1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
এক যুগেরও বেশি সময় চিকিৎসকশুন্য ভৈরব রেলওয়ে হাসপাতাল - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, এমপিকে অভিনন্দন: এলাকায় মিষ্টি বিতরণ  আনোয়ারায় মাদক সেবনের দায়ে তিনজন কারাদণ্ড মাগুরায় ভূতুরে বিল! পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত! বিদ্যুৎমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ মাগুরায় প্রতিবন্ধী ও স্বামীহারা সাহিদা বেগম ক্যান্সারে আক্রান্ত! অর্থাভাবে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর প্রহর গুনছে জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন – জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম  নবীগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধা বৃত্তি প্রদান  মাগুরায় জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত  দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতি রাশিয়ার বোমারু বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৬ মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন: কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন 

এক যুগেরও বেশি সময় চিকিৎসকশুন্য ভৈরব রেলওয়ে হাসপাতাল

আনোয়ার হোসাইন (তন্ময় আলমগীর), কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩৩৫ বার

পূবাইল থেকে ভৈরব বাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাতশাল থেকে ভৈরব বাজার ও ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ভবায়নগর পর্যন্ত কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে হাসপাতালের আওতাভুক্ত। তবে হাসপাতালটিতে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে নেই কোনো চিকিৎসক।

একজন ফার্মাস্টিট অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকলেও আসেন সপ্তাহে দুদিন। মেডিসিন কেয়ার দিয়ে চলে বাকি দিনগুলো। ফলে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কর্মরত হাজারও কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রেল দুর্ঘটনায় আহত রোগীরা।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, ভৈরব রেলওয়ে চিকিৎসালয়ে একজন চিকিৎসক, একজন ফার্মাস্টিট, একজন মেডিসিন কেয়ার, দুজন ওয়ার্ড অ্যাটেনডেন্ট, একজন ডিসপেনসারি কেয়ার, একজন চৌকিদার থাকার কথা। কিন্তু বর্তমানে হাসপাতালে কর্মরত আছেন একজন ফার্মাস্টিট, একজন মেডিসিন কেয়ার, একজন ওয়ার্ড অ্যাটেনডেন্ট, একজন ডিসপেনসারি কেয়ার ও একজন চৌকিদার।

হাসপাতালের ফার্মাস্টিটের রুমে গিয়ে দেখা যায় একজন বসে কিছু লিখছেন। ডাক্তার আছে কি-না তার কাছে জানতে চাইলে বলেন, আমি মজনু মিয়া এখানে মেডিসিন কেয়ার পদে আছি। হাসপাতালে একজন ফার্মাসিস্ট অতিরিক্ত দায়িত্বে আছেন। তবে তিনি এখন নেই। সপ্তাহে বুধবার ও বৃহস্পতিবার আসেন। তার অনুপস্থিতিতে আগত রোগীদের আমিই সেবা দিয়ে থাকি।

তিনি আরও বলেন, এ হাসপাতালে ১৪ বছরেও বেশি সময় ধরে কোনো চিকিৎসক নেই। নামেমাত্র একজন ফার্মাস্টিট দায়িত্বে আছেন। তিনি থাকেন ময়মনসিংহে। সেখান থেকে মাঝেমধ্যে আসেন তিনি।

রেলওয়ে বিভাগের ট্রলিম্যান পদে কর্মরত বাবুল মিয়া পেট ব্যথা নিয়ে আসেন হাসপাতালে। তিনি বলেন, হাসপাতালে কোনো ডাক্তার নেই। কিন্তু কী করবো উনার (মেডিসিন কেয়ার) কাছ থেকেই ওষুধ নিয়ে যাই। ডাক্তার থাকলে তো সঠিক চিকিৎসা সেবা পেতাম।

রেলওয়ে চিকিৎসালয়ের ওয়ার্ড অ্যাটেনডেন্ট শাহিনা বলেন, শুনেছি এই হাসপাতালের চিকিৎসক নিয়োগ বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। একজন ফার্মাসিস্ট আছেন। তিনি মাঝেমধ্য আসেন। কিন্তু আমরা তো প্রতিদিনই হাসপাতালে এসে আমাদের দায়িত্ব পালন করছি। রোগীরা আসলে মেডিসিন কেয়ার মজনু মিয়া তাদের চিকিৎসা সেবা দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভৈরব রেলওয়ে চিকিৎসালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা ফার্মাস্টিট মো.কামরুজ্জামান বলেন, ১৪ বছরের বেশি সময় ধরে এ হাসপাতালে চিকিৎসক নেই। চিকিৎসক ছাড়াই আগত রেলওয়ে কর্মচারীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। আমি অতিরিক্ত দায়িত্বে আছি। আমার মূল দায়িত্ব ময়মনসিংহের চিকিৎসালয়ে। সেখান থেকে ভৈরব হাসপাতালের দূরত্ব প্রায় ১২০ কিলোমিটার। এত দূর থেকে তো এসে রোগী দেখা সম্ভব নয়। তবুও আমি সপ্তাহে দুদিন হাসপাতালে একাই রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছি। প্রতিদিন ২৫-৩০ রোগী সেবা নিতে আসেন।

তিনি আরও বলেন, জরুরি ক্ষেত্রে হাসপাতালের মেডিসিন কেয়ার পদে যিনি আছেন তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। যদি গুরুতর কোনো রোগী আসলে, স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা ঢাকা হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন বলে তিনি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net