1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
করোনা মানেই মৃত্যু নয়, সচেতনতায় মিলে মুক্তি, সাতকানিয়ায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে তরুণ - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : মীর হেলাল চন্দনাইশে কারিতাস বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ১,২৮০ বন্যার্ত পরিবার পেল নগদ সহায়তা, হাইজিন কিট ও ত্রাণ” চন্দনাইশের বরমায় ৩ হাজার ৫০০ বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে আবদুর রহিম চৌধুরী ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ জুলাই-আগস্টের শহীদদের স্মরণে ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল আল-মুঈন ত্রাণ তহবিল কর্তৃক বন্যাদুর্গতদের নগদ অর্থ বিতরণ কিশোরগঞ্জে ৭ম শ্রেণীর স্কুলছাত্রী অপহরণ, সপ্তাহ পরেও হয়নি উদ্ধার মাগুরায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা  শুরু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২২ কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক উধাও, থানায় অভিযোগ সোনারগাঁয়ে কুপিয়ে হত্যা: বিএনপি নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ চকবাজার থানা কমিটি কর্তৃক সাইবার ইউজার দলের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গুজব/তথ্য সন্ত্রাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

করোনা মানেই মৃত্যু নয়, সচেতনতায় মিলে মুক্তি, সাতকানিয়ায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে তরুণ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২০
  • ৩৪৩ বার

মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন : ‘করোনা মানেই মৃত্যু নয়, সচেতনতায় মিলে মুক্তি’ এমন শিরোনামে করোনা-জয়ের গল্প ফেসবুকে শেয়ার করেছেন চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ রুমন।

এর আগে গত ১৪ এপ্রিল রাতে চট্টগ্রামে ১২ জনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ পাওয়া যায়। এর মধ্যে ৫ জনই সাতকানিয়ার। যাদের মধ্যে রয়েছে রোমনসহ সুস্থ হওয়া তিনজন। মাত্র ১৪ দিনেই সুস্থ হয়ে জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন থেকে বাড়ি ফিরেছেন।

বুধবার দেড়টার দিকে করোনা-জয়ের সেই গল্পটি ফেসবুকে শেয়ার করেন রোমন। সাতকানিয়া থানাধীন, পশ্চিম ঢেমশা আলিনগর গ্রামের হতভাগা পাঁচ করোনা রোগীর গল্প উপ শিরোনামে রোমন লিখেন, চট্টগ্রাম জেলায় ‘প্রাণঘাতি করোনা’ যুদ্ধ জয় করা সাতকানিয়ার প্রথম তিনজন আমরা।

দীর্ঘ ১৪ দিন লড়াই করেছি প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের সাথে। তিনবার নমুনা পরীক্ষার পর, অবশেষে আল্লাহর রহমতে করোনা যুদ্ধ জয় করে আমরা তিনজন ঘরে ফিরছি। আশাকরি অন্যরাও দুই একদিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে ফিরে আসবেন। আমাদের এই যুদ্ধ জয় সহজ ছিলো না। প্রতিটা দিন আমরা মৃত্যুভয়ের মধ্যে ছিলাম। অপ্রিয় হলো সত্য, সবাই আমাদের ঘৃণা করা শুরু করছিলো। যেন আমরা মহা কোনো পাপকাজ করেছি।

‘উপলব্ধি করেছি, বাস্তবতা কতই নিষ্ঠুর, করোনায় রোগী মরার আগে, মানুষের ঘৃণা অবহেলায় হাজারবার মরে। কারো করোনাভাইরাস হয়েছে, তার মানে এই নয় যে, সে বিশাল কোনো পাপ করে ফেলেছে। করোনা পজিটিভ হওয়ার পরে আমদের পাঁচ জনকে যেদিন বাড়ি থেকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, আমাদের মনটা ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিল। মনে হচ্ছিলো আজ মনে হয় বাড়ির শেষদিন, হয়তবা আর কোনোদিন পরিবার পরিজন কারোর সাথে দেখা হবে না, আর কোনোদিন বাড়ি ফেরা হবে না।’

‘হতভাগা কাকে বলে সেদিন বুঝেছি, সেনাবাহিনীর এম্বুলেন্সে করে শহরে পৌঁছাতে পারিনি, খবর এলো আমাদের পাঁচজনের বাড়িঘর ভাংচুর ও বাড়ির লোকজনদের উপর হামলা হয়েছে। অপরাধ, পাপিষ্ঠ করোনা রোগীর । দুঃখে, কষ্টে, কাঁন্নায় বুক ফেটে গেছে।’ চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পৌঁছার পর আশার আলো দেখালেন কর্তব্যরত ডাক্তার, নার্স…।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net