1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
নৈতিক শিক্ষা না দিয়ে ক্যারিয়ারের পিছনে দৌড়ালে যা হয়, বৃদ্ধাশ্রমবাসী জাবি অধ্যাপকের করুন কাহিনী - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
একদিন আগেই হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর : নারায়ণগঞ্জ ভূমি অফিসের অনিয়মে ক্ষুব্ধ ভূমি প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রামপুরে সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, আটক ৩  নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ডিবি পরিচয়ে ব্যাংক কর্মকর্তাকে গাড়িতে তুলে ১২ লাখ টাকা ছিনতাই  সোনারগাঁয়ে চৈতী কম্পোজিট কে পৌনে ১ কোটি টাকা জরিমানা জাতীয় নবম বেতন স্কেল ২০২৬ অনুমোদন, দুই বছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন ছাত্রদলের পদবঞ্চিত ও পদপ্রাপ্তদের সংঘর্ষ, আহত ২ শেরপুরে ৫০ লাখ টাকার চেক মামলায় ইদ্রিস কোম্পানির সাবিক ডিএমডির ১ বছরের কারাদন্ড বাসসের নেতৃত্বে কাদের গনি চৌধুরী, সিএমইউজের অভিনন্দন চোরাচালান, মাদক ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিজিবির প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাড়ৈখালিতে এতিম শিশুদের ওপর নির্যাতন: মিষ্টি জামালের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

নৈতিক শিক্ষা না দিয়ে ক্যারিয়ারের পিছনে দৌড়ালে যা হয়, বৃদ্ধাশ্রমবাসী জাবি অধ্যাপকের করুন কাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদক

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২০
  • ৭৩৫ বার

তিন সন্তানের মধ্যে মেয়ে সবার বড়, নাম রেজিনা ইয়াসিন, আমেরিকা প্রবাসী।
বড় ছেলে উইং কমান্ডার (অব.) ইফতেখার হাসান।
ছোট ছেলে রাকিব ইফতেখার হাসান অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী।
. জীবনে এত কিছু থাকার পরও আজ তার দু’চোখে অন্ধকার। থাকেন আগারগাঁও প্রবীণ নিবাসে।

দীর্ঘ ১৭ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন সুনামের সঙ্গে। ২০০৬ সালে অবসর নেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক (অব.) ড. এম আব্দুল আউয়াল (৭০)। অবসরের পর কিছুদিন ভালোই চলছিল তার। অধ্যাপক আব্দুল আউয়ালের সংসারে দুই ছেলে, এক মেয়ে।

আব্দুল আউয়াল জানান, শিক্ষকতার আগে ১৯৬৫-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ এটমিক এনার্জিতে চাকরি করেছি। এরপর শিক্ষকতা। জীবনে অনেক টাকা-পয়সা উপার্জন করেছি। ২০০৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নিয়েছি। এর পর ছেলে-মেয়েরা আমার খোঁজখবর নেওয়া বন্ধ করে দেয়।

কল্যাণপুর হাউজিং এস্টেটে নিজের ফ্ল্যাট ছিল আব্দুল আউয়ালের। এছাড়া পল্লবীতেও বেশ কিছু জমি ছিল। কিন্তু এসব বড় ছেলে কৌশলে বিক্রি করে টাকা পয়সা নিজের অ্যাকাউন্টে জমা করেছেন, আক্ষেপ করেই বলেন অধ্যাপক আউয়াল।

তিনি বলেন, ওরা আমাকে এতো কষ্ট দেয় কেন। আমাকে নিয়ে এতো ছলচাতুরি করে কেন? বলতে বলতে ডুকরে কেঁদে উঠেন অধ্যাপক। তিনি বলেন, আমি কি এই জন্য এতো কষ্ট করে ওদের মানুষ করেছিলাম?

অধ্যাপক আউয়াল বলেন, চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর কিছু দিন বড় ছেলের সঙ্গেই থাকতাম। ছেলের সংসারে থাকার সময় জানতে পারি ছেলে ও বউয়ের মধ্যে সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না। একদিন বাসায় থাকা অবস্থায় বউয়ের মুখে গালি শুনে বাসা থেকে নেমে আসি। আর ফিরে যাইনি। ওরাও কেউ খোঁজ নেয়নি। ছোট ছেলে অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে আসে ২০১৪ সালে। এসে মিরপুর-১ নম্বরে একটি দোকানে আমার সঙ্গে দেখা করে কথা বলে। সেখানে গেলে আমাকে জানায় তার বিয়ে ঠিক হয়েছে। আমি ওর বাবা অথচ আমাকে জানালও না যে বিয়ে করতে যাচ্ছে। বিয়ে করে আবার চলে যাবে, একথা শুনে ছেলের বউকে দেখতে চান তিনি। কিন্তু তার সাথে দেখা করা যাবে না বলে জানায় ছেলে।

এ অধ্যাপক আফসোসের সুরে বলছিলেন, অথচ এই ছেলের পড়ালেখার জন্যও পেনশনের টাকা থেকে ২৬ লাখ পাঠিয়েছি। সেই ছেলেও আমাকে কোনো দিন ফোন করে না। মাঝে মাঝে ইমেইলে চিঠি লেখে।

অতি উচ্চ শিক্ষিত হতে গিয়ে আমরা দিন দিন আরও অমানুষ হয়ে যাচ্ছি। অথচ অনেক গরিব,মূর্খ আছে যারা বাবা মাকে নিয়েই একসাথে থাকে। তাহলে তারা কি আমাদের মতো মুখোশধারী শিক্ষিতের চেয়ে ভালো নয়??? তাই উচ্চ শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা ও মানুষ্যত্ব টা ও সবার শিক্ষাগ্রহন করা উচিৎ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net