1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ফাঁদ পেতে করোনাকে মারা সম্ভব! - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
নোবিপ্রবিতে মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত নবীনগরে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে ইউএনও’র অভিযান, ড্রেজার মেশিন ধ্বংস আইফোন নয় পাওনা টাকা চাওয়াতে অপ্রতিমকে পিটিয়ে হত্যা মাগুরায় গড়াই নদীর তীব্র ভাঙনে ফসলি জমি বিলীন! হুমকিতে কোদলা গ্রামের ৫ শত পরিবার ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিঁদুর রঙ মিশ্রণে মরিচ লাল করায়, লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিদপ্তর  চৌদ্দগ্রামে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ শাড়ি জব্দ ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী সোনারগাঁয়ে তিন স্কুলছাত্রের মৃত্যু: অবৈধ ড্রেজিং বন্ধ ও দ্রুত বিচার দাবি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ঘোষনার পর পর নির্বাচনী হাওয়া চন্দনাইশে ভোটের মাঠে প্রস্তুত বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা

ফাঁদ পেতে করোনাকে মারা সম্ভব!

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২০
  • ৩৭৩ বার

মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার:
খুব ধুরন্ধর নভেল করোনাভাইরাসকে কি এবার ফাঁদে ফেলা যাবে মানবশরীরের মধ্যেই? ভাইরাসটির খুব পছন্দের জায়গা আমাদের ফুসফুসেই পাতা যাবে সেই ফাঁদ—এমনটাই দাবি করলেন এক দল চীনা গবেষক। জানালেন, তাঁরা পলিমারের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণা (ন্যানো পার্টিকলস) দিয়ে কৃত্রিমভাবে ফুসফুসের এমন কোষ বানিয়েছেন, যা আদতে জীবন্ত কোষ নয়। কভিডের ফাঁদ। সেই ফাঁদের ভেতর ঢুকে পড়লে ভাইরাসটি আর বেঁচে থাকার রসদ পাবে না। মরে যাবে। সম্প্রতি এসংক্রান্ত নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ন্যানো লেটার্সে।

তবে গবেষণাটি করা হয়েছে শুধুই গবেষণাগারে। ইঁদুরের মতো প্রাণী বা মানুষের ওপর এখনো তা প্রয়োগ করে দেখা হয়নি। গত ছয় মাসের গবেষণায় দেখা গেছে, ‘শরীরে ঢোকার পর ফুসফুসই সবচেয়ে পছন্দের জায়গা সার্স-কভ-২ ভাইরাসের। মানবদেহের একটি প্রোটিন তাকে ফুসফুসের কোষের গায়ে সেঁটে থাকতে সাহায্য করে। তারই সাহায্য নিয়ে ভাইরাসটি আমাদের ফুসফুসের কোষের মধ্যে ঢোকে। তারপর দ্রুত বংশবৃদ্ধি ঘটায়। একটি কোষে তাদের সংখ্যা অনেক বেড়ে গেলে তারা সেই কোষের প্রাচীর ফাটিয়ে বেরিয়ে এসে ফুসফুসের অন্য কোষগুলোকেও একইভাবে আক্রমণ করে।

গবেষকরা গবেষণাগারে দেখতে চেয়েছিলেন পলিমারের ন্যানো পার্টিকলকে ফুসফুসের কোষের মতো ব্যবহার করলে সার্স-কভ-২কে আমাদের শরীরের মধ্যে ধোঁকা দেওয়া যাচ্ছে কি না। তারা সেই পলিমারের ন্যানো পার্টিকলকে ফুসফুসের জীবন্ত কোষ বলে মনে করছে কি না। গবেষকরা দেখেছেন, ভাইরাসটি ধোঁকা খাচ্ছে। ফাঁদে পড়ছে। আর তার পর বাঁচার রসদ জোগাতে না পেরে মরে যাচ্ছে।

এটা দেখতে গিয়ে গবেষকরা পলিমারের ন্যানো পার্টিকলের ওপর ফুসফুসের বা দেহের প্রতিরোধী ব্যবস্থার জীবন্ত কোষের একটি আস্তরণ দিয়ে দিয়েছিলেন। গবেষকরা দেখেছেন, ‘পলিমারের বাইরে থাকা ফুসফুসের কোষের আস্তরণ দেখেই তা পছন্দ হচ্ছে ভাইরাসটির।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net