1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
শ্রীনগরে পদ্মাচরের মাটি লুট! প্রশাসনের কাজ থেকে অনুমতি নিয়ে মাটি কাঁটার দাবি - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) উদযাপন আন্দালিব রহমান পার্থকে তথ্যমন্ত্রী করায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দকে মিষ্টিমুখ করালো বিজেপি জীবনের সর্বাবস্থায় রাসূলুল্লাহ (সা.) এঁর ‍সুন্নাহ অনুসরণ করতে হবে’ : মুফতি জসিমুদ্দীন তিন বছরেও আওয়ামীলীগের হামলার বিচার পাননি যুবদল নেতা ফিরোজ নবীনগরে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল লাকসামে ঈদে মিলাদুন্নবীর জুলুসে হাজারো মানুষের ঢল মাগুরায় ৭ ভুয়া সিআইডি সদস্য আটক, নারী অপহরণের চেষ্টা ব্যর্থ ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি হরমুজ প্রণালী চালুর আলোচনা: তেলের দাম ২ শতাংশ কমেছে চট্টগ্রামে কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা বিষয়ক সেমিনার-২০২৬’ অনুষ্ঠিত

শ্রীনগরে পদ্মাচরের মাটি লুট! প্রশাসনের কাজ থেকে অনুমতি নিয়ে মাটি কাঁটার দাবি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২০
  • ৩৩০ বার

আব্দুর রকিব,শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) সংবাদদাতাঃ মুন্সীগঞ্জ শ্রীনগওে পদ্মা চরের মাটি লুট। পশাসনের কাজ থেকে অনুমতি নিয়ে মাটি কাঁটার দাবি করছেন দ্বিপু খান সিন্ডিকেটের। ভাগ্যকুল ইউনিয়নের দক্ষিন কামারগাঁও ধোপার বাড়ি সংলগ্ন পদ্মা নদীর তীর ঘেষা চরের মাটি হরিলুট করছে।
ওই চরের বিভিন্ন স্থান থেকে ফসলি জমির মাটি দীর্ঘদিন যাবত অবৈধভাবে কেটে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছে। প্রতিদিন ওই স্থান থেকে প্রায় দুই শত ট্রলি মাটি কাটা হচ্ছে। কামারগাঁও এলাকার হারুন খানের ছেলে মো. দিপু খানের (৪৫), নেতৃত্বে তার ছোট ভাই রকি খান (৩০), ওই এলাকার মাসাদুর (৪০) সহ বেশ কয়েক জনের একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। তার বিভিন্ন কৌশলে নানা অজুহাতে নিজেদের পত্রিক সম্পত্তি দাবী করে এতোদিন চরের মাটি লুট করে আসেছে। লক্ষ্য করা গেছে, চরে মাটি কেটে প্রায় ১৫-২০ ফুট গভীর করা হচ্ছে। এতে করে সমতল চরের বিভিন্ন স্থানে ছোট বড় অনেক পুকুর বা দিঘীতে পরিনত হয়েছে।
এই বিষয়ে দ্বিপু খান বলেন, উপজেলা পরিষদের ইউএনও অফিস থেকে মাটি কাটার অনুমোতি এনেছেন। তাই তিনি মাটি কাটছেন। তিনি আরো বলেন, চরে তার নিজের জমি আছে। জমির খাজনা সব পরিশোধ করা রয়েছে। তিনি দম্ভ করে আরো বলেন, মাটি কাটবোই আপনারা লেখালেখি করে যা পারেন করেন গা। কোনও সমস্যা নাই। দ্বিপুর ছোট ভাই রকি খান দাবী করে বলেন, এই জায়গা তাদের পত্রিক সম্পত্তি। তাদের মাটি কাটার অনুমোতি আছে। চরের মাটি কাটার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরিত কোনও ছাড়পত্র বা অর্ডার আছে কিনা এমন প্রশ্নে জবাবে তিনি কোনও সুদত্তর দিতে পারেনি। অপর মাটি খেকু মাসাদুলের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দ্বিপু খানের বরাত দিয়ে সটকে পড়েন।
কয়েকজন শ্রমিকের সাথে আলাপ করে ও এলাকায় খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, দৈনিক ট্রলি প্রতি ৮-১০টি করে টিপ দেন তিনি। এক ট্রলি মাটি কাটতে কয়েজনের ২০-২৫ মিনিট সময় লাগে। ট্রলির মালিক প্রতি ট্রলি মাটির জন্য পান ২৫০-৩০০ টাকা। এককটি ট্রলিতে ৪-৭ জন করে শ্রমিক রয়েছে। মাটির সিন্ডিকেট মহল পায় ট্রলি প্রতি ১০০ টাকা। ছোট এক ট্রলি মাটির দাম পড়ে ৫০০ টাকা। বড় এক ট্রলি মাটির বিক্রি হয় ৭০০-১০০০ টাকা। দুরুত্ব ভেদে এর দাম আরো বেশী হতে পারে। এই মাটি বিক্রির জন্য আলাদাভাবে লোক রয়েছে। তারাও কমিশনে বিভিন্ন বাসা বাড়িতে মাটি বিক্রির কাজ করেন। মুলত প্রভাবশালী জমির দাবিদার, ট্রলির মালিক ও শ্রমিকরা মিলে একটি পুরো সিন্ডিকেট। তারা একে অপরের সহযোগিতায় চরের মাটি হরিলুট করে বিক্রি করে দিচ্ছে। এছাড়াও দ্বীপু স্থানীয় ভাবে প্রভাবশালী হওয়াতে তার ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চাননা।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসাম্মদ রহিমা আক্তারের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খাল বা চরের মাটি কাটার অনুমোতি দেয়ার কোনও প্রশ্নই আসেনা। আমি এখনই লোক পাঠাচ্ছি। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আব্দুর রকিব
শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) সংবাদদাতা

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net