস্যা নাই। দ্বিপুর ছোট ভাই রকি খান দাবী করে বলেন, এই জায়গা তাদের পত্রিক সম্পত্তি। তাদের মাটি কাটার অনুমোতি আছে। চরের মাটি কাটার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরিত কোনও ছাড়পত্র বা অর্ডার আছে কিনা এমন প্রশ্নে জবাবে তিনি কোনও সুদত্তর দিতে পারেনি। অপর মাটি খেকু মাসাদুলের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দ্বিপু খানের বরাত দিয়ে সটকে পড়েন।
কয়েকজন শ্রমিকের সাথে আলাপ করে ও এলাকায় খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, দৈনিক ট্রলি প্রতি ৮-১০টি করে টিপ দেন তিনি। এক ট্রলি মাটি কাটতে কয়েজনের ২০-২৫ মিনিট সময় লাগে। ট্রলির মালিক প্রতি ট্রলি মাটির জন্য পান ২৫০-৩০০ টাকা। এককটি ট্রলিতে ৪-৭ জন করে শ্রমিক রয়েছে। মাটির সিন্ডিকেট মহল পায় ট্রলি প্রতি ১০০ টাকা। ছোট এক ট্রলি মাটির দাম পড়ে ৫০০ টাকা। বড় এক ট্রলি মাটির বিক্রি হয় ৭০০-১০০০ টাকা। দুরুত্ব ভেদে এর দাম আরো বেশী হতে পারে। এই মাটি বিক্রির জন্য আলাদাভাবে লোক রয়েছে। তারাও কমিশনে বিভিন্ন বাসা বাড়িতে মাটি বিক্রির কাজ করেন। মুলত প্রভাবশালী জমির দাবিদার, ট্রলির মালিক ও শ্রমিকরা মিলে একটি পুরো সিন্ডিকেট। তারা একে অপরের সহযোগিতায় চরের মাটি হরিলুট করে বিক্রি করে দিচ্ছে। এছাড়াও দ্বীপু স্থানীয় ভাবে প্রভাবশালী হওয়াতে তার ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চাননা।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসাম্মদ রহিমা আক্তারের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খাল বা চরের মাটি কাটার অনুমোতি দেয়ার কোনও প্রশ্নই আসেনা। আমি এখনই লোক পাঠাচ্ছি। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আব্দুর রকিব
শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) সংবাদদাতা

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net