1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
লালমনিরহাটে মৎস চাষীদের নামে পুকুরগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে সমাজপতিরা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
জাতিসংঘ নিখুঁত নয়, তবে অপরিহার্য: ড. খলিলুর রহমান জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধিতে বেড়েছে সবজির দাম সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী নোয়াখালীর হাতিয়ায় আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে তোপের মুখে এমপি হান্নান মাসউদ  নোয়াখালীর চৌমুুহনীতে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ মিছিলি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় মাগুরার শ্রীপুরে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার!স্বামী আটক, পরিবারের দাবি হত্যার! অপ্রতীম হত্যার পর  কুমিল্লার ১৮ থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী একযোগে অভিযান, আটক ৬২৪ মাগুরার শ্রীপুরে আনসার ও ভিডিপির বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬ অনুষ্ঠিত দেশের উন্নতির লক্ষ্যে বেশী বেশী শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে- মাগুরায় ব্যবসা উন্নয়ন শীর্ষক কর্মশালায় শহীদুল ইসলাম কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ে জড়িত সন্দেহে একরাতে আটক ৬২৪

লালমনিরহাটে মৎস চাষীদের নামে পুকুরগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে সমাজপতিরা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৩০ মে, ২০২০
  • ৩৭২ বার

লাভলু শেখ, স্টাফ রিপোর্টার, লালমনিরহাট : ৩০ মে
লালমনিরহাটে মৎস চাষীদের নামে পুকুরগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে সমাজপতিরা। জানাগেছে, লালমনিরহাটের ৫ উপজেলায় সরকারী পুকুরগুলোতে মাছ চাষে মৎস চাষীদের নামে একাধিক সংগঠন গড়ে উঠলেও এর পেছনে রয়েছে প্রভাবশালীদের একক নিয়ন্ত্রণ। বছরের পর বছর মাছ চাষ করলেও পুকুরগুলোর স্বাভাবিক গভীরতা বজায় রাখতে ওই সকল প্রভাবশালী মহল খননের ব্যবস্থা করেনি। আবার কোন পুকুর খনন করেছে। আ’লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর জাতীয় পুকুর ব্যবস্থাপনা তৈরির উদ্যোগ নিলেও আজোবধী একটি খসড়াও দাঁড় করাতে পারেনি। এদিকে নিজস্ব মালিকানায় রেখে সরকারী পুকুরগুলোতে মাছ চাষ করে দেশে আমিষের যোগান দিতে চরমভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে মৎস অফিসগুলো। সরকারী নিয়ন্ত্রণাধীন লালমনিরহাট সহ দেশে সরকারি পুকুর ব্যবস্থাপনায় নির্দিষ্ট কোন নীতিমালা বিগত ৪৫ বছরেও তৈরি করা হয়নি। ভূমি স্থানীয় সরকার ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের টানা-টানিতে সরকারি জলমহাল ও পুকুরগুলোর অবস্থা মাছ চাষে অনুপোযোগী হলেও মাথা ব্যথা নেই কারও। মাছ চাষ করছে অন্যরা অথচ পুকুরগুলোর স্বাভাবিক গভীরতা বজায় রাখতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে বরাদ্দ নিয়ে তা খনন কাজ করা হচ্ছে। এসব পুকুর খননে কিংবা লিজ প্রদানে মৎস চাষী অথবা সুফলভোগী পুকুর পাইয়ে দিতে জেলা মৎস কর্মকর্তাকে মোটা অংকের টাকা উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগ ওপেন সিক্রেট। তবে জেলা মৎস কর্মকর্তা উৎকোচের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। লালমনিরহাট জেলা মৎস অফিসের তথ্য মতে, সরকারি দিঘী/পুকুরের সংখ্যা ৯৬ টি, আয়তন ৭৫.০ হেক্টর জমি, উৎপাদন ২৮০.০ মেট্রিক টন মাছ। সরকারি মৎস হ্যাচারির সংখ্যা ১ টি ও বেসরকারি সৎস হ্যাচারির সংখ্যা ৬টি। এসব পুকুরে মাছ চাষ হচ্ছে। মৎসজীবী সমিতির নামে এগুলোর আয় ভোগ করছেন সমাজের প্রভাবশালীরা। লালমনিরহাটে আলোচিত সুকান দিঘী (হুসেইন সরেবর), বুড়ির দীঘি, দলাইনামার বিল, নামুড়ী সুকান দিঘীসহ মোট ৯৬ টি সরকারি পুকুর যা অবৈধ দখলে রয়েছে। জেলা মৎস্য অধিদপ্তর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নিয়ে পুকুরগুলো খনন করে মাছ চাষ ও পুকুর পাড়ে গাছ চাষ করে রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে হাজার কোটি টাকা সরকারি রাজস্ব আয় হতো এবং প্রকৃত অসহায় দরিদ্র জেলে পরিবারের মাঝে লিজ ভিত্তিক মৎস চাষের জন্য দেয়া হলে লক্ষ মাত্রার চেয়ে কয়েকগুণ মাছ উৎপাদন করা যেত বলে সচেতন মহল মনে করছেন। অথচ সুষ্ঠু নীতিমালা, উদ্যোগের অভাব ও আইনের ফাঁক-ফোকর ও জেলা মৎস অফিসের সহায়তায় এক শ্রেণির সমাজপতিরা পুকুরগুলোতে মাছ চাষ করে এরেই মধ্যে কোটিপতি বনে গেছেন। মৎস চাষে যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকলেও উন্নত প্রযুক্তি এ জেলায় না থাকায় প্রতিবছর ১৪ হাজার ৬ শত ৮৯ মেট্রিক টন মাছ ঘাটতি থেকে যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net