1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
রাসায়নিক সারের পরিবর্তে জৈব সারে ঝিঙে চাষ জনপ্রিয় - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : মীর হেলাল চন্দনাইশে কারিতাস বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ১,২৮০ বন্যার্ত পরিবার পেল নগদ সহায়তা, হাইজিন কিট ও ত্রাণ” চন্দনাইশের বরমায় ৩ হাজার ৫০০ বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে আবদুর রহিম চৌধুরী ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ জুলাই-আগস্টের শহীদদের স্মরণে ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল আল-মুঈন ত্রাণ তহবিল কর্তৃক বন্যাদুর্গতদের নগদ অর্থ বিতরণ কিশোরগঞ্জে ৭ম শ্রেণীর স্কুলছাত্রী অপহরণ, সপ্তাহ পরেও হয়নি উদ্ধার মাগুরায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা  শুরু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২২ কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক উধাও, থানায় অভিযোগ সোনারগাঁয়ে কুপিয়ে হত্যা: বিএনপি নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ চকবাজার থানা কমিটি কর্তৃক সাইবার ইউজার দলের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গুজব/তথ্য সন্ত্রাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

রাসায়নিক সারের পরিবর্তে জৈব সারে ঝিঙে চাষ জনপ্রিয়

লাভলু শেখ, স্টাফ রিপোর্টার লালমনিরহাট

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৪৮ বার

লালমনিরহাটে রাসায়নিক সারের পরিবতে জৈব সার প্রয়োগে সহজ ও সুলভ সবজি ঝিঙে চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কৃষকরা জানান, ঝিঙে দু’-রকমের হয়ে থাকে। তেতো ও মিষ্টি। ফলে ক্রেতামহলে এর চাহিদা রয়েছে। এবার জৈব সারে খাদ্যগুণে ভরা সতেজ ঝিঙে চাষে কৃষকরা উৎসাহিত হয়েছেন।

লালমনিরহাট জেলার ৫টি উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভার বিভিন্ন কৃষি জমিতে প্রচুর ঝিঙে চাষ করা হয়েছে। রাসায়নিক সারের পরিবর্তে আদর্শ জৈব সারে ঝিঙের মতো এ মৌসুমের সুস্বাদু সবজি উৎপাদন করে রীতিমতো চমকে দিয়েছেন জেলার কৃষকরা।

জানা গেছে, এ মৌসুমে ঝিঙের চাহিদা রীতিমতো তুঙ্গে। এক বিঘা জমিতে আদর্শ জৈব সারে এই সবজি উৎপাদন করতে খরচও কম হয়।লতানো জাতীয় সবজী চাষ করা হয় এমন জমিই ঝিঙে চাষের জন্য আদর্শ। ১বিঘা জমিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে জৈব সার প্রয়োজন হয়। ৩০দিন হতে ৩৫দিনের মধ্যে ঝিঙে গাছে ফুল আসতে শুরু করে। ফুল আসার ৭দিন হতে ৮দিনের মধ্যে ফল ধরা শুরু হয়। ঝিঙে গাছে পোকার উপদ্রব দমন করতে ১বিঘা জমির ৪টি জায়গায় ‘আলোর ফাঁদ’ অর্থাৎ ফল ছিদ্রকারী পোকা আকৃষ্ট করতে ফাঁদ বসাতে হয়। তাতে পোকা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।

হাট ও বাজারে প্রতি কেজি ঝিঙে বিক্রি হচ্ছে ৪০টাকা কেজি দরে। আর পাইকারি হিসেবে প্রতি কেজি ঝিঙে ৩০টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
কোদালখাতা গ্রামের কমল কান্তি বর্মণ জানান,আমাদের গ্রামে প্রতিটি বাড়িতেই কম আর বেশি ঝিঙে চাষ করা হয়ে থাকে। এতে করে নিজের চাহিদা মিটিয়ে বাড়তি ঝিঙে বাজারে বিক্রি করে দৈনিক আয়ও হয়।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুলতান সেলিম জানান, রাসায়নিক সারের পরিবর্তে জৈব সারে ঝিঙে চাষ ভালো হয়ে থাকে। তাই এ বিষয়ে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। এ জৈব সার প্রয়োগ করে কৃষকরা সুফল পেয়েছেন।

খাদ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ঝিঙের উপকার অনেক। কুষ্ঠ ও অর্শ রোগে ভীষণ উপকারী। তেতো ঝিঙে বেটে শরীরের ফোলা অংশে প্রলেপ লাগালে দ্রুত ফোলা কমে যায়। কৃমি, কফ প্রভৃতি রোগেও ঝিঙের ব্যবহারে উপকার পাওয়া যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net