1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
বোরহানউদ্দিনে বোরোর বাম্পার ফলন - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
রেনেসাঁর দুই বছর মেয়াদি কার্যনির্বাহী পরিষদ ঘোষণা ৪ আগস্ট ২০২৪,বা ৩৫ জুলাই!!! যে স্মৃতি কোনো দিন ভোলার নয়! মাগুরায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ পালনে প্রস্তুুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নবীনগরে অনাবাদি জমিতে আউশ আবাদে নতুন সম্ভাবনা চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান: মানবতাবিরোধী অপরাধে ১৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১১ জনের যাবজ্জীবন পাহাড়িদের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার আহবান পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর খাগড়াছড়ির রামগড়ে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর আটক ভাঙ্গুড়ায় অষ্টমনিষা ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত, নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা মাগুরায় গলায় ফাঁস এবং আগুনে দগ্ধ হয়ে শিবলু খান (৪৫) ১ জনের মৃত্যু  মাগুরায় ২৪-এর শহীদদের স্মরণে ‘গানে গানে জুলাই’ সংগীতানুষ্ঠান

বোরহানউদ্দিনে বোরোর বাম্পার ফলন

মনিরুজ্জামান, বোরহানউদ্দিন( ভোলা) সংবাদদাতা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩ মে, ২০২১
  • ২৪৬ বার

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় এবার ইরি-বোরো মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এমন দাবী উপজেলা কৃষি বিভাগ ও এলাকার ধান উৎপাদনকারী চাষীগনের।উচ্চ ফলনশীল বীজ নির্বাচন, সময় মতো পর্যাপ্ত পরিমাণে সার,বীজ সরবরাহ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকাই ভালো ফলন হওয়ার নিয়ামক। ভালো ফলন হওয়া সত্ত্বেও করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবে ন্যায্যমূল্য পাওনা নিয়ে শঙ্কিত কৃষকগন।

বোরহানউদ্দিন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ হাজার ৩৪০ হেক্টর। অর্জিত হয়েছে ৯ হাজাট ৮১০ হেক্টর। উপজেলার ৪ হাজার ২ শত জন কৃষকের মাঝে এবার বিনামূল্যে ৮ হাজার ৪ শত কেজি জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান ৭৪ ও হাইব্রিড জাতের বীজ বিতরণ করা হয়েছে।কৃষি বিভাগ আরো জানায়,জিংক সমৃদ্ধ ধানের হেক্টরপ্রতি ফলন ৭.২ মেট্রিক্স টন।অন্যদিকে হাইব্রিড এর ফলন প্রায় ১০ মেট্রিক টন। সরকার কর্তৃক নির্ধারিত প্রতি মণ শুকনা ধানের মূল্য ১০৮০ টাকা।আর প্রতি মন ধানের উৎপাদন খরচ ৬৪০ থেকে ৮০০ টাকা। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, অবারিত মাঠে সবুজের মাঝে হলুদের সমারোহ। বাতাসে দুলছে ধানের হলুদ শীষ।দৃষ্টি সীমানা জুড়ে হলুদের ছোঁয়া দেহ- মনের প্রশান্তি জুড়ায়। এ সময় কৃষকরা জানায়,খরা থাকায় এবার বোরো মাঠে পোকা-মাকড় ও রোগ বালাইয়ের আক্রমণ তেমন দেখা যায় নাই। জমিতে অন্য বছরের চেয়ে কম পরিচর্ষা হয়েছে।

কুতুবা ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের কৃষক অহিদ সর্দার, শাহজাদা কাজী জানান, এবার মাঠে হাইব্রিড ধানের ব্যাপক ফলন দেখা যায়। দামও ভালো পাবো ইনশাল্লাহ।
সাচড়া ইউনিয়নের জাহাঙ্গীর সাবধী বলেন,৩ একর জমিতে তিনি হাইব্রিড ধান করেন।ফলন হেকটর প্রতি ১০ টন।পক্ষিয়া ইউনিয়নের রবি আলম,জহুর আহমেদ জানান,প্রতি শতাংশে তারা ৩২ কেজি ধান পেয়েছেন। গংগাপুর ইউনিয়নের আমির হোসেন,আবুল হোসেন,নুরুল ইসলাম বর্দার,দেউলা ইউনিয়ের মাহাবুব ঘুরানী, সাচড়া ইউনিয়ের শাহিন গুরিন্দা,কাচিয়া ইউনিয়নের আলমগীর
বলেন, এ রকম খরা থাকলে, ধান ঘরে তুলতে পারলে, বাজার ভাল থাকলে এবং শ্রমিকের মজুরি সাধ্যের মধ্যে থাকলে আমাদের খরচ উঠে যাবে।আমরা লাভের মুখ দেখবো।অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ফলন ভালো হয়েছে বলে তারা জানান।

উপজেলা কৃষি কর্মকতা মোঃ ওমর ফারুক বলেন, চলতি ইরি বোরো মৌসুমে মাঠে রোগ বালাই ও পোকা-মাকড়ের উপদ্রব না থাকায় এবং আবাহাওয়া অনুকুলে থাকার কারণে বাম্পার ফলন হয়েছে। পুরোদমে ফসল কর্তণ শুরু হয়েছে।উপজেলায় ৭ টি হারভেস্টার মেশিন আছে তাই ধান কর্তণে কৃষকের কোন সমস্যা হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net