1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
সরকার লকডাউন তুলে দিন পেটের জ্বালায় আর বাঁচিনা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
কুমিল্লায় কুটুমবাড়ি রেস্টুরেন্ট এন্ড বিরিয়ানীর নতুন শাখার যাত্রা চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে ২ আসামী গ্রেফতার মাগুরায় রয়েল ফ্যাশন শো-রুমের উদ্বোধন করলেন জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় এনামুল হক বিজয়   উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠছে এআই : চবি উপাচার্য কোম্পানীগঞ্জে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত  আঞ্চলিক গণমাধ্যমের বৈষম্য দূর করার আহ্বান – দৈনিক ‘আমাদের চট্টগ্রাম’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বক্তারা জেসিআই ঢাকা ডাইনামিকের সহ-আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘৩য় সামার স্পিড স্কেটিং ম্যারাথন–২০২৬’ রাজশাহীতে গভীর রাতে মাদক কারবারি ও সাংবাদিকের বৈঠক, ভিডিও ভাইরাল মাগুরায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দ্বি- বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত   মাগুরায় ২ দিনব্যাপী জামায়াতের বাছাইকৃত কর্মীদের শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত 

সরকার লকডাউন তুলে দিন পেটের জ্বালায় আর বাঁচিনা

আমিনুল হক বিশেষ প্রতিনিধি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৬৩ বার

একের পর এক লকডাউনে মধ্যবৃও ও নিম্নবৃও মানুষদের দুঃখ ও কষ্ট দিনের পর দিন বেড়েই যাচ্ছে। ২য় কঠোর সাতদিনের টানা লকডাউনে দিনমজুর, রিকশাচালক ও দিন এনে দিন খাওয়া লোকদের কষ্টের পরিমান বেড়েই চলছে। আজ সকালে অনেক দিনমুজুররা রোজা রেখে কাজের আশায় খুব সকাল ৭টা বা ৮টায় কান্দিরপাড় মোড়ে এসে ভীড় জমায় প্রতিদিনের মতোই। কিন্তুু,২য় লকডাউন ১ম লকডাউনের চেয়ে অনেক অংশে কঠোর হওয়ায় সব দিনমুজুরদের কে ফিরতে হয় খালি হাতে।লকডাউন কঠোর হওয়ায় কেউ কোন কাজের জন্য তাঁদের নিয়ে যেতে আসেনি বা তাঁরা কাজ পাননি।

প্রায় সকল দিনমুজুররা চলে গেলে ও কিছু কিছু দিনমুজুর কষ্টে আকুতি ও কান্না শুরু করে দেয়। এমন তাই দেখা মিলল কুমিল্লা জেলা শহরের কুমিল্লার প্রাণ কেন্দ্র কান্দিরপাড় এলাকায় দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষের গুঞ্জন ও রাহাজানি।

সকালে কাজ করতে এসে কান্দির পাড় দুপুর বেলা ১২.৩০ এ তাঁরা এমন আকুতি করে কাঁদতে থাকে দেখা মিলে কয়েকজন দিন মজুর শ্রমিক তারা কান্না করছে আর বলছে,
আজ কোন কাজ পায়নি।আজ কয়েকদিন ধরে কাজ তেমনটা নেই, এখন লকডাউনে কেউ কাজে নিচ্ছে না আমরা দিন ইনকাম করে। এখন যদি আমরা কাজ করতে না পারি তাহলে আমাদের না খেয়ে মরতে হবে।
এই মহামারী করোনাভাইরাস আমাদের শুধু দুঃখই দিতে এসেছে আমরা এখন কী করবো। কোন জায়গায় যাব কি করে খাব।আমাদের তো সরকারি চাকরির মতো বেতন নির্ধারিত নেই।দিন এনে দিন খাই।জমানো টাকা ও নেই। ত্রাণ ও পাইনা আমারা। আমরা খাব কি?সরকার লকডাউন তুলে নিন।আমাদের বাঁচান।আমরা তো খেতে না পেয়ে মারা যাব।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net