ঢাকা   ১০:১৩:০৪ পিএম, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
চার দিনের সফর শেষে টোকিও ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী কুমিল্লায় বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতির ৫৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মাগুরার বিনোদপুরে ১০ম বার্ষিক তাফসীরুল কুরআন মাহফিল ও ইছালে সওয়াব অনুষ্ঠিত মাগুরায় হত্যা মামলায় সাবেক ওসি বিপ্লব কুমার নাথ ও এসআই ইসমাইল কারাগারে খাদ্যের উন্নত মান ও স্বাদে আস্থার নাম ‘সাদিয়া’স কিচেন’ প্রদৃপ্ত প্রকল্পের, ৯০ জেলের মাঝে সুরক্ষা উপকরণ বিতরণ নাঙ্গলকোটের মক্রবপুরে বিএনপি’র দুই পক্ষের বিরোধ প্রকাশ্যে; যুবদলের মিছিলে হামলা,আহত-৯ এনসিপির শিল্প, বাণিজ্য, অর্থ ও পরিকল্পনা উপ-কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন চৌদ্দগ্রামের কাজী ফখরুল ইসলাম আহ্ছানিয়া মিশনের উদ্যোগে রংধনু ইউসিএলসিতে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ–২০২৬ উদযাপন মাগুরার শ্রীপুরে জাতীয় শিশু-কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

কক্সবাজারের পানে ছুটছে রেল

কক্সবাজার প্রতিনিধি।

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১
  • ৪০১ বার
  • ৫ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

করোনা মহামারির প্রথম দিকে এই প্রকল্পের কাজ কিছুটা ধীরগতিতে হলেও এখন পুরোদমে এগিয়ে চলছে।

দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পের রামু পানির ছড়া পর্যন্ত দৃশ্যমান প্রায় দুই কিলোমিটার। যা এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। ব্রিজ, কালভার্ট, আইকনিক স্টেশন, কিছু কিছু অংশে রেল ট্র্যাক বসানোর কাজও শুরু হয়েছে।

চলমান লকডাউনে কক্সবাজার অনেকটা থমকে দাঁড়ালেও চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে রামু হয়ে ঘুমধুম পর্যন্ত প্রায় ১৮৮ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণের কাজ চলমান আছে।

আগামী বছরের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে লাইনের পাশাপাশি নির্মাণ করা হচ্ছে ছোট-বড় সেতু, কালভার্ট, লেভেল ক্রসিং, হাইওয়ে ক্রসিং ও দৃষ্টিনন্দন ৯টি স্টেশন।

২০১১ সালের ৩ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই রেললাইন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর কাজ শুরু করতে গিয়ে পড়তে হয় নানা জটিলতায়। তবে সাত বছর পর ২০১৮ সালে শুরু হয় মাঠপর্যায়ের কাজ।

এরই মধ্যে অবকাঠামো নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে প্রায় ৫৬ ভাগ।
প্রথমে এই প্রকল্পের ব্যয় হবে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি টাকা।
প্রথম পর্যায়ে দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত প্রায় ১০১ কিলোমিটার লাইন নির্মাণ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে।

দ্বিতীয় পর্যায়ে রামু থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের জন্য আরও ৩৫০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।
রেলওয়ে প্রকল্পের কনস্ট্রাকশন ম্যানেজার ইকবাল হোসেন বলেন, ‘করোনা মহামারির প্রথম দিকে এই প্রকল্পের কাজ কিছুটা ধীরগতিতে হলেও এখন পুরোদমে এগিয়ে চলছে।

দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পের রামু পানির ছড়া পর্যন্ত দৃশ্যমান প্রায় দুই কিলোমিটার। যা এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। ব্রিজ, কালভার্ট, আইকনিক স্টেশন, কিছু কিছু অংশে রেল ট্র্যাক বসানোর কাজও শুরু হয়েছে।

কক্সবাজার নাগরিক আন্দোলনের সদস্য সচিব এইচ এম নজরুল ইসলাম বলেন, কক্সবাজারে ১৫টি মেগা প্রকল্পের কাজ চলছে। এর মধ্যে অন্যতম এই রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প। এটি বাস্তবায়ন হলে ছয় লাখ মানুষ স্বল্প সময়ে কক্সবাজারে যাওয়া-আসা করতে পারবে। আর কক্সবাজারবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূর্ণ হবে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মামুনুর রশিদ বলেন, ‘ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ে করিডরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন ও পর্যটন শহর কক্সবাজারকে রেল যোগাযোগের আওতায় আনার লক্ষ্যে প্রকল্পের কাজ দ্রুত চলছে। পূর্বনির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই এই রেলপথ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি