1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মাগুরায় ধানবীজের তীব্র সংকট! দিশেহারা কৃষক - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
একদিন আগেই হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর : নারায়ণগঞ্জ ভূমি অফিসের অনিয়মে ক্ষুব্ধ ভূমি প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রামপুরে সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, আটক ৩  নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ডিবি পরিচয়ে ব্যাংক কর্মকর্তাকে গাড়িতে তুলে ১২ লাখ টাকা ছিনতাই  সোনারগাঁয়ে চৈতী কম্পোজিট কে পৌনে ১ কোটি টাকা জরিমানা জাতীয় নবম বেতন স্কেল ২০২৬ অনুমোদন, দুই বছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন ছাত্রদলের পদবঞ্চিত ও পদপ্রাপ্তদের সংঘর্ষ, আহত ২ শেরপুরে ৫০ লাখ টাকার চেক মামলায় ইদ্রিস কোম্পানির সাবিক ডিএমডির ১ বছরের কারাদন্ড বাসসের নেতৃত্বে কাদের গনি চৌধুরী, সিএমইউজের অভিনন্দন চোরাচালান, মাদক ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিজিবির প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাড়ৈখালিতে এতিম শিশুদের ওপর নির্যাতন: মিষ্টি জামালের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

মাগুরায় ধানবীজের তীব্র সংকট! দিশেহারা কৃষক

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২০
  • ৭৭৭ বার

মোঃসাইফুল্লাহ: মাগুরায় মওসুমের শুরুতেই জেলার সর্বত্রই আমান ধান বীজের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।বি,এ,ডি,সির বীজ পাচ্ছেনা তার নির্ধারিত ডিলারদের দোকান ঘুরে ঘুরে। তাইতো আমন আবাদ নিয়ে দিশেহারা কৃষকেরা। যথাসময়ে বীজ তলা তৈরী বীজ তৈরীর শংকা দেখা দিয়েছে কৃষকদের মনে।কৃষকদের অভিযোগ ডিলাররা বেশি লাভের আশায় বীজধানের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে। ডিলাররা জানান যে পরিমান বীজধান তারা উত্তোলন করেছেন তা বিক্রি শেষ হয়েছে। এখন বি,এ,ডিসির কোনো বীজধান বাজারে নেই।ভুক্তভোগী অনেক কৃষকই জানান বি,এ,ডিসির ১০ কেজি বীজধানের বস্তা ৩০০ টাকায় বিক্রি করার কথা,কিন্তু তা বিক্রি হযেছে ৩৫০ টাকায়। বর্তমানে এ দামেও ডিলারদের কাছে তা পাওয়া যাচ্ছে না। বেসরকারি বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বীজধান প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০/৯০ টাকা দরে,তাও আবার ভেজাল। বীজতলা তৈরির উপযুক্ত সময় চলছে এখন, কিন্তু বীজধান সংগ্রহেই দিশেহারা হয়ে পড়েছে কৃষক। মাগুরা কৃষক সমিতির সভাপতি জানান গত বছরে ঝড় বৃষ্টির কারণে বেশির ভাগ কৃষকই ধানবীজ সংগ্রহ করতে পারেনি। তাই বেশির ভাগ কৃষকেরই বীজধান প্রয়োজন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জানান- এবছর জেলায় ৪৬ হাজার একর আবাদ যোগ্য জমিতে বীজ ধান প্রয়োজন ৪৩০ টন। বি,এ,ডিসি থেকে সর্বোচ্চ ৩০ ভাগ সংগ্রহ করা হলেও ৭০ ভাগ বীজধান কৃষক বাইরে থেকে তা চড়া দামে ক্রয় করছে।সিন্ডিকেট করে আমন ধানের বীজের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির কথা অস্বীকার করে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জানান- সরকারি ভাবে কৃষককে ন্যায্য মূল্যে বীজধান ক্রয়ের জন্য বি,এ,ডি,সি,র চাহিদার ৩০ ভাগ বীজধান সরবরাহ করে আসছ। এ বছর চাহিদা বাড়িয়ে ৪০ ভাগ করা হয়েছে, কিন্তু গতবারের ঘুর্নিঝড় বুলবুলের তান্ডবে অধিকাংশ ধানচিটা হয়ে যায়। যার ফলে মাগুরায় ৬৫ ভাগ কৃষক আমন বীজধান সংগ্রহ করতে পারেননি।তাই চাহিদা হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। ডিলারদের দাবি সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে এক শ্রেনির নিম্ন মানের মিশ্র জাতের বীজধান বাজার জাতের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এমতাবস্থায় যে কোনো মূল্যে সরকারের পক্ষ থেকে ভূর্তুকি দিয়ে হলেও ধানবীজের সংকট মোকাবেলা করে কৃষকের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা এখন সময়ের দাবি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net