1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মুক্তিযুদ্ধে শহীদ আফতাবুল কাদেরের ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
চন্দনাইশে ডেঙ্গু জ্বরে সাকিব আহমদের অকালমৃত্যু ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে অনুশীলনে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনায় কবিরহাটের আবুবক্কর সিদ্দিক নিহত  কোনো স্লিপার বাসের রেজিস্ট্রেশন দেয়নি বিআরটিএ: হাইকোর্টে প্রতিবেদন পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল সেবায় নতুন সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছে ক্রিয়েটিভ আইটি কর্ণার সিইও তরুণ উদ্যোক্তা তানবীন ফারুক মানিকছড়িতে বাজার শেড অবৈধ দখলমুক্তকরণ ও পুনঃস্থাপনের দাবীতে মানববন্ধন নোয়াখালীর সদর উপজেলায় মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ: অভিযুক্ত শিক্ষক আটক ‘শেষ দেখে ছাড়ব’, আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা বাঁধনের চবিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফের মৃত্যু নোয়াখালীর হাতিয়ায় ধান খেতে কীটনাশক স্প্রের বিষাক্ত বাষ্পে শ্রেণিকক্ষে অসুস্থ ১৬ শিক্ষার্থী 

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ আফতাবুল কাদেরের ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩১০ বার

রামগড়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আফতাবুল কাদের এর ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে।

শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে রামগড় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো: আনোয়ার ফারুক এর উদ্যোগে মঙ্গলবার দুপুরে মিলাদ, দোয়া এবং সন্ধ্যায় ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

১৯৭১ সালের এইদিনে খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের দোসর মিজোবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে মরণপণ যুদ্ধ করে শহীদ হন তিনি। অকুতোভয় এই বীরকে রামগড় কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপুর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে বীর উত্তম খেতাবে ভুষিত করা হয়।

১৯৪৭ সালের ২৫ ডিসেম্বর দিনাজপুর শহরে শহীদ আফতাবুল কাদেরের জন্ম। পিতা মরহুম এম আবদুল কাদের ছিলেন ব্রিটিশ আমলের ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট আর মা রওশন আরা বেগম ছিলেন গৃহিনী। মুক্তিযুদ্ধে তিনি রামগড়ে মেজর জিয়া ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগ দেন। মুক্তিবাহিনীর একটি দলের সাথে তিনি মহালছড়েিত যুদ্ধে যান। পাকিস্তানি কমান্ডোরা মহালছড়িতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থানে প্রচন্ড আক্রমণ চালায়। মহালছড়িতে ছিল মিজোবাহিনীর শক্ত ঘাটি। মিজোবাহিনী পাকিস্তানিদের পক্ষ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমন করে চারদিক থেকে ঘিরেও ফেলে। পাকিস্তানি সেনাবেষ্টনী থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের বেরিয়ে যাওয়ার পথ করে দিতে আফতাবুল কাদের গোলাগুলির মধ্যেই একটি কৌশলগত অবস্থানে ছুটে গিয়ে গুলিবর্ষণ করে শক্রপক্ষকে নাস্তানাবুদ করে ফেলেন। অনেকক্ষন লড়াই চালিয়ে একপর্যায়ে শক্রদের বুলেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি শহীদ হন।

শহীদ আফতাবুল কাদের এর বীরত্বগাঁথা এ অঞ্চলের মানুষ এখনও ভুলতে পারেননি। দেশমাতৃকার জন্য এই বীরের আত্মদান কিংবদন্তী হয়ে আছে এ অঞ্চলের মানুষের কাছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net