1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
প্রধানমন্ত্রীর কাছে ঘর চান বৃদ্ধা আজাহার - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরায় ৮ হাজার ইয়াবা ও নারীসহ ৩ মাদক কারবারি আচক! টাকা ও বাইক জব্দ ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারের ভূমিকা সন্তোষজনক নয়: হাফিজুর রহমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ক্যানসারে আক্রান্ত সাংবাদিক ফারজানা আফরোজ কুমির চিকিৎসায় সহায়তার আবেদন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে শিক্ষকদের মর্যাদা ও বৈষম্য দূরীকরণে জাতীয়করণের দাবি  মাগুরায় আর্দশ শিক্ষক ফেডারেশনের আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত  মাগুরায় শ্রীপুরে সোনালী ব্যাংকের এটি,এম বুথের উদ্বোধন  নকলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত  মাগুরায় জামায়াতের ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট ও ব্লিচিং পাউডার বিতরণ  নবীনগরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা

প্রধানমন্ত্রীর কাছে ঘর চান বৃদ্ধা আজাহার

মাহমুদুল হাসান, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১
  • ৬৭৪ বার

আমাকে একটা ঘর দিলে আমি শেষ বয়সে স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে বাকি জীবনটা একটু সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারতাম। আমার মাথা গোজার ঠাই টুকু নেই। এভাবেই প্রধানন্ত্রীর কাছে কান্না জড়িত কন্ঠে আকুতি জানান পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার মৌডুবী ইউনিয়নের মাঝের দেওর গ্রামের ৭০ বছর বয়ষী অসহায় বৃদ্ধা আজাহার হাওলাদার। আজাহার উপজেলার মৌডুবী ইউনিয়নের চদ্রি মাঝি গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদ হাওলাদারের ছেল।
অনাহারে অর্ধহারে কাটে দিন। তার নেই কোন জমি জমা , দীর্ঘদিন ধরে অন্যের এক টুকরো যায়গায় ভাঙা ছোট ঝুপড়ি ঘরে থাকেন তিনি। ৭০ বছরেও মেলেনি সুখের হাতছানি। অভাবের তাড়নায় ও বার্ধক্যের কারণে ঠিকমতো চলতে পারে না। চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যাচ্ছে। ঝড় বৃষ্টি শুরু হলে ঝুপড়ি ঘরের এক কোনে বসে নিরবে বৃষ্টিতে ভিজা ছাড়া উপায় নেই তার। সারা ঘরেই পড়ে বৃষ্টির পানি। শীতে সময় ঠান্ডা বাতাস বইতে থাকে সারা ঘরে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বাশের খুটিঁ ,তালপাতার বেড়া আর ছেড়া কাগজ দিয়ে কোনো রকমের ছাপড়া দিয়ে ছোট একটি ঝুপড়ি ঘর তৈরি করে বৌ-বাচ্চা নিয়ে থাকেন অসহায় বৃদ্ধা আজাহার।
স্থানীয়রা জানান, আশেপাশের বাড়িতে তার স্ত্রী কাজ করে তাতেই চলে তার সংসার। অভাব অনটনের এই সংসারে তার অসহায়ত্ব যেন দেখার কেউ নেই।
বৃদ্ধা আজাহার বলেন, আমি পরের (অন্যের) বাড়িতে ১৪-১৫ বছর যাবত থাকি আমার একটা ছেলে আছে ৬ষ্ঠ শ্রেনিতে পরে আমি তার পড়াশোনার খরচ চালাতে পারিনা। মানুষের কাছ থেকে চাইয়ে চিন্তে খাই নিজের বাড়ি ভিটের যায়গা নাই । আমার নেই কোনো বয়ষ্ক ভাতার নাম। যদি প্রধানমন্ত্রী দয়া করে আমারে (আমাকে) একটা বাড়ি ভিটার যায়গা ও বয়স্ক ভাতার টাকা দেয় তাহলে আমি মরার আগে একটু সুখ দেখে যেতে পারতাম।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net