ঢাকা   ০৫:৫৮:৫৯ পিএম, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরায় পানিতে ডুবে ২ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী লীগের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়া দিগন্তের উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা বাংলাদেশ সুশীল ফোরামের ভরতখালী ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন চন্দনাইশ পৌরসভার খাঁনহাট-আবদুল বারীহাট সড়কের বেহাল দশা নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় দেশীয় প্রজাতির দুই শতাধিক পাখিসহ ২ শিকারী আটক  টানা ৪০ দিন জামায়াতে নামাজ আদায়: শিশু-কিশোরদের উৎসাহিত করতে ৩২টি বাইসাইকেল দিলেন পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হারুন অর রশিদ কালির বাজার ইউনিয়নে পথিকদের জন্য টিউবওয়েল স্থাপন করলেন জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ফয়েজ আহমেদ মুন্সি আনোয়ারায় ইয়াবা কারবারী টাউট ইব্রাহিম গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্রকে বলা-ৎকা-রের অভিযোগ, শিক্ষক আটক

করোনার ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিচ্ছেন রুমায় সিএইচসিপি রাজিব দাশ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১০ মে, ২০২০
  • ৪১৪ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

মংহাইথুই মারমা,রুমা(বান্দরবান)প্রতিনিধি :
বান্দরবানে রুমায় পিপিইসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী না থাকায় করোনার ঝুঁকি নিয়েই সেবা দিচ্ছেন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার রাজিব দাশ। তবে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠানো হয়েছে প্রতিটি কমিউনিটি ক্লিনিকে।
তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে মহামারী করোনাভাইরাস সংক্রমণ আতঙ্কে রুমায় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে রোগীদের ভিড় কমলেও বেড়েছে গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে। যেখানে সুরক্ষা পোশাক পিপিই ছাড়াই ঝুঁকি নিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে সেবা প্রদানকারী কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারদের। জেলায় লকডাউনেও তাঁরা ঝুঁকি নিয়েই অব্যাহত রেখেছেন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা।
সদর উপজেলা কৈক্ষ্যংঝিড়ি কমিউনিটি ক্লিনিকের হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার রাজিব দাশ জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দেশ অরণ্য রুমা প্রতিনিধিকে জানান, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় শহরে যেতে না পেরে কমিউনিটি ক্লিনিকে এসে চিকিৎসা নিচ্ছে গ্রামবাসী। এতে রোগীর চাপ অনেকে বেড়েছে। এ অবস্থায় কমিউনিটি ক্লিনিকের হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার কোনো প্রকার ভালো মানে সুরক্ষা সরঞ্জাম না থাকায় ঝুঁকি আর দুশ্চিন্তার মধ্যেই দিনের পর দিন চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
এ অবস্থায় গ্রামের অনেকেই আসছেন কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে। জ্বর, সর্দি, কাশি, ডায়রিয়া রোগীই বেশি আসছেন। আর প্রাথমিকভাবে এসব লক্ষণ করোনার উপসর্গ বহন করে। সব কিছু জেনেও নিরুপায় হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই আমাদের সেবা দিতে হচ্ছে।
রুমার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বামংপ্রু মারমা জানান, শহর থেকে আসা ও হোম কোয়ান্টাইনের থাকা লোকজনদের এ পর্যন্ত ১০০জনের অধিক নমুনা সংগ্রহ করে বান্দরবান সদর হাসপাতালে পিসিআর ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে কেউ পজিটিভ আসে নি সবার নেগেটিভ এসেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে রুমা উপজেলার প্রশাসন থেকে শুরু করে সকল এলাকারবাসীরা সচেতন হওয়ায় এখনও পর্যন্ত কোনো রোগী সনাক্ত করা যায় নি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি