1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
আলু চাষে শিক্ষার্থীর সাফল্য - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
গুম-খুন-বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার ব্যক্তিদের জন্য অধিদপ্তর হচ্ছে চান্দগাঁও মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন এমপি এরশাদ উল্লাহ রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে দরগাহ মাজার জাতীয় সমন্বয় কমিটির অভিনন্দন! আগামী দিনে সমাজের নেতৃত্ব শিক্ষার্থীদের দিতে হবে: এশরাদ উল্লাহ নবীগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে প্রধান শিক্ষকের কোচিং ও পরীক্ষার ফি আদায়  মাগুরায় মাদক সেবনের অপরাধে নিতাই সরকারকে ৩ মাসের কারাদন্ড প্রদান পুঁজিবাজারে সূচকের বড় পতন সততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পিংক বাসে ই-টিকিটিং চালু, যেভাবে টিকিট কাটবেন সমাজকে ধ্বংস করে দেয় যে ৪ গুনাহ

আলু চাষে শিক্ষার্থীর সাফল্য

তন্ময় আলমগীর, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ, ২০২১
  • ৪২৩ বার

বয়স মাত্র সতেরো। নাম ফাজায়েল আলম। কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর সরকারি মডেল পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষের ছাত্র। করোনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বন্ধু ও সহপাঠীরা যখন অলস সময় কাটাচ্ছে, তখন আলু চাষে মনোযোগী হয়ে দারুণ সাফল্য দেখিয়েছে সে।

করোনার সময়টা কাজে লাগানোর জন্য সে তার বড় ভাইদের কাছে কৃষিকাজে সম্পৃক্ত হওয়ার ইচ্ছে পোষণ করে। বড় ভাইয়েরা আলু চাষের জন্য তাকে তিন একর জমি বরাদ্দ দেন। জমিতে বারি আলু-২৫ (এসটেরিক্স) চাষ করে ফাজায়েল। ফলনও হয়েছে বাম্পার। সেই আলু থেকে চলতি মৌসুমে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা আয়ের প্রত্যাশা করছে এই কিশোর। এমন সাফল্যে ফাজায়েল ও তার পরিবারের সদস্যরা ভীষণ খুশি।

সরেজমিনে দেখা যায়, ফাজায়েল অন্যদের নিয়ে জমি থেকে আলু তোলার কাজ করছে। এ সময় ফাজায়েল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি একর জমিতে আলু চাষে খরচ হয়েছে ৯০ হাজার টাকা। তিন একরে খরচ পড়েছে প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা। প্রতি একর জমির আলু ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা বিক্রি করা সম্ভব। সে হিসাবে সাড়ে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার আলু বিক্রি আশা করা হচ্ছে। আর এতে আয় হবে প্রায় আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা।

স্থানীয় কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, হোসেনপুর চর এলাকা হওয়ায় এখানে আলু চাষ ভালো হয়। এবার উপজেলায় ৩৭০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকার পাশাপাশি কৃষি বিভাগের নিয়মিত তদারকি ও কৃষকদের পরামর্শ দেওয়ায় আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এবার উপজেলায় ২৫ থেকে ৩০ মেট্রিক টন আলুর ফলন হবে, যার বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।

হোসেনপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরুল কায়েস বলেন, কলেজছাত্র ফাজায়েলকে হোসেনপুরের কৃষিতে মডেল বলা চলে। আলু চাষ করে সে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এটা অন্য যুবকদের জন্য উদাহরণ হতে পারে। পড়া শেষ করে শুধু চাকরির পেছনে দৌড়ে বেকার সময় না কাটিয়ে পৈতৃক জমি বা অন্যের জমি পত্তন নিয়ে ফাজায়েলের মতো কৃষিতে অনেকেই এ রকম সফলতা অর্জন করতে পারে। এতে দেশে বেকার সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি আর্থিক সমৃদ্ধিও আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net