1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
গংগাচড়ায় তিস্তা নদীর ভাংগনের কবলে 'আবাদি জমি' দিশেহারা নদী এলাকার কৃষকরা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সোনারগাঁয়ে তিন স্কুলছাত্রের মৃত্যু: অবৈধ ড্রেজিং বন্ধ ও দ্রুত বিচার দাবি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ঘোষনার পর পর নির্বাচনী হাওয়া চন্দনাইশে ভোটের মাঠে প্রস্তুত বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা আমি নির্বাচিত হলে ১ নং বাগান বাজার ইউনিয়নের ১,২ ও ৩ নং সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ড উপহার দিব – মহিলা মেম্বার প্রার্থী জাহানারা আক্তার চৌধুরী ( বি,এ) মেঘনায় গোসলে নেমে তিন কিশোরের মৃত্যু, শোকাহত পরিবারের পাশে ড. আসগর আলী কোম্পানীগঞ্জে দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে মাছের পোনা অবমুক্ত করেছেন এমপি ফখরুল ইসলাম বাগান বাজার ১নং ওয়ার্ডকে মাদকমুক্ত ও উন্নত সমাজ গড়ে তুলতে চাই- মেম্বার প্রার্থী নিজাম উদ্দিন  মাগুরায় জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত মাগুরা শ্রীপুরের খামারপাড়া বাজারে দূর্ধর্ষ চুরি সংগঠিত চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কাবাডি টুর্নামেন্টের ফাইনাল : হাটহাজারীকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাঁশখালি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নিষিদ্ধ নেতাদের নিয়ে ইউএনও’র ভূরিভোজ, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ

গংগাচড়ায় তিস্তা নদীর ভাংগনের কবলে ‘আবাদি জমি’ দিশেহারা নদী এলাকার কৃষকরা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২০
  • ৪৬৫ বার

মোহাম্মদ নুর আলম সিদ্দিকী মানু,স্টাফ রিপোর্টারঃ রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়নে তিস্তার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ভুট্টা ও পাট ক্ষেত সহ আবাদি জমি। এছাড়াও ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে তিস্তা নদীর ডানতীরের বাঁধ। গত বছর থেকে তিস্তার পানি মূল নদীতে না গিয়ে গ্রোয়েন বাঁধ ক্রস করে ফসলের ক্ষেত ও আবাদি জমি বিলীন করে তিস্তা প্রতিরক্ষা ডানতীর বাঁধে আঘাত হানে। এতে বাঁধের অধিকাংশ স্থান নদীতে বিলীন হয়ে যায়। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড বালির বস্তা ডাম্পিং করে আপাতত রক্ষা করেছে। প্রতক্ষদর্শিরা জানায় উপজেলার নোহালী ইউনিয়নের শেষ প্রান্তে তিস্তার ভাঙন এসে ঠেকেছে মূল বাঁধে। সেই সঙ্গে ভেঙে যাচ্ছে ফসলের ক্ষেত ও আবাদি জমি। স্থানীয়দের মর্ধ্যে কয়েকজন শ্যামল বাংলা কে জানান- তিস্তার পানি বাড়লে ভাঙন এসে আবারও আঘাত হানবে।তাছাড়া উজান ও ভাটিতে অবস্থিত দুই গ্রোয়েন বাঁধের মাঝে একটি বেড়িবাঁধ না দিলে মূল বাঁধসহ আবাদি জমি রক্ষা করা যাবে না বলে আশঙ্কা করছেন তারা। নোহালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম টিটুল বলেন- জরুরী ভাবে ভাঙন রোধ করা না হলে অনেক কৃষকের আবাদি জমি নদী গর্ভে বিলীন হবে। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম ভাঙনের কথা স্বীকার করে বলেন-ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছে। আপাতত বালুর বস্তা ডাম্পিং করা হয়েছে। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন- মূল বাঁধ রক্ষায় একটি বেড়িবাঁধ করা জরুরি এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net