1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
হিজড়াদের অতিষ্ঠ লাকসামবাসী নাজেহাল করছে পথচারীদের - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
৫ই সেপ্টেম্বরের লংমার্চ সফল করতে নোয়াখালী শহর জামায়াতের উদ্যোগে স্বাগত মিছিল  টানা ৪০ দিন মসজিদে নামাজ আদায়: শিশুদের হাতে পুরস্কার হিসেবে সাইকেল তুলে দিল  চন্দনাইশে পুকুরের পানিতে ডুবে আদিবা রহমান মারা যায় মাগুরায় নানা আয়োজনে জন্মাষ্টমী পালন কোম্পানীগঞ্জে শহীদ আমান উল্যাহ ফারুকের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া  কানাডার বিনিয়োগকারীদের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের আহ্বান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের ৫ সেপ্টেম্বর লংমার্চ: সোনারগাঁয়ে চার স্পট পরিদর্শন প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন ফেনীতে কাভার্ড ভ্যানের পেছনে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করছেন ট্রাম্প, চলছে ২০২৭ সালের প্রস্তুতি বাড়বে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ফ্লাইট, সহজ হবে ভিসা

হিজড়াদের অতিষ্ঠ লাকসামবাসী নাজেহাল করছে পথচারীদের

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ, ২০২১
  • ৩৩৬ বার

এম, এ মান্নান কুমিল্লা বিশেষ প্রতিনিধি ঃ
হিজড়ারা টাকা তোলা নতুন কিছু নয়। আগে মানুষ যা দিত, তা নিয়েই খুশি থাকত হিজড়ারা। কিন্তু ইদানীং তাদের আচরণ বদলে গেছে। রাস্তাঘাট, বাসাবাড়ি, দোকানপাট যেখানে-সেখানে টাকার জন্য মানুষকে নাজেহাল করছে তারা।এছাড়া গায়ে হলুদ, জন্মদিন, আকিকাসহ সামাজিক নানা আচার অনুষ্ঠানে হঠাৎ এরা হাজির হয়ে চাঁদাবাজি করছেন।হিজড়াদের কেউ কেউ অভিযোগ করছে, উপজেলায় অনেক ‘নকল’ হিজড়া আছে, যাদের মূল উদ্দেশ্য মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিনা পরিশ্রমে অর্থ উপার্জন করা। তাদের সঙ্গে তর্ক করলে যাত্রীদের আরও বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়।
গতকাল মঙ্গলবার দেখা যায়, হিজড়াদের একটি দল দৌলতগুন্জ বাজারে নোয়াখালী রেল গেট মোড়ের চতুর্দিকে সিগন্যাল পড়লেই দৌড়ে এসে যানবাহনে থাকা যাত্রীদের কাছে টাকা দাবি করছে, না দিলে যাত্রীদের অশ্লীল ভাষায় গালাগাল দিচ্ছে। পথে চলাচলকারী একটি বাসে উঠে পড়ে কয়েজন হিজড়া। প্রত্যেক যাত্রীর কাছে গিয়ে টাকা চাইতে থাকে। কেউ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলেই গায়ে হাত দিচ্ছিল, আজেবাজে কথা বলছিল। তারা বাস থেকে নেমে যেতেই একাধিক যাত্রী বললেন, হিজড়াদের টাকা আদায় এখন রীতিমতো উৎপাতে পরিণত হয়েছে। হিজড়াদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারের এখনই ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। লাকসামে ভাসমান হিজড়াদের তৎপরতা ব্যাপক হারে বেড়েছে। ভিক্ষুকদের চাহিদার পরিমাণ না থাকলেও যারা হিজড়া তারা দলবেঁধে কিংবা দুই-তিনজনে গ্রুপ করে শহরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে হাজির হচ্ছে। উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, লাকসাম উপজেলায় হিজড়াদের সংখ্যা প্রায় ১৪ জন। যাদের বেশিরভাগই উপজেলার বাইরের বলে জানা যায়। কাপড় ব্যবসায়ী সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন জানান, করোনার কারণে এমনিতেই ব্যবসা বাণিজ্য খারাপ যাচ্ছে সেখানে হিজড়াদের দাবিকৃত চাঁদা দিতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে বেচা-বিক্রি হোক বা না হোক, ক্যাশে টাকা থাকুক বা না থাকুক, হিজড়াদের দাবিকৃত চাঁদা থেকে নিস্তার নেই। সমাজ সেবক এডভোকেট রফিকুল ইসলাম হিরা জানান,হিজড়াদের বেঁচে থাকার অধিকার আছে। আর বেঁচে থাকতে হলে খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসার প্রয়োজন আছে। তবে তাদের মনগড়া দাবি বেদনাদায়ক। মাসুম বার্দাসের মালিক ইব্রাহিম মিয়া বলেন, অত্যন্ত আপত্তিকরভাবে তারা হাটে-ঘাটে, বাসা-বাড়িতে চাঁদা তুলে থাকে। সরকার এবং বিভিন্ন এনজিও হিজড়াদের নিয়ে কাজ করছে। তারপরও কেন তারা সাপ্তাহিক, মাসিক চাঁদা ওঠাচ্ছে বুঝতে পারছি না। উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। হিজড়াদের উৎপাতে লাকসামবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net