https://www.dailyshamolbangla.com/
স্টাফ রিপোর্টার
ডাক্তারদের অবহেলা, হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা ও সঠিক চিকিৎসার অভাবে দিন দিন মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৮নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা মো: আফসার উদ্দিন। তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যায়। তার দুটি কিডনী নষ্ট। সপ্তাহে দুইদিন ডায়ালাইসিস নিতে হয়। এক সপ্তাহ কোনো রকমে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল চিকিৎসা দেয়। কিন্তু তারা ডায়ালাইসিস দিতে অপারগতা জানায়। অথচ সরকারিভাবে সেখানে করোনা রোগীদের ডায়ালাইসিস দেয়ার কথা। পরবর্তীতে তাকে কমলাপুরের মুগদা হাসপাতালে আমাদের পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু সেখানকার অবস্থা আরো বেশি খারাপ। মুগদা হাসপাতালে নেয়ার পর মো: আফসার উদ্দিনের সাথে প্রতিনিয়ত খারাপ আচরণ করছে ডাক্তাররা। পাচ্ছে না সঠিক চিকিৎসা। এসব তথ্য জানিয়েছেন করোনায় আক্রান্ত রোগী মো: আফসার উদ্দিনের ছেলে মো. রাসেল।
তিনি আরো জানান, আমার আব্বাকে হাসপাতালে নেয়ার পর থেকেই সঠিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না। হাসপাতালগুলোর অব্যবস্থাপনা আর ডাক্তারদের অবহেলায় আমার আব্বা দিনদিন মৃতু্যর দিকে ধাবিত হচ্ছে। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হল পানি থেকে শুরু করে ওষুধপত্র যাবতীয় সবকিছু বাইরে থেকে কিনে আনতে হয়। তাহলে সরকারের সরবরাহকৃত ওষুধগুলো যাচ্ছে কোথায়? কুর্মিটোলা কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল ও মুগদা হাসপাতাল সব জায়গার তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে। সরকার চিকিৎসার নামে প্রহসন করছে। ডাক্তার স্বাস্থ্যকর্মীরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে কিনা তার জন্য কোনো মনিটরিং নেই। সব মিলিয়ে এক হযবরল অবস্থা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে আকুতি জানিয়ে রাসেল বলেন, আমি অনুরোধ করে বলছি আপনারা আমার আব্বাকে সঠিক চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ্য করে তুলুন।
এদিকে করোনায় আক্রান্ত মো: আফসার উদ্দিন বেঁচে থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রীসহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
প্রসঙ্গত, মো. আফসার উদ্দিনের স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে, ছেলের বউ ও এক বছরের নাতনীও করোনায় আক্রান্ত।