1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
যানজটে জনগণের নাভিশ্বাস, অথচ ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আনোয়ার অর্ধ উলঙ্গ হয়ে আয়েশ করছেন - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
এলজিআরডি মন্ত্রীর সাথে সাইবার ইউজার দলের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ  নাঙ্গলকোটে ভূয়া বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে চিকিৎসা সেবা প্রদান : জনস্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি ২২ অবৈধ পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম চিহ্নিত করল বাংলাদেশ ব্যাংক ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ সাংবাদিকরা সাইবার সুরক্ষা আইনের শিকার হোক, সেটা আমরা চাই না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাগুরার মহম্মদপুরে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের  উদ্বোধন  ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবের বার্তা নিয়ে লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ স্বার্থ সংরক্ষণে জাতীয় পর্যায়ে কৃষকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির মৌডুবী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সমর্থন প্রত্যাশী যুবদল নেতা লিটু গাজী প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ার উদ্যোগ ‘রিলিফ’ বাস্তবায়ন করল জেসিআই ঢাকা ডায়নামিক

যানজটে জনগণের নাভিশ্বাস, অথচ ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আনোয়ার অর্ধ উলঙ্গ হয়ে আয়েশ করছেন

স্টাফ রিপোর্টার |
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩০ আগস্ট, ২০২১
  • ৪১৬ বার

দিনের শুরু থেকেই রিকশা, অটোরিকশার প্রচণ্ড চাপ। সঙ্গে যোগ হয়েছে ব্যাটারিচালিত গাড়িগুলো। সব মিলিয়ে ৫ মিনিটের রাস্তায় সময় পার হচ্ছে ঘণ্টার পর ঘন্টা ।

রবিবার, ২৯ আগস্ট বিকেলে ঢাকা জেলা সাভারের শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার প্রাণকেন্দ্র ডিইপিজেড রপ্তানি এলাকা। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এখানে ট্রাফিক পুলিশ ও সার্জেন্ট থাকার কথা থাকলেও দেখা গেলো না কাউকেই। দায়ীত্বরত ট্রাফিক ইন্সপেক্টরকে আনোয়ার হোসেনকে বিকেল বেলা দেখা গেল ডিইপিজেড পুরাতন রপ্তানি ওভার ব্রীজের পাশ ঘেঁষে ট্রাফিক পুলিশ বক্সের ভিতরে নিত্য দিনের মত আজকেও খালি গায়ে পরনে গামছা বেধে বাকি পুলিশ সদস্যদের নিয়ে বসে আছেন। বাইরে পান বিক্রেতা মতিন মিয়াকে দেখাযায় ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আনোয়ার হোসেনের সরকারী মোটর সাইকেলটি নিয়ে চন্দ্রা নবীনগর মহাসড়কের রপ্তানী এলাকায় মোহরা দিতে। এ বিষয়ে অনেকেই মন্তব্য করছেন যে ইয়াবা সেবন করে খালি গায়ে থাকতে হয়, ওনার খালি গায়ে অফিস করার কারন এটিও হতে পারে।অনেকেই বলছেন অটোচালক ও ইজিবাইক চালকদের কাছ থেকে জানা যায় দু’একদিন পর পর চন্দ্রা নবীনগর মহাসড়কের নতুন ইপিজেড থেকে শুরু করে চক্রবর্তী পর্যন্ত পান বিক্রেতা মতিনের নেতৃত্বে একদল যুবক মহাসড়ক থেকে আমাদের ইজিবাইক, অটোরিক্সা গুলো ধরে নিয়ে যায় পুরাতন ইপিজেড এর মুল ফটকের পাশে ট্রাফিক পুলিশ বক্সে। সুযোগ বুঝে কিছু রিক্সা রেকার বিলের সিলিপ দিয়ে বাকী গুলো টাকা নিয়ে ছেরে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে । যানজটে মহাসড়কে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা এর মধ্যে প্রকাশ্যে পুলিশ বক্সের ভিতরে দাঁড়িয়ে দেখা গেলো ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আনোয়ারের অর্ধ উলংগ হয়ে বাকী পুলিশ সদস্যদের নিয়ে বসে থাকার দৃশ্য। পাশেই প্রচণ্ড যানজট লেগে থাকলেও তা নিরসনে কোনো আগ্রহ নেই তার। সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায় মহাসড়কের বলিভদ্র বাজার স্টান্ড, শ্রীপুর স্টান্ড, চক্রবর্তী স্টান্ডে দেখা গেলো রিকশা ও অটোটেম্পুর সঙ্গে ট্রাকের মিলন মেলা। সেখানে ট্রাফিকের কেউ না থাকলেও টিআই আনোয়ারকে দেখা যায় খালি গায়ে বক্সের ভিতরেই। টিআই তখনো পুলিশ বক্সে বি্শ্রামে ছিলেন। যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করছিলেন তার মনোনীত কয়েকজন দালাল সদস্য। তারাই বেআইনীভাবে ঢুকে পড়া ট্রাক থেকে চাঁদা আদায় করছিলেন তাদেরই নিয়োগকৃত আর এক সদস্য। চন্দ্রা নবীনগর মহাসড়কের জনশ্রুতি রয়েছে, যানজট যত, পুলিশের আয় ততো। কথাটি বাইরের মানুষের কাছে অপরিচিত মনে হলেও ইজিবাইক অটোরিক্সা চালকদের জন্য নতুন কিছু নয়। তাই দিন যতই যাচ্ছে, পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগের মাত্রা ততই বাড়ছে। মহাসড়কে সাধারণ রিকশার পাশাপাশি ব্যাটারি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও অটোটেম্পুর এবং আঞ্চলিক বাস যত্র তত্র পার্কিংয়ের কারণে এ যানজট ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। অটোরিকশার চালক বা মালিকদের দৌরাত্ম্যের পাশাপাশি পুলিশের সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠতার ব্যাপক সমালোচনাও চলছে। আশুলিয়ার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আলাপ করে এ সকল অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের কথা স্বীকারও করেছেন জেলার বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তারা। তারাও জানেন অবৈধ এ সকল যানবাহন মহাসড়কে প্রবেশ করা থেকে শুরু করে সড়কের পাশে এক লাইনে দাঁড়িয়ে না থেকে এলোমেলো দুই বা ততোধিক লাইন হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলেই টাকা পায় ট্রাফিক পুলিশ। যে কারণে অটোরিকশা ও আন্চলিক বাসগুলো মহাসড়কের মর্ধ্যে এলোমেলো অবস্থায় বা যত্র তত্র পার্কিং করলেও পদক্ষেপ নিতে বরাবরই অনাগ্রহ দেখিয়ে থাকেন ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা। মহাসড়কে অবৈধ অটোরিকশা ও অটোবাইকের সংখ্যা প্রায় তিন হাজার ছাড়িয়ে যাবে এবং আন্চলিক বাস, ট্রাক পিকাপও প্রায় হাজার খানেক মাহসড়কে পার্কিং করে রাখা হয় যেগুলির মাসোহারাও গুনতে হয় মালিকদের, বলিভদ্র মার্কেটের ব্যবসায়ী ছদ্মনাম মনোয়ার, জুলহাসসহ আরো কয়েক ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, অটোরিকশার মালিকদের এতটাই দাপট যে, বেআইনিভাবে মহাসড়কে যত্র তত্র গাড়ির স্ট্যান্ড বানিয়ে সেখানে যাত্রী ওঠা-নামা করলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয় না স্থানীয় প্রশাসন। বরং ট্রাফিক পুলিশ মাসিক ও দৈনিক ভিত্তিতে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে গাড়ি চালকদের এ ধরনের অবৈধ সুবিধা দিয়ে জনসাধারণের ভোগান্তির সৃষ্টি করছে। একই ধরনের অভিযোগ করে এক গার্মেন্টস কর্মী পুতুল, সায়বুল , পথচারী মমিন । তারা বলেন, যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা খুবই দুঃখজনক। জনসাধারণের ভোগান্তির কথা ভেবে সপ্তাহে একদিনও যদি পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে পারতেন বলে অনেকেই মন্তব্য করেন,দ্রুত মহাসড়ক যানজটমুক্ত হতো এবং দৌরাত্ম্য কম হতো এ সকল গাড়ি চালক বা মালিকদের। ঢাকা সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী বলেন, পুলিশ প্রশাসন ইচ্ছে করলে সংশ্লিষ্ট ধারায় একাধিক মামলা দিয়ে, জরিমানা করে, গাড়ি আটক করে সাতদিনের মধ্যে এ সকল বন্ধ করতে পারেন। কিন্তু এক শ্রেণির ট্রাফিক পুলিশ অসৎ উদ্দেশ্যে এ সকল অটোরিকশার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে চায় না। যানজটে ভুক্তভোগী অনেকেই এ প্রতিবেদককে জানান, অটোরিকশার সংখ্যা প্রায় আড়াই অটোরিকশা অবৈধভাবে চলাচল করছে। পুলিশ ইচ্ছে করলেই তাদের আটক করে একাধিক ধারায় মামলা দিতে পারে। কিন্তু দেখার কেউ নেই। এমনকি সামনে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দখল করে স্ট্যান্ড বানিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে যাত্রী উঠানামা করায়। কিন্তু সব কিছুই ট্রাফিক পুলিশের নাকের ডগায় হচ্ছে। রহস্যজনকভাবে নির্লিপ্ত থাকছে ট্রাফিক পুলিশ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিএনজিচালিত ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার তিন`জন মালিক বলেছেন, প্রতিটি অটোরিকশা ও ইজিবাইক, অটোরিকসা প্রতি মাসে ২হাজার ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা প্রতি ১থেকে দের হাজার টাকা করে মাসে ট্রাফিক পুলিশকে দিতে হয়। তাই এসব গাড়ি ট্রাফিক পুলিশ ধরে না। তবে মাঝে মধ্যে আটক করলেও রাতে পুলিশ এই গাড়িগুলো নিয়ে অণডিউটি করে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net