ঢাকা   ০১:১৯:৫৯ এএম, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন মাগুরার শ্রীপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  চন্দনাইশে নানা আয়োজনে সাংসদ জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত চন্দনাইশে উপজেলা প্রশাসনের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা করলেন প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল মাটিরাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশী নিহত মাগুরায় ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত  আনোয়ারা আইডিয়াল স্কুলের পরিচালনা পর্ষদের সাথে, সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় শিক্ষা সফরের আনন্দ রূপ নিল বিভীষিকায়, প্রাণ হারালেন শিক্ষিকাসহ দুজন- আহত ৩০

সীমান্ত হত্যা বন্ধের আশ্বাস দেওয়া হয় কিন্তু ভারত সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয় না

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২০
  • ৫৮২ বার
  • ৫ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নিয়ম মাফিক বৈঠক হয়, সীমান্ত হত্যা বন্ধের আশ্বাস দেওয়া হয় কিন্তু ভারত সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয় না।

মীর আমির হোসেন আমু বলেন আজ দুঃখের সাথে বলতে হয় সীমান্তে বাংলাদেশির রক্তে রঞ্জিত।কিম্তু নিয়ম মাফিক বৈঠক হয়, সীমান্ত হত্যা বন্ধের আশ্বাস দেওয়া হয় কিন্তু ভারত সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয় না। বারবার বাংলাদেশি নাগরিকেরা রক্তে রঞ্জিত হচ্ছে।

২০১৯ সালে বিএসএফের হাতে মোট ৪৩ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৩৭ জনই গুলিতে নিহত হন। বাকি ৬ জন নির্যাতনে মারা যান। আগের বছর ২০১৮ সালে এ সংখ্যা ছিল ১৪ জন। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সংগ্রহ করা তথ্যে দেখা গেছে, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত সীমান্তে ২৫ জন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ২১ জনেরই মৃত্যু হয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফের সৈন্যদের গুলিতে। আর ৪ নির্যাতনে মৃত্যু বরণ করন।
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত প্রতিনিয়তই বাংলাদেশি নাগরিকের রক্তে রঞ্জিত হয়। সমঝোতা এবং চুক্তি লঙ্ঘন করে বিএসএফ সীমান্তে নিরস্ত্র বাংলাদেশিদের গুলি করে হত্যা করছে। অবৈধভাবে বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে, এমন ঘটনাও প্রায়ই ঘটছে। যা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের লঙ্ঘন।
আমরা সীমান্তে ভারতের এ ধরনের অমানবিক, নিষ্ঠুর আচরণের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।

একই সঙ্গে এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের কড়া প্রতিবাদের দাবি জানাচ্ছি।

বহুবার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর (বিএসএফ) যৌথ উদ্যোগে সীমান্ত হত্যা জিরো টলারেন্সে নামিয়ে আনার কথা বললেও তা সম্ভব হয়নি। বিশ্বের বহু দেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের সীমান্ত রয়েছে। তা কোথাও দীর্ঘ কোথাও সংক্ষিপ্ত। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ ছাড়াও চীন ও পাকিস্তানের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একই ধরনের সীমান্ত রয়েছে কানাডা ও মেক্সিকোর। এ ছাড়া রাশিয়ার সঙ্গে চীনের দীর্ঘ সীমান্ত বিদ্যমান। কিন্তু এসব সীমান্তে সীমান্তরক্ষী কর্তৃক কোনো মানুষ হত্যা দূরে থাক, একটি গুলি ছোড়ার ঘটনাও শোনা যায় না।

সীমান্তে পৌনঃপুনিক বাংলাদেশি হত্যার দায়ভার ভারত সরকারের। কারণ নির্দেশটা সেখান থেকেই আসছে। দেখামাত্রই গুলি এমন নির্দেশ অবশ্যই আছে, তাই বিএসএফ ন্যূনতম অপেক্ষা না করে এভাবে হত্যা করছে। বিএসএফের মতো একটা রেজিমেন্টেড বাহিনীর দায়িত্বই হলো অক্ষরে অক্ষরে নির্দেশ পালন করা। সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা বন্ধের ব্যাপারে আগের নির্দেশটি প্রত্যাহার করতে হবে। সেটা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত যত প্রতিশ্রুতিই দেওয়া হোক সীমান্ত হত্যা চলতেই থাকবে। অর্থাৎ সত্যিকারভাবে ভারতের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত না পাল্টালে সীমান্তে এভাবে বাংলাদেশের নাগরিক হত্যা বন্ধ হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি