1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
কোরবানী সামনে হলেও কাজ না থাকায় ভালো নেই ভোলার কামাররা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
কুমিল্লাকে কোনভাবেই মাদকের নিরাপদ পথ ও আশ্রয় হতে দেয়া হবে না:  গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী নকলায় এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করে ফাঁসিতে ঝুলে ছাত্রীর আত্মহত্যা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনে কিশোরগঞ্জবাসীর কিছু প্রত্যাশা একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি, শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল  চট্টগ্রাম উত্তর জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন লায়ন মোহাম্মদ জাহেদুল করিম বাপ্পী মাসুমা সুলতানা  মৌ ২০২৬ সালের এস এস সি পরীক্ষায় গোল্ডেন জি পি এ-৫ পেয়েছে রায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান ১০ হাজার টাকা জরিমানা  আনোয়ারা চাতরী চৌমুহনীতে এসিল্যান্ডের অভিযান, ৩ মামলায় ১১ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নবীগঞ্জে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে ৩ জন নিহত প্রতিবন্ধী দীপঙ্করের জীবনে নতুন আশার আলো, পাশে দাঁড়াল চ্যারিটেবল ট্রাস্ট

কোরবানী সামনে হলেও কাজ না থাকায় ভালো নেই ভোলার কামাররা

খলিল উদ্দিন ফরিদ।।ভোলা জেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১
  • ৪১৪ বার

কোরবানীতে যেখানে দম ফেলার সুযোগ থাকে না, সেখানে একরকম অলস সময় কাটাচ্ছে ভোলার কামালীরা। কাজ না থাকায় খেয়ে না খেয়ে কোন রকম জীবন কাটছে এই শিল্পর সাথে জড়িতরা। কোরবানীর সময় বেশি না থাকলেও মানুষের এবছর পশু জবাই,মাংস বানাতে চাপাডি,চাকু,দাসহ কোন কিছুরই প্রতি যেন আগ্রহ নেই এবছর। তাই ভালো নেই এই শিল্পের সাথে জড়িতরা।

সারাদেশে লকডাউন চলছে। তা থেকে বাদ নেই দ্বীপ জেলা ভোলা।তার পরেও শহরের দোকানপাট বন্ধ থাকলেও কোন রকম খুলেছে সদর উজেলার ইলিশা হাটের কয়েকটি দোকান। এখানে প্রতি বছর পশুরহাট বসে। এবছর একবার বসলেও পরে প্রশাসনের নির্দেশে পরবর্তিতে আর বসেনি। তবে কাঁচাবাজার এর সাথে ২/৪টি কামারের দোকান খুলেছে। দা,বটি,ছুড়ি বানিয়ে বসলেও কোন ক্রেতা নেই। ২/১ জন আসেন পুরনো কাচিঁতে একটু ধার দেয়াতে। সারাদিন কিছুই বিক্রি করতে পারেনি কামাল শিল্পের পুরনো কারিগড় তপন কর্মকার। ইলিশাতে বাড়ি তার। পূর্ব পুরুষরা সকলেই এই শিল্পের সাথে জড়িত বলে সেও কাজ করছে। কোরবানী চলে এসেছে কোন ক্রেতা নেই। সারাদেশের লকডাউন চলে তাই দুর থেকেও লোকজন আসছে না। খেয়ে না খেয়ে কাটছে এদের জীবন,এভাবেই বলছিলেন তিনি। শুধু তপন কর্মকার নয় রিপন ভক্ত ও মোঃ খলিল মিয়ার একই অবস্থা। সবকিছু সাজিয়ে বসলেও ক্রেতা না থাকায় হতাশ তারা। এভাবে চললে না খেয়ে মরতে হবে এমনটাই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তারা।
এদিকে ভোলা শহরের কালীনাথ রায়ের বাজার এলাকা ঐতিজ্যবাহি কামাল শিল্পের জন্য পরিচিত এক স্থান। লকডাউন থাকায় সেখানেও রয়েছে সব বন্ধ। ১৫/১৬টি দোকান থাকলেও দীর্য দিন ধরে বন্ধ থাকায় বিপাকে পরেছে সাধারন মানুষ। পশু জবাই করার জন্য দা,বটি,চাকু ও চাপাডি ক্রয় করতে পারছে না। মোঃ সোলায়মান বল্লেন,আমরা কোরবানী দিব। গত বছর চাপাডি,চাকু ক্রয় করে রেখেিেছ। এবছর একটু ধার দিব তা পারছি না। এভাবে চল্লে কোরবানী দেয়া কস্ট হয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন এই লোক। তাই কোরবানীর সাথে জড়িত কিছু প্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

ছবির ক্যাপসনঃ ভোলার ইলিশা জশংন বাজারে কামাররা সাজিয়ে বসলেও ক্রেতা শুন্য

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net