1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
শরণখোলায় আরও একটি হরিণ উদ্ধার - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
নোবিপ্রবিতে মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত নবীনগরে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে ইউএনও’র অভিযান, ড্রেজার মেশিন ধ্বংস আইফোন নয় পাওনা টাকা চাওয়াতে অপ্রতিমকে পিটিয়ে হত্যা মাগুরায় গড়াই নদীর তীব্র ভাঙনে ফসলি জমি বিলীন! হুমকিতে কোদলা গ্রামের ৫ শত পরিবার ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিঁদুর রঙ মিশ্রণে মরিচ লাল করায়, লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিদপ্তর  চৌদ্দগ্রামে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ শাড়ি জব্দ ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী সোনারগাঁয়ে তিন স্কুলছাত্রের মৃত্যু: অবৈধ ড্রেজিং বন্ধ ও দ্রুত বিচার দাবি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ঘোষনার পর পর নির্বাচনী হাওয়া চন্দনাইশে ভোটের মাঠে প্রস্তুত বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা

শরণখোলায় আরও একটি হরিণ উদ্ধার

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২০
  • ৩৩৭ বার

নইন আবু নাঈম, বাগেরহাট : পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা থেকে একটি চিত্রল হরিণ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার ( ২৪ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে মঠবাড়িয়া উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন উত্তর সোনাখালী এলাকা থেকে গ্রামবাসী হরিণটি উদ্ধার করে।
পরে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশের মাধ্যমে হরিণটি বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এদিকে, এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার আরও একটি হরিণ উদ্ধার করে
বনবিভাগের মাধ্যমে সুন্দরবনে অবমুক্ত করা হয়।
বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের ডুমুরিয়া এলাকা থেকে রাতে হরিণটি সাতরে লোকালয়ে চলে যায়। সকাল সাতটায় ওই গ্রামের বাদল মোল্লার বাড়ীর পুকুরপাড় থেকে হরিণটি ধরে মঠবাড়িয়া থানায় নিয়ে যায় গ্রামবাসী। সেখান থেকে পুলিশ বনবিভাগকে খবর দিলে তারা হরিণটি উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।
বৃহস্পতিবার সকালে সুন্দরবনের বারকিং ডিয়ার নামের আরও একটি মাদী হরিণ বলেশ্বর নদী থেকে এক জেলে উদ্ধার করে বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন। পরে সেটি বনে অবমুক্ত করা হয়।
এদিকে, মঠবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও পরিবেশ কর্মী দেবদাস মজুমদার এ প্রসঙ্গে জানান, জ্ঞানপাড়া ও চরদোয়ানী এলাকার সংঘবদ্ধ হরিণ চোরা শিকারি চক্রগুলো দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ক্রিয় ছিল। করোনার এ লকডাউনের মধ্যে সময়টাকে নিরাপদ মনে করে চক্রগুলি সক্রিয় হয়েছে। ঝড় বৃষ্টির মধ্যে হয়তো তাদের কবল থেকে হরিণ ছুটে যাওয়ায় তা গ্রামবাসীর কাছে চলে এসেছে বলে তিনি ধারনা করছেন। বিষয়টি তিনি বনবিভাগকে খতিয়ে দেখার দাবী জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net