ঢাকা   ০৪:১৫:০০ পিএম, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী মাগুরার শ্রীপুরে মাদ্রাসার ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ রাঙ্গাবালীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু,পরিবারের দাবি হত্যা  আনোয়ারায যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় ইরা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্বোধন লাকসাম যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল  মাগুরার শ্রীপুরে বরিশাট ঈদগাহের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন  জাপান সফর শেষে দেশে  ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

গোপালগজ্ঞের কৃষক নিখিল তালুকদারকে মেরে মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়ার অভিযোগ পুলিশের এএসআই শামীম উদ্দিনের বিরুদ্ধে

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৬ জুন, ২০২০
  • ৩৫৫ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

উত্তম অরণ, বিশেষ প্রতিনিধি :
চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালেই মর্মান্তিক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন নিখিল তালুকদার। নিখিল তালুকদার ছিলেন পেশায় একজন কৃষক, বাড়ি গোপালগঞ্জ এর কোটালীপাড়া উপজেলার রামশীল গ্রামে।

ধান কাটার কাজ শেষ হয়ে যাওয়ায় কয়েকদিন ধরে অবসর সময় কাটাচ্ছিলেন তিনি। সময় কাটানোর জন্য গত ২রা জুন মঙ্গলবার বিকেলে রামশীল বাজার সেতুর পূর্ব পাশে বসে তাস খেলছিলেন নিখিল তালুকদার সহ ৪ জন।

তখনই ঘটনাস্থলে যায় এএসআই শামীম উদ্দিন। গোপনে মুঠোফোনের ক্যামেরায় নিখিলদের তাস খেলার দৃশ্য ধারণ করেন তিনি। বিষয়টি টের পেয়ে খেলা ফেলে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন নিখিল তালুকদার এবং তাঁর বন্ধুরা।

বাকিরা পালিয়ে গেলেও নিখিলকে ধরে মারধর শুরু করেন এএসআই শামীম উদ্দিন। মারধরের একপর্যায়ে হাঁটু দিয়ে নিখিলের পিঠে আঘাত করলে মেরুদণ্ড ভেঙে যায়।

প্রথমে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে পাঠানো হয় রাজধানী ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে। বুধবার বিকেলে সেখানে মারা যান নিখিল তালুকদার।

এলাকায় অত্যন্ত ভদ্র এবং বিনয়ী হিসেবে পরিচিত নিখিল তালুকদার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি।

নিখিল তালুকদারের স্ত্রী ইতি তালুকদার সাংবাদিক এবং মিডিয়া কর্মীদের জানিয়েছেন, “আমার স্বামী অপরাধ করে থাকলে তাকে ধরে নিয়ে যেত। বিচার হতো।

এভাবে কেন তাকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হলো! এখন আমার দুই শিশুসন্তানের ভবিষ্যৎ কী হবে।
আমি এ হত্যার বিচার চাই।”

স্বামী হারা ইতি তালুকদারের কাঙ্খিত
বিচারটি হচ্ছে না, হচ্ছে তামাশা। ৫ লক্ষ টাকা দিয়ে স্থানীয় শালিসের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন মহল ঘটনাটির ধামাচাপা দিতে এখন মরিয়া।

নগদ ২ লক্ষ টাকা বাকী ৩ লক্ষ টাকা র এই বিচারে
কৃষক নিখিলের জীবনের মূল্য নির্ধারণ করা বিচারক বৃন্দ কে প্রশ্ন রাখলাম, জীবনের মূল্য নির্ধারণ করার এত ক্ষমতা তোমাদের? পাঁচ লাখ টাকায় রেহাই পেয়ে যাবে খুনি?

দিনে দিনে বাড়িতেছে দেনা, পীড়িতের প্রতি ফোঁটা অশ্রুর মূল্য তোমাদের নরক যন্ত্রণার উৎস হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি