1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মাগুরায় ধানবীজের তীব্র সংকট! দিশেহারা কৃষক - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
এলজিআরডি মন্ত্রীর সাথে সাইবার ইউজার দলের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ  নাঙ্গলকোটে ভূয়া বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে চিকিৎসা সেবা প্রদান : জনস্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি ২২ অবৈধ পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম চিহ্নিত করল বাংলাদেশ ব্যাংক ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ সাংবাদিকরা সাইবার সুরক্ষা আইনের শিকার হোক, সেটা আমরা চাই না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাগুরার মহম্মদপুরে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের  উদ্বোধন  ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবের বার্তা নিয়ে লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ স্বার্থ সংরক্ষণে জাতীয় পর্যায়ে কৃষকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির মৌডুবী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সমর্থন প্রত্যাশী যুবদল নেতা লিটু গাজী প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ার উদ্যোগ ‘রিলিফ’ বাস্তবায়ন করল জেসিআই ঢাকা ডায়নামিক

মাগুরায় ধানবীজের তীব্র সংকট! দিশেহারা কৃষক

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২০
  • ৭৮৩ বার

মোঃসাইফুল্লাহ: মাগুরায় মওসুমের শুরুতেই জেলার সর্বত্রই আমান ধান বীজের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।বি,এ,ডি,সির বীজ পাচ্ছেনা তার নির্ধারিত ডিলারদের দোকান ঘুরে ঘুরে। তাইতো আমন আবাদ নিয়ে দিশেহারা কৃষকেরা। যথাসময়ে বীজ তলা তৈরী বীজ তৈরীর শংকা দেখা দিয়েছে কৃষকদের মনে।কৃষকদের অভিযোগ ডিলাররা বেশি লাভের আশায় বীজধানের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে। ডিলাররা জানান যে পরিমান বীজধান তারা উত্তোলন করেছেন তা বিক্রি শেষ হয়েছে। এখন বি,এ,ডিসির কোনো বীজধান বাজারে নেই।ভুক্তভোগী অনেক কৃষকই জানান বি,এ,ডিসির ১০ কেজি বীজধানের বস্তা ৩০০ টাকায় বিক্রি করার কথা,কিন্তু তা বিক্রি হযেছে ৩৫০ টাকায়। বর্তমানে এ দামেও ডিলারদের কাছে তা পাওয়া যাচ্ছে না। বেসরকারি বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বীজধান প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০/৯০ টাকা দরে,তাও আবার ভেজাল। বীজতলা তৈরির উপযুক্ত সময় চলছে এখন, কিন্তু বীজধান সংগ্রহেই দিশেহারা হয়ে পড়েছে কৃষক। মাগুরা কৃষক সমিতির সভাপতি জানান গত বছরে ঝড় বৃষ্টির কারণে বেশির ভাগ কৃষকই ধানবীজ সংগ্রহ করতে পারেনি। তাই বেশির ভাগ কৃষকেরই বীজধান প্রয়োজন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জানান- এবছর জেলায় ৪৬ হাজার একর আবাদ যোগ্য জমিতে বীজ ধান প্রয়োজন ৪৩০ টন। বি,এ,ডিসি থেকে সর্বোচ্চ ৩০ ভাগ সংগ্রহ করা হলেও ৭০ ভাগ বীজধান কৃষক বাইরে থেকে তা চড়া দামে ক্রয় করছে।সিন্ডিকেট করে আমন ধানের বীজের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির কথা অস্বীকার করে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জানান- সরকারি ভাবে কৃষককে ন্যায্য মূল্যে বীজধান ক্রয়ের জন্য বি,এ,ডি,সি,র চাহিদার ৩০ ভাগ বীজধান সরবরাহ করে আসছ। এ বছর চাহিদা বাড়িয়ে ৪০ ভাগ করা হয়েছে, কিন্তু গতবারের ঘুর্নিঝড় বুলবুলের তান্ডবে অধিকাংশ ধানচিটা হয়ে যায়। যার ফলে মাগুরায় ৬৫ ভাগ কৃষক আমন বীজধান সংগ্রহ করতে পারেননি।তাই চাহিদা হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। ডিলারদের দাবি সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে এক শ্রেনির নিম্ন মানের মিশ্র জাতের বীজধান বাজার জাতের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এমতাবস্থায় যে কোনো মূল্যে সরকারের পক্ষ থেকে ভূর্তুকি দিয়ে হলেও ধানবীজের সংকট মোকাবেলা করে কৃষকের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা এখন সময়ের দাবি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net