1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
সরকারি ত্রাণ যাচ্ছে ক্ষমতাসীনদের বাড়িতে : এমাজউদ্দীন আহমদ - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
নৈতিক চিত্তের মানুষ তৈরি করতে হলে শিক্ষার্থীদের আদব শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে : এস এম আকাশ অতিরিক্ত মূল্যে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি : ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর মা‌টিরাঙ্গায় চতুর্থ শ্রেনির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ হাটহাজারী এনসিপির সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত ডিআইজি-অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ২৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কুমিল্লায় নিত্যপণ্যের বাজারে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৬ প্রতিষ্ঠানকে ২৪ হাজার টাকা জরিমানা এনসিটি এবং সিসিটি ১৫ বছর মেয়াদে বিদেশী অপারেটরকে পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার প্রতিবাদে স্কপ চট্টগ্রামের মানববন্ধন

সরকারি ত্রাণ যাচ্ছে ক্ষমতাসীনদের বাড়িতে : এমাজউদ্দীন আহমদ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২০
  • ৩৫২ বার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
করোনাভাইরাস সংক্রমণে এ মহাদুর্যোগের সরকারি ত্রাণ ক্ষমতাসীনদের বাড়িতে চলে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন দেশের এই রাষ্ট্র বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. ইমেরিটাস এমাজউদ্দীন আহমদ। তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার করোনাভাইরাস সংক্রমণ এর ছোবলে আক্রমণের শিকার অসহায় হতদরিদ্র ৫০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ প্রদান শেষে তিনি এ অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, সরকারি রিলিফের ত্রাণ নিজেদের নেতা-কর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে গেলেও প্রধানমন্ত্রী বার বার বলছেন নেতা- কর্মীদেরকে যে এই সময়ে অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের সদস্যদের পাশে থাকতে হবে । এতে উল্টো সরকার দলের কর্মী নেতারা সেই নির্দেশনা না মেনে ত্রাণ আত্মসাৎ চুরির মধ্যে মেতে উঠেছেন সরকার দলের কর্মী নেতারা । প্রতিদিন কোনো না কোনো জেলায় এ ধরনের ঘটনা ঘটে যাচ্ছে অহরহ । এতে ত্রাণ চলে যাচ্ছে তাদের নেতাদের বাড়িতে বাড়িতে ।
রাজধানীর দুই তিনটি স্পটে দ্বিতীয় বারের মতো গতকাল এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ প্রদান করেন তিনি। তার সাথে এই ত্রাণ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন সাংবাদিক ও প্রকাশক শত নাগরিক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার। প্রতিটি পরিবারকে দুই কেজি চাল, এক হালি ডিম, পাঁচশত গ্রাম ডাল, আর হাফ লিটার তৈল।
এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, নিম্ন আয়ের মধ্যবিত্তদের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী দেওয়ার পরামর্শ দেন। অনেকে চাইতে পারছেনা । লজ্জায় বলতে পারছে না। তাদের জন্য আমাদের কিছু করতে হবে । যারা চাইতে পারছেনা তাদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করবেন এবং তাদেরকে সাহায্য করবেন । প্রয়োজনে কৌশলে জেনে নিবেন তাদের অবস্থা। প্রয়োজনে গোপনে তাদের বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী পাটিয়ে দিবেন। একমাত্র আল্লাহকে রাজি খুশি করার জন্য। মধ্যবিত্ত পরিবারকে গুলোকে নিয়ে সবাই চিন্তা করবেন। সবাই মিলে একটু একটু করে দিলে অন্তত মানুষ খেয়ে বাঁচবে। শুধুমাত্র সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকলে চলবে না। যাদের সামার্থ্য আছে, তাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে ।
এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, চরম দারিদ্র্য বেড়েছে ৬০ শতাংশ ১৪ ভাগ মানুষের ঘরে খাবার নেই । করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও ঘরে থাকতে গিয়ে নিম্নআয়ের মানুষের আয় অনেক কমে গেছে। এই পরিস্থিতিতে চরম দারিদ্র্য হার আগের চেয়ে বেড়ে গেছে ৬০ শতাংশ । ১৪ ভাগ মানুষের ঘরে খাবার নেই। করোনাভাইরাস আক্রমণ হলে এর ব্যবস্থাপনার জন্য করণীয় সম্পর্কে পৃথক, বৃহৎ মাত্রার প্রচারাভিযান চালাতে হবে । সামাজিক দূরত্ব পদক্ষেপ সঠিক বাস্তবায়নের জন্য দেশব্যাপী খাদ্য সংকটে পড়া মানুষের কাছে অতি শিগগিরই খাদ্য সামগ্রী পৌঁছাতে হবে নয়তো তাদের ঘরে রাখা সম্ভব হবে না। জীবিকা অর্জনে তারা বাইরে বের হতে বাধ্য হবেন। শহর থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ গ্রামে ফিরে গেছেন যারা গ্রামকেন্দ্রিক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতাভুক্ত নন তাদের কাছে জরুরি খাদ্য সামগ্রী পৌঁছাতে হবে ।
তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে প্রথম সারিতে যাদেরকে আমাদের খুব বেশি প্রয়োজন সেই চিকিৎসকদের একজন, গরিবের ডাক্তার মঈন উদ্দিন চলে গেলেন আমাদের ছেড়ে। সঠিকভাবে বলতে হয়, আমরা তাকে বাঁচাতে চেষ্টাই করিনি।
প্রধানমন্ত্রি, স্বাস্থমন্ত্রি বলছেন, চিকিৎসক ও স্বাস্থকর্মীদের জন্য পর্যাপ্ত সুরক্ষা সামগ্রী রয়েছে। অথচ কর্তৃপক্ষ তাদেরকে তা যথাসময়ে দিতে চাননি। ততদিনে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। শিক্ষানবিশ, এমন-কি মিড লেভেল চিকিৎসকদের তা পেতে কর্মবিরতিতে পর্যন্ত যেতে হয়েছে। এরপর প্রায় এক মাস সময়ে এখন পর্যন্ত তাদের এক সেট পিপিই নিয়ে সেবা দিয়ে যেতে হচ্ছে। কেন? এটি কি প্রয়োজনে ব্যবহার না করে সাজিয়ে রাখার জিনিস?
মঈন উদ্দিন তাঁর চিকিৎসার জন্য নিজ হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ পাননি, সিলেটের আর একটি প্ররিষ্ঠানে ভেন্টিলেটর থাকলেও তা চালানোর লোকজনই নেই, দ্রুততর সময়ে ঢাকা আসতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স চেয়ে পাননি, মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়েছেন বিনা চিকিৎসায়। তো আমাদের চিকিৎসকরাই যদি তা না পান, এটি কাদের জন্য? এ দেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্যে কী আছে? স্বাস্থ মহাপরিচালক এটি দিতে কেন অনুরোধ করলেন না? এখন তাঁর পরিবারকে ৫০ লাখ টাকা দিতে পারবেন, তাহলে যখন তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করা যেতো, করোনাক্রান্ত রোগীর সেবা দিতে গিয়ে নিজেকে উৎসর্গ করা মানুষটিকে বাঁচাতে তাঁর পরিবার, সহকর্মীদের আবেদনে আমাদের প্রশাসন, সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কেন এগিয়ে এলো না?

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net