1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
লালমনিরহাটে করলা আবাদে কৃষকরা লাভবান - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
গোলাপাহাড় মহাশ্মশান ও মন্দিরে ৪ পদে নতুন নেতৃত্ব, সভাপতি আর.কে. দাশ রুপু, সম্পাদক রুবেল দে নোয়াখালী স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে রক্তাক্ত করার অভিযোগে হাতিয়া যুবদল আহ্বায়ককে শোকজ ১ মাসে ৬ ডাকাতি সংগঠিত চন্দনাইশ হাশিমপুর বৌদ্ধ বিহারে ডাকাতি কর্ণফুলী প্রেস ক্লাব ও দৌলতপুর সমাজ কল্যাণ পরিষদের মতবিনিময় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের চরকাঁকড়া ইউনিয়নে ১কেজি ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ ৩ জন আটক  সামাজিক শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় রাসূল( সঃ) এর আর্দশের কোনো বিকল্প নেই – মাগুরার সেমিনারে ড, রফিকুল ইসলাম প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ফেনীতে নিহত যুবদল নেতা ও কুমিল্লায় ক্ষতিগ্রস্ত ১ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি উপহার মাগুরা-শ্রীপুর বিএনপি পরিবারের সাধারণ সভা ও কমিটি গঠন

লালমনিরহাটে করলা আবাদে কৃষকরা লাভবান

লাভলু শেখ, স্টাফ রিপোর্টার লালমনিরহাট

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০২১
  • ৪১৪ বার

লালমনিরহাটে এবার ব্যাপক হারে দেশী ও হাইব্রিড জাতের করলা চাষ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় করলা আবাদে ভালো ফলন পেয়েছেন কৃষকরা। একই সঙ্গে তারা বাজারে সবজিটির কাঙ্খিত দামে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
লালমনিরহাটে এবার উৎপাদিত করলা বাজারে উঠছে মাস দুয়েক আগে থেকেই।

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, এবার জেলায় গ্রীষ্মকালীন করলার বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় ও অর্থকরী হওয়ায় সবজিটি আবাদ করে জেলার বহু কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে। ফলে দিন দিন করলা চাষে বাড়ছে আগ্রহী কৃষকের সংখ্যা।
লালমনিরহাট সদর উপজেলার কোদালখাতা গ্রামের করলা চাষী সাইফুল ইসলাম, তিনি তার ১বিঘা জমিতে ৩বছর ধরে দেশি ও হাইব্রিড জাতের করলা চাষ করছেন। এবার বীজ, মাচা তৈরি ও শ্রমিকের মজুরিসহ তার প্রতি বিঘায় খরচ হয়েছে ২৫হাজার টাকা।

লালমনিরহাট সদর উপজেলার ফুলগাছ গ্রামের করলা চাষীরা জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও করলার বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে ১শত মণ থেকে ১শত ২০মণ করলা উত্তোলন করা সম্ভব হচ্ছে। বর্তমান দরে করলা বিক্রি করতে পারলে খরচ বাদে প্রতি বিঘা ৪০হাজার থেকে ৫০হাজার টাকা লাভের আশা করছেন।
আরও বেশ কয়েকজন চাষী জানান, করলার রোগবালাই খুবই কম। কোনো কোনো সময় বৈরী আবহাওয়ার কারণে গাছ শুকিয়ে যায় কিংবা পচন ধরে। তবে কৃষি বিভাগের পরামর্শে রোগ বুঝে ঔষুধ প্রয়োগ করলে সুফল পাওয়া যায়।
গোশালা বাজারের আড়তদার জানান, কৃষকরা করলা নিয়ে এলে আমরা তা অন্য জেলার বেপারিদের কাছে বিক্রি করে দেই।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুলতান সেলিম জানান, লালমনিরহাট কৃষি প্রধান জেলা। এ এলাকায় ধান ও ভূট্টার পাশাপাশি প্রায় সব ধরনের সবজির চাষ হয়। বরাবরের মতো এবারো করলা চাষ করে জেলার কৃষকরা ভালো লাভ করেছেন। ফলনও খুব ভালো হয়েছে। দিন দিন জেলায় করলার চাষ বাড়ছে। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের এ বিষয়ে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net