1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
লালমনিরহাটে লাম্ফি স্কিন ডিজিস রোগে আক্রান্ত হচ্ছে গরু - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সোনারগাঁয়ে তিন স্কুলছাত্রের মৃত্যু: অবৈধ ড্রেজিং বন্ধ ও দ্রুত বিচার দাবি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ঘোষনার পর পর নির্বাচনী হাওয়া চন্দনাইশে ভোটের মাঠে প্রস্তুত বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা আমি নির্বাচিত হলে ১ নং বাগান বাজার ইউনিয়নের ১,২ ও ৩ নং সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ড উপহার দিব – মহিলা মেম্বার প্রার্থী জাহানারা আক্তার চৌধুরী ( বি,এ) মেঘনায় গোসলে নেমে তিন কিশোরের মৃত্যু, শোকাহত পরিবারের পাশে ড. আসগর আলী কোম্পানীগঞ্জে দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে মাছের পোনা অবমুক্ত করেছেন এমপি ফখরুল ইসলাম বাগান বাজার ১নং ওয়ার্ডকে মাদকমুক্ত ও উন্নত সমাজ গড়ে তুলতে চাই- মেম্বার প্রার্থী নিজাম উদ্দিন  মাগুরায় জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত মাগুরা শ্রীপুরের খামারপাড়া বাজারে দূর্ধর্ষ চুরি সংগঠিত চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কাবাডি টুর্নামেন্টের ফাইনাল : হাটহাজারীকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাঁশখালি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নিষিদ্ধ নেতাদের নিয়ে ইউএনও’র ভূরিভোজ, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ

লালমনিরহাটে লাম্ফি স্কিন ডিজিস রোগে আক্রান্ত হচ্ছে গরু

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২০
  • ২৯০ বার

ইব্রাহিম সাকিব, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি।।
লালমনিরহাট জেলার ৫টি উপজেলায় লাম্ফি স্কিন ডিজিস রোগে আক্রান্ত হচ্ছে গরু।

এদিকে কালীগঞ্জ উপজেলায় গত ১০দিনে ১শতাধিক গরু ও বাছুর আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে বলে জানা গেছে।

কালীগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ভেটেনারি সার্জন ডাঃ ফেরদৌসুর রহমান জানান, কালীগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি এলাকা থেকে এ রোগ সংক্রমণের সংবাদ আসছে। তিনি এ রোগের নাম লাম্ফি স্কিন ডিজিস বলে জানিয়েছেন। তবে মৃত্যুর ঝুঁকি কম বলে দাবি করেন তিনি।

এদিকে পবিত্র ঈদ উল আযহার আগে আকস্মিকভাবে লাম্ফি স্কিন ডিজিস রোগে হাজার হাজার গরু আক্রান্ত হয়ে পড়ায় গরু খামারীসহ কৃষকদের মাঝে চরম আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, প্রথমে গরুর তীব্র মাত্রার জ্বর আসে এরপর আস্তে আস্তে সারা শরীরে চামড়ায় গোটা গোটা হয়ে যায়। গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে পানি নামে ফলে গরু ঘাস বা খর ও ভূষি কিছুই খেতে পারে না।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে গিয়ে কোন প্রতিকার পাচ্ছে না গরু খামারীরা । ফলে পল্লী চিকিৎসকদের দ্বারস্থ হয়ে বিভিন্ন ধরনের ঔষধ ও ইনজেকশন দিলে কিছুটা উপকার হলেও তেমন কোন উল্লেখযোগ্য উপকার হচ্ছে না।

বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, রংপুরের ৮টি জেলার প্রতিটি উপজেলায় এখন গরুর এই দূরারোগ্য ব্যাধি দেখা দিয়েছে। কোন প্রতিষেধক না থাকায় পালিত গরু নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন এই অঞ্চলের মানুষ। অনেকে না বুঝেই পল্লী চিকিৎসককে মোটা অংকের টাকা দিয়ে হচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্ত। তবে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর বলছে, একমাত্র সচেতন থাকাই এই রোগের প্রতিকার।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net