1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
গাইবান্ধায় একই রশি থেকে দুই যুবকের লাশ উদ্ধারের ঘটনা পরকীয়ার জেরে হত্য - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী চন্দনাইশে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১, আহত-২ চন্দনাইশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মাগফেরাত কামনায় বিএনপির দোয়া মাহফিল চন্দনাইশে বিমরুলের কামড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু ‘দৌড়ান সুস্থতার জন্য, এগিয়ে চলুন বিজয়ের পথে’—স্লোগানে রামগড়ে ম্যারাথনে অংশ নিলেন তিন শতাধিক দৌড়বিদ মাগুরায় লোডশেডিংয়ের গরম থেকে বাঁচতে মসজিদের ছাদে উঠে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু! রুপনগর প্রেসক্লাবের সদস্য মোঃ রুহুল আমিন এর মমতাময়ী মায়ের মৃত্যু প্রান্তিক শহরে উন্নত আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি নিয়ে উইপ্রো জিই হেলথকেয়ারের ‘হেলথ এক্সপ্রেস’ চালু নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে মাগুরায় ১১দলীয় ঐক্য জোটের স্মারকলিপি প্রদান হাটহাজারী মাদরাসা ছাত্র আরিফুল ইসলামের আকস্মিক মৃত্যু : মাগফিরাত কামনায় জামেয়ার মহাপরিচালক

গাইবান্ধায় একই রশি থেকে দুই যুবকের লাশ উদ্ধারের ঘটনা পরকীয়ার জেরে হত্য

আনোয়ার হোসেন শামীম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৬১ বার

গাইবান্ধায় একই রশি থেকে দুই যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় প্রেস ব্রিফিং করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

আজ রোবাবর (১৫ অগাস্ট) দুপুরে নিজস্ব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন পিবিআই গাইবান্ধার পুলিশ সুপার এ আর এম আলিফ।

ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, আত্নহত্যা নয়, পরকীয়ার জেরে দুই বন্ধু মৃণাল চন্দ্র দাস ও সুমন কান্তি দাসকে হত্যা করা হয়েছে। এরপর তাদের লাশ গাইবান্ধা সদর উপজেলার মিয়ারবাজার এলাকার একটি গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়। হত্যাকান্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন গ্রেপ্তারকৃত প্রদীপ চন্দ্র। প্রদীপ আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার আরও জানান, গত ১২ আগষ্ট সকালে গাইবান্ধা সদর উপজেলার পিয়ারাপুর গ্রামের একটি গাছের বাগানে একই রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় মৃণাল ও সুমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরপরই গ্রেপ্তার করা হয় তাদের বন্ধু প্রদীপকে। প্রদীপ পিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকান্ডের সাথে নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করেন। তিনি গতকাল শনিবার (১৪ আগষ্ট) আদালতেও স্বীকারোক্তি দেন।

গ্রেপ্তারকৃত প্রদীপ পিবিআই ও আদালতের কাছে জবানবন্দিতে জানায়, নিহত সুমন কান্তি দাসের মায়ের সাথে তার বন্ধু নিতাই চন্দ্র দাসের অবৈধ সম্পর্ক ছিল। পরে বিষয়টি জানাজানি হয়। এনিয়ে সুমন ও নিতাই দুই বন্ধুর মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে এই বিরোধের জের ধরে নিতাই পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রদীপ চন্দ্র দাসের সহযোগীতায় সুমন কান্তি দাস ও মৃনাল কান্তি দাসকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। তাই তারা মাদক সেবনের প্রলোভন দেখিয়ে গত ১১ আগষ্ট রাতে নিতাইয়ের বাড়ি সংলগ্ন ঘটনাস্থলে ডেকে নিয়ে যায়।

এরপর পুর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী নিতাই ও প্রদীপসহ আরও তিন-চারজনের সহযোগীতায় মৃনাল ও সুমনকে হত্যা করে। পরে এই হত্যাকান্ড আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার জন্য একটি গাছে একই রশির দুই মাথায় মৃনাল ও সুমনকে ঝুলিয়ে রাখা হয়। পরে নিতাই, প্রদীপ ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, গত ১২ আগষ্ট সকালে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় মৃণাল ও সুমনের মরদেহ দেখে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ওইদিন দুপুর দুইটায় রংপুরস্থ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের কর্মকর্তারা লাশ দুইটি উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে দুটি গাছে ছুড়ি দিয়ে নিতাইয়ের নাম খোদাই করা ছিলো। একটি গাছে কাচি ও আরেকটি গাছে চাকু আটকানো ছিলো। এমনকি তাদের দুজনের মরদেহের পাশে একটি রশিতে সাজিয়ে রাখা তাদের ব্যবহৃত রুমাল, মাস্ক, তোয়ালে, ব্যাগ, মানিব্যাগ জব্দ করা হয়। ওইদিনই এ ঘটনায় সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটির তদন্তভার পায় গাইবান্ধা পিবিআই।

পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার জানান, এ ঘটনায় মুল পরিকল্পনাকারী নিতাই ও তার সহযোগীরা সবাই পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net