1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
রামেক হাসপাতালে হাই ফ্লো ক্যানুলা সংকট চরমে সাধারণ ওয়ার্ডের রোগীর বেশি মৃত্যু - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
আসছে মডেল খাল কর্মসূচি: বহুমুখী জীবিকা ও কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী নবীনগরে আশেকান মঞ্জিলে ৩৯তম উরস মোবারক অনুষ্ঠিত নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরুর দিনেই অভিযান: ৩০ কেজি ইলিশ জব্দ মাগুরার শ্রীপুরে নবাগত ইউএনও’র সাথে প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত  কুমিল্লায় ধানক্ষেত থেকে নিখোঁজ কিশোরীর লাশ উদ্ধার, পাশে পরিত্যক্ত সিএনজি লালমাইয়ে ধানক্ষেতের পাশ থেকে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার শ্রীনগরে মাদ্রাসায় শিক্ষককে অব্যাহতির ঘটনায় অপপ্রচারের অভিযো

রামেক হাসপাতালে হাই ফ্লো ক্যানুলা সংকট চরমে সাধারণ ওয়ার্ডের রোগীর বেশি মৃত্যু

রঈন উদ্দীন:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৫ জুলাই, ২০২১
  • ৪৫৩ বার

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে জুলাই মাসের ৫দিনে ৮২জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তাদের বেশির ভাগই করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাচ্ছে। এছাড়া গত মাসে (জুন) ৪০৫ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৮০ জনের মতো রোগী মারা গেছে ইনসেনসিভ কেয়ার ইউনিটে। আর বাকিরা মারা গেছে সাধারণ ওয়ার্ডে, যাদের অনেকেই অক্সিজেন তো দূরের কথা, হাসপাতালের শয্যাও পায়নি। আবার শয্যায় থেকেও অনেকেই হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা মেশিনের অভাবে মারা গেছে।

হাসপাতালের আইসিইউ ইনচার্জ চিকিৎসক আবু হেনা মোস্তফা কামাল জানান, হাসপাতালে মোট ৬৯টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা মেশিন রয়েছে। এর মধ্যে ২১টি রয়েছে আইসিইউতে। আর ২০টি রয়েছে ২৯ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে। আর অন্য ২৮টি দেওয়া আছে হাসপাতালের করোনার ১০টি ওয়ার্ডে। তবে চারটি মেশিন নষ্ট আছে। ফলে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৬০টি হাই ফ্লো মেশিনের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহ করা যাচ্ছে। কিন্তু আইসিইউতে রোগীদের যে চাপ তাতে আরো ৪০টি শয্যা করা হলেও এই চাপ সামলানো কঠিন হবে।

রাজশাহী হাসপাতাল থেকে দেওয়া তথ্য মতে, এখন প্রতিদিন হাসপাতালের রোগীদের জন্য আট হাজার লিটার অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে, যার বেশির ভাগই ব্যবহৃত হচ্ছে আইসিইউ ও এইচডিইউ ওয়ার্ডের রোগীদের জন্য। কারণ এসব ওয়ার্ডে প্রায় ৬০টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা মেশিনের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহ করতে হচ্ছে। একেকটি রোগীকে প্রতি মিনিটে ৬০-৮০ লিটার পর্যন্ত অক্সিজেন সরবরাহ করতে হচ্ছে। ফলে সাধারণ শয্যায় বা মেঝেতে যেসব রোগী ভর্তি আছে, তাদের পেছনে অর্ধেক অক্সিজেনও সরবরাহ করা যাচ্ছে না হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা মেশিন না থাকায়। আর যেসব রোগীর আইসিইউ প্রয়োজন হচ্ছে, কিন্তু সেই সুবিধা দেওয়া যাচ্ছে না বা হাই ফ্লো অক্সিজেন সরবরাহ করা যাচ্ছে না, করোনার সেসব সাধারণ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রোগীরাই বেশি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে।
হাসপাতালের দেওয়া প্রতিদিনের তথ্যচিত্রেও সাধারণ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রোগীদেরই বেশি মৃত্যু হচ্ছে। এমনকি রোগীর স্বজনরাও দাবি করছে, আইসিইউ সুবিধা না এবং হাই ফ্লো অক্সিজেন সরবরাহ সুবিধা না পেয়েই মারা যাচ্ছে বেশির ভাগ রোগী।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার শামীম ইয়াজদানী জানান, গত জুন মাস এবং চলতি মাসে করোনা ওয়ার্ডে মোট রোগী মারা গেছে ৪৮৭ জন। এদের মধ্যে অনেকেই মারা গেছে সাধারণ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায়, যারা সবাই উচ্চ শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net