1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ঐতিহ্যবাহী লালমনিরহাট জেলার প্রসিদ্ধ দীঘি ও নদী - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
৫ই সেপ্টেম্বরের লংমার্চ সফল করতে নোয়াখালী শহর জামায়াতের উদ্যোগে স্বাগত মিছিল  টানা ৪০ দিন মসজিদে নামাজ আদায়: শিশুদের হাতে পুরস্কার হিসেবে সাইকেল তুলে দিল  চন্দনাইশে পুকুরের পানিতে ডুবে আদিবা রহমান মারা যায় মাগুরায় নানা আয়োজনে জন্মাষ্টমী পালন কোম্পানীগঞ্জে শহীদ আমান উল্যাহ ফারুকের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া  কানাডার বিনিয়োগকারীদের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের আহ্বান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের ৫ সেপ্টেম্বর লংমার্চ: সোনারগাঁয়ে চার স্পট পরিদর্শন প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন ফেনীতে কাভার্ড ভ্যানের পেছনে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করছেন ট্রাম্প, চলছে ২০২৭ সালের প্রস্তুতি বাড়বে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ফ্লাইট, সহজ হবে ভিসা

ঐতিহ্যবাহী লালমনিরহাট জেলার প্রসিদ্ধ দীঘি ও নদী

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২০
  • ৩৫৪ বার

ইব্রাহিম সাকিব,লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি :
লালমনিরহাট জেলায় সরকারী ও ব্যকিত্ মালিওকানাধীন ওঅনেক দীঘি রয়েছে। এগুলোর মধ্যে প্রসিদ্ধ কপিতয় দীঘি হচ্ছেঃ সিন্দুরমতি দীঘি ও(জলকর ১৩ একর, মোট প্র্রায় ১০ একর), সুকান দীঘি (জলকর ৩৬ একর, মোট প্রায় ৪৯ একর ৪০ শতক), বানিয়ার দীঘি (২ একর ৫৩ শতক), ফড়িংএর দীঘি (প্রায় ১.৫ একর), সাহেবের দীঘি (প্রায় ১.৫ একর), বালাপুকুর (৫ একর ৩৭ শতক), কোঁদাল ধোয়া দীঘি (প্রায় ২ একর) কাটানীর দীঘি (প্রায় ৪ একর), বিশ্বকর্মার দীঘি (১ একর ৮০ শতাংশ যা বর্তমানে বাবুওল সরকারের দীঘি নামে দূর্গাপুরে পরিচিত), শন্তু সাুগর (২০ দোন), ধোপার দীঘি (১৮ দোন), রানী ভগবতীর জলছত্র ( প্রায় ২.৫ একর) নদী জেলার বুক চিরে রহমান তিস্তা, ধরলা, সানিয়াজান, শিংগীমারী, রত্নাই, স্বর্ণামতি, সতী প্রভৃতি নদী। এককালের খর স্রােতীনদী হারিয়ে হয়েছে মরাসতী।

তিস্তা ও ধরলা এখানকার প্রধান নদী। তিস্তা ভারতের পার্বত্য সিকিম হিমালয় থেকে উৎপন্ন হওয়ার পর দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও কুচবিহারের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নীলফামারী জেলার ওমিলা উপজেলাধীন ছাতনাই গ্রামের প্রায় ১ কি.মি. উত্তর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এ নদী নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে গাইবান্ধার কামারজানি মৌজায় ব্রহ্মপুত্র নদের সাথে মিলিত হয়েছে। ১৭৮৭ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত তিস্তাই ছ্রিল উত্তরবঙ্গের প্রধান নদী।

লালমনিরহাট জেলার এ নদীর ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাগুলোর মধ্যে সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, হারাটী ইউনিয়নের রাজপুর, তাজপুর, গোকুন্ডা ইউনিয়নের পাঙ্গাটারী এবং আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা, হাতীবান্ধার পারুলিয়া এলাকা উল্লেখযোগ্য। ধরলা নদী নিম্ন হিমালয় অন্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে কুচবিহারের তোরসা ও মানসাই নদীর সঙ্গে মিলিত হয়ে এ নাম ধারন করে লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

এ নদী পাটগ্রামের পুলিশ ষ্টেশনের সীমানা পেরিয়ে আবার ভারতীয় সীমানায় প্রবেশ করেছে। অতঃপর আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ফুলবাড়ী ও লালমনিরহাটের সীমানা ঘেষে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রামের কয়েক কি:মি: দক্ষিন পূর্বে ব্রম্মপুত্র নদের সাথে মিলিত হয়েছে। লালমনিরহাট জেলায় এনদীর ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার মধ্যে সদর উপজেলার মোগলহাট ও কুলাঘাট ইউনিয়ন এবং আদিতমারী উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়ন উল্লেখযোগ্য।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net