ঢাকা   ০৯:০১:২৫ পিএম, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে ৪,০৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী মনোহরগঞ্জে টিনের বেড়া দিয়ে রাস্তা বন্ধ,অবরুদ্ধ চার পরিবার! সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ মাগুরায় শাকের হত্যা ও স্বর্ণ ডাকাতি ঘটনায় ১১জন গ্রেপ্তার, প্রেস ব্রিফিং এ পুলিশ সুপার কুমিল্লায় নিখোঁজ ভারতীয় শিক্ষার্থীর মরদেহ মিলল পুকুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে বিশেষ স্মারক ডাক টিকেট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রীর মাগুরায় শাকের হত্যা এবং স্বর্ণ ডাকাতি মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক গোলাম জাহিদ গ্রেফতার যুব উন্নয়ন থেকে সফল আত্মকর্মী’র সম্মাননা পেলেন সুবর্ণা চৌধুরী মিরপুরে সংঘর্ষের পর যান চলাচল স্বাভাবিক আশুলিয়ায় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা, আহত ৫০ পুলিশ সদস্য আব্দুল হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মোঃ জুলহাস

মাগুরায় ধানবীজের তীব্র সংকট! দিশেহারা কৃষক

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২০
  • ৮০৪ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

মোঃসাইফুল্লাহ: মাগুরায় মওসুমের শুরুতেই জেলার সর্বত্রই আমান ধান বীজের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।বি,এ,ডি,সির বীজ পাচ্ছেনা তার নির্ধারিত ডিলারদের দোকান ঘুরে ঘুরে। তাইতো আমন আবাদ নিয়ে দিশেহারা কৃষকেরা। যথাসময়ে বীজ তলা তৈরী বীজ তৈরীর শংকা দেখা দিয়েছে কৃষকদের মনে।কৃষকদের অভিযোগ ডিলাররা বেশি লাভের আশায় বীজধানের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে। ডিলাররা জানান যে পরিমান বীজধান তারা উত্তোলন করেছেন তা বিক্রি শেষ হয়েছে। এখন বি,এ,ডিসির কোনো বীজধান বাজারে নেই।ভুক্তভোগী অনেক কৃষকই জানান বি,এ,ডিসির ১০ কেজি বীজধানের বস্তা ৩০০ টাকায় বিক্রি করার কথা,কিন্তু তা বিক্রি হযেছে ৩৫০ টাকায়। বর্তমানে এ দামেও ডিলারদের কাছে তা পাওয়া যাচ্ছে না। বেসরকারি বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বীজধান প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০/৯০ টাকা দরে,তাও আবার ভেজাল। বীজতলা তৈরির উপযুক্ত সময় চলছে এখন, কিন্তু বীজধান সংগ্রহেই দিশেহারা হয়ে পড়েছে কৃষক। মাগুরা কৃষক সমিতির সভাপতি জানান গত বছরে ঝড় বৃষ্টির কারণে বেশির ভাগ কৃষকই ধানবীজ সংগ্রহ করতে পারেনি। তাই বেশির ভাগ কৃষকেরই বীজধান প্রয়োজন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জানান- এবছর জেলায় ৪৬ হাজার একর আবাদ যোগ্য জমিতে বীজ ধান প্রয়োজন ৪৩০ টন। বি,এ,ডিসি থেকে সর্বোচ্চ ৩০ ভাগ সংগ্রহ করা হলেও ৭০ ভাগ বীজধান কৃষক বাইরে থেকে তা চড়া দামে ক্রয় করছে।সিন্ডিকেট করে আমন ধানের বীজের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির কথা অস্বীকার করে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জানান- সরকারি ভাবে কৃষককে ন্যায্য মূল্যে বীজধান ক্রয়ের জন্য বি,এ,ডি,সি,র চাহিদার ৩০ ভাগ বীজধান সরবরাহ করে আসছ। এ বছর চাহিদা বাড়িয়ে ৪০ ভাগ করা হয়েছে, কিন্তু গতবারের ঘুর্নিঝড় বুলবুলের তান্ডবে অধিকাংশ ধানচিটা হয়ে যায়। যার ফলে মাগুরায় ৬৫ ভাগ কৃষক আমন বীজধান সংগ্রহ করতে পারেননি।তাই চাহিদা হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। ডিলারদের দাবি সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে এক শ্রেনির নিম্ন মানের মিশ্র জাতের বীজধান বাজার জাতের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এমতাবস্থায় যে কোনো মূল্যে সরকারের পক্ষ থেকে ভূর্তুকি দিয়ে হলেও ধানবীজের সংকট মোকাবেলা করে কৃষকের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা এখন সময়ের দাবি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি