1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
করোনার ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিচ্ছেন রুমায় সিএইচসিপি রাজিব দাশ - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
লাকসামে ঈদে মিলাদুন্নবীর জুলুসে হাজারো মানুষের ঢল মাগুরায় ৭ ভুয়া সিআইডি সদস্য আটক, নারী অপহরণের চেষ্টা ব্যর্থ ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি হরমুজ প্রণালী চালুর আলোচনা: তেলের দাম ২ শতাংশ কমেছে চট্টগ্রামে কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা বিষয়ক সেমিনার-২০২৬’ অনুষ্ঠিত চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে চোলাই মদ সহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নোয়াখালীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে বিএনসিসি কুমিল্লা রিজিওনের সদস্যদের প্রশিক্ষণ প্রদান  আনোয়ারায় ভোজনবাড়ী রেস্টুরেন্টকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা  সরকার আমার সাথে মনে হয় নাটক করতেছে– মাগুরায় ক্ষুব্ধ আছিয়ার মা আয়েশা বেগম নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য কিনবে টিসিবি

করোনার ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিচ্ছেন রুমায় সিএইচসিপি রাজিব দাশ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১০ মে, ২০২০
  • ৩৭৭ বার

মংহাইথুই মারমা,রুমা(বান্দরবান)প্রতিনিধি :
বান্দরবানে রুমায় পিপিইসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী না থাকায় করোনার ঝুঁকি নিয়েই সেবা দিচ্ছেন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার রাজিব দাশ। তবে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠানো হয়েছে প্রতিটি কমিউনিটি ক্লিনিকে।
তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে মহামারী করোনাভাইরাস সংক্রমণ আতঙ্কে রুমায় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে রোগীদের ভিড় কমলেও বেড়েছে গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে। যেখানে সুরক্ষা পোশাক পিপিই ছাড়াই ঝুঁকি নিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে সেবা প্রদানকারী কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারদের। জেলায় লকডাউনেও তাঁরা ঝুঁকি নিয়েই অব্যাহত রেখেছেন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা।
সদর উপজেলা কৈক্ষ্যংঝিড়ি কমিউনিটি ক্লিনিকের হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার রাজিব দাশ জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দেশ অরণ্য রুমা প্রতিনিধিকে জানান, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় শহরে যেতে না পেরে কমিউনিটি ক্লিনিকে এসে চিকিৎসা নিচ্ছে গ্রামবাসী। এতে রোগীর চাপ অনেকে বেড়েছে। এ অবস্থায় কমিউনিটি ক্লিনিকের হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার কোনো প্রকার ভালো মানে সুরক্ষা সরঞ্জাম না থাকায় ঝুঁকি আর দুশ্চিন্তার মধ্যেই দিনের পর দিন চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
এ অবস্থায় গ্রামের অনেকেই আসছেন কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে। জ্বর, সর্দি, কাশি, ডায়রিয়া রোগীই বেশি আসছেন। আর প্রাথমিকভাবে এসব লক্ষণ করোনার উপসর্গ বহন করে। সব কিছু জেনেও নিরুপায় হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই আমাদের সেবা দিতে হচ্ছে।
রুমার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বামংপ্রু মারমা জানান, শহর থেকে আসা ও হোম কোয়ান্টাইনের থাকা লোকজনদের এ পর্যন্ত ১০০জনের অধিক নমুনা সংগ্রহ করে বান্দরবান সদর হাসপাতালে পিসিআর ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে কেউ পজিটিভ আসে নি সবার নেগেটিভ এসেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে রুমা উপজেলার প্রশাসন থেকে শুরু করে সকল এলাকারবাসীরা সচেতন হওয়ায় এখনও পর্যন্ত কোনো রোগী সনাক্ত করা যায় নি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net