1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
গাইবান্ধায় দফায় দফায় বন্যার পরিস্থতি অবনতি॥বাঁধে গাধাঁ গাঁধি ভাবে আশ্রিত : কেউ স্বাথ্য বিধি মানছেন না - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
নোয়াখালীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও মামলা না নেওয়ার অভিযোগে মানববন্ধন  ভাঙ্গুড়ায় ইট কিনার অগ্রিম ৭ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা ফেরত না দেওয়ায় ব্যবসায়ীর নামে মামলা,গ্রেফতার (১) কোম্পানীগঞ্জের রামপুর ইউনিয়নে গাছের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় যুবকের যুবকের মরদেহ উদ্ধার  এ বছর স্থানীয় সরকার নির্বাচন হচ্ছে না, ধারণা প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক: বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় ট্রাম্পের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমান শহীদ ফরহাদ হোসেন স্মৃতি চাকসু আন্তঃহল ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন হলো চবিতে পোড়া তেলে সাঙ্গু নদী দূষণের অভিযোগ, কৃষি ও মৎস্য আহরণে ক্ষতির আশঙ্কা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে হামলা ভাঙচুরের অভিযোগ, হাসপাতালে ফের দুই পক্ষের সংঘর্ষ চন্দনাইশে মোবাইল কোর্টের অভিযানে অস্বাস্থ্যকর খাদ্য উৎপাদনে বেকারিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

গাইবান্ধায় দফায় দফায় বন্যার পরিস্থতি অবনতি॥বাঁধে গাধাঁ গাঁধি ভাবে আশ্রিত : কেউ স্বাথ্য বিধি মানছেন না

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২০
  • ৬৮৮ বার

আনোয়ার হোসেন শামীম,
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধায় কয়েক দফায় ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট, করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধি হওয়ায় ফলে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আবারও মারাত্মক অবনতি হওয়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। গাইবান্ধা পৌর এলাকার কিছু কিছু এলাকাসহ জেলা শহরের পার্শ্ববর্তী কুপতলা, খোলাহাটি, ঘাগোয়া, গিদারি, মালিবাড়ি ইউনিয়নের নিচু এলাকাগুলোতে বসতবাড়ি ও রাস্তা ঘাটে পানি উঠতে শুরু করেছে।
সেই সাথে গাইবান্ধা সদর, সাঘাটা, ফুলছড়ি, সুন্দরগঞ্জ, গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়ি উপজেলায় নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে ভাঙন আতংকে দিন কাটাচ্ছে এসব এলাকার মানুষ। অপর দিকে চর অঞ্চলের মানুষরা দীর্ঘ দিন থেকে বাঁধে অবস্থান করছেন। অনেকের ঘরে আর খাবার নেই। সরকারী বা বেসরকারীভাবে ভানবাসীদের মাঝে ত্রান বিতরণ করলেও তা চাহিদার তুলনায় অতি সামান্য। এসব লোক জন খাদ্যর জন্য হাঁ হাঁ কার করছে। খাদ্যর জন্য ঘুরছেন এদিক সেদিক । করোনার (কোভিড১৯) আক্রান্তের হাত থেকে বাঁচার জন্য স্বাথ্য বিধি মেনে চলছে না। পরিষ্কার শব্দটি যেন বানভাসীদের কাছে অচেনা শব্দ ।
এছাড়া গবাদি পশুর খাদ্য সংকট, বিশুদ্ধ পানি, পয়ঃনিস্কাশন সংকটসহ নানা সমস্যায় তারা মানবেতর জীবন যাপন করছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৬টি উপজেলার ৩৬টি ইউনিয়ন ও গোবিন্দগঞ্জ পৌর এলাকার ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষ এখন পানিবন্দী। বন্যাকবলিত এলাকায় এ পর্যন্ত নগদ ৩০ লাখ টাকা ও ৫৩০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ৯৮ সে.মি., ঘাঘট নদীর বিপদসীমার ৭৬ সে.মি. এবং করতোয়ার পানি বিপদসীমার ৪১ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকাসহ ৬টি ইউনিয়নে পানি ওঠায় লোকজন বিপাকে পড়েছে। অনেক এলাকার রাস্তাঘাট, জমিগুলোর আঁখ, পাটসহ বিভিন্ন ফসল বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net